ঢাকা ০৮:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের সংসদে ক্ষোভ ঝাড়লেন হাসনাত আব্দুল্লাহ উন্নয়নমূলক কাজে ইউনিয়নভিত্তিক কমিটি গঠন করা হবে: ডেপুটি স্পিকার দেশে মজুত গ্যাস দিয়ে ১২ বছর পর্যন্ত চাহিদা মেটানো সম্ভব সংস্কৃতিচর্চায় শিক্ষার্থীদের উগ্র চিন্তার প্রতি আকর্ষণ কমে যায় : ববি হাজ্জাজ সংকট না থাকলে রাস্তায় তেলের জন্য ৩ কিমি লম্বা লাইন কেন, প্রশ্ন রুমিন ফারহানার বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমছে, আর দেশে বাড়ছে: জামায়াত আমির অতীতে কেউ ছাত্রলীগ করলেও এনসিপিতে যোগ দিতে পারবেন: নাহিদ সোমবার থেকে সারা দেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু

চাঁদপুরে নারী ভাইস-চেয়ারম্যানের বাড়িতে ২ টন ত্রাণের চাল

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুর সদর উপজেলার নারী ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানার বাড়ি থেকে ২ টন ত্রাণের চাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার তত্ত্বাবধানে পিকআপ ভ্যান দিয়ে চালগুলো উদ্ধার করে সদর উপজেলার গোডাউনে নিয়ে রাখা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে চালগুলো চাঁদপুর সিএসডি গোডাউন থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা শহরের ট্রাকরোড এলাকার পালপাড়াস্থ তার নিজ বাড়িতে এনে রাখেন।

পরে বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পারে। এরপর ওই চালগুলো তার বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

খবরে পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সানজিদ ঘটনাস্থলে আসেন এবং ওই বাসায় ত্রাণের চালের মজুদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার একজন ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি ত্রাণ কিংবা কোনো বরাদ্দের চালই নিজ বাড়িতে নিয়ে রাখার নিয়ম নেই। আমাদের যত বরাদ্দ আসে আমরা এগুলো গোডাউন থেকে সরাসরি পরিষদের গোডাউনে নিয়ে রাখি। অনেক সময় সরাসরি বিতরণকৃত এলাকায় নিয়ে তালিকাভুক্ত লোকদের হাতে তুলে দেই।

ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, জিআর বরাদ্দের চাল ইউনিয়নের গরীবদের মাঝে বিতরণের কথা। ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় যেহেতু চেয়ারম্যানরা বিতরণ করেন, আমি চিন্তা করেছি ইউনিয়নে না দিয়ে আমার বাড়ির আশপাশে শহরের লোকদের মাঝে দেব। সে কারণে বাড়িতে এনে রেখেছি।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন, আসলে তেমন কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে আমি মনে করি না। ওই নারী ভাইস-চেয়ারম্যান মনে করেছেন করোনার এ অবস্থায় জনসমাগম এড়াতে সরল বিশ্বাসে তার নিজ বাড়ি থেকে এই চাল দরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের জন্য নিয়ে রেখেছেন। পরে আমরা ওই চাল উপজেলা গোডাউনে এনে রেখেছি।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যদি গরীবদের দিতেই হয় তাহলে উপজেলা থেকেই দিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ইরানের পারমাণবিক অধিকার কেড়ে নেওয়ার ট্রাম্প কে, প্রশ্ন ইরানি প্রেসিডেন্টের

চাঁদপুরে নারী ভাইস-চেয়ারম্যানের বাড়িতে ২ টন ত্রাণের চাল

আপডেট সময় ০৯:৫৮:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদপুর সদর উপজেলার নারী ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানার বাড়ি থেকে ২ টন ত্রাণের চাল উদ্ধার করা হয়েছে।

বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমার তত্ত্বাবধানে পিকআপ ভ্যান দিয়ে চালগুলো উদ্ধার করে সদর উপজেলার গোডাউনে নিয়ে রাখা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার দুপুরে চালগুলো চাঁদপুর সিএসডি গোডাউন থেকে ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা শহরের ট্রাকরোড এলাকার পালপাড়াস্থ তার নিজ বাড়িতে এনে রাখেন।

পরে বিষয়টি বিভিন্ন সূত্রে জেলা প্রশাসন, পুলিশ, সরকারি গোয়েন্দা সংস্থা জানতে পারে। এরপর ওই চালগুলো তার বাড়ি থেকে নিয়ে আসার জন্য নির্দেশ দেয়া হয়।

খবরে পেয়ে চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক সানজিদ ঘটনাস্থলে আসেন এবং ওই বাসায় ত্রাণের চালের মজুদের বিষয়ে খোঁজ-খবর নেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার একজন ইউপি চেয়ারম্যান বলেন, সরকারি ত্রাণ কিংবা কোনো বরাদ্দের চালই নিজ বাড়িতে নিয়ে রাখার নিয়ম নেই। আমাদের যত বরাদ্দ আসে আমরা এগুলো গোডাউন থেকে সরাসরি পরিষদের গোডাউনে নিয়ে রাখি। অনেক সময় সরাসরি বিতরণকৃত এলাকায় নিয়ে তালিকাভুক্ত লোকদের হাতে তুলে দেই।

ভাইস-চেয়ারম্যান আবিদা সুলতানা সাংবাদিকদের বলেন, জিআর বরাদ্দের চাল ইউনিয়নের গরীবদের মাঝে বিতরণের কথা। ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় যেহেতু চেয়ারম্যানরা বিতরণ করেন, আমি চিন্তা করেছি ইউনিয়নে না দিয়ে আমার বাড়ির আশপাশে শহরের লোকদের মাঝে দেব। সে কারণে বাড়িতে এনে রেখেছি।

চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা বলেন, আসলে তেমন কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে আমি মনে করি না। ওই নারী ভাইস-চেয়ারম্যান মনে করেছেন করোনার এ অবস্থায় জনসমাগম এড়াতে সরল বিশ্বাসে তার নিজ বাড়ি থেকে এই চাল দরিদ্রদের মাঝে বণ্টনের জন্য নিয়ে রেখেছেন। পরে আমরা ওই চাল উপজেলা গোডাউনে এনে রেখেছি।

চাঁদপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল মাহমুদ জামান বলেন, সংবাদ পেয়ে আমরা তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। যদি গরীবদের দিতেই হয় তাহলে উপজেলা থেকেই দিতে হবে।