ঢাকা ১১:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আইজিপি: চাঁদাবাজির অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করার ক্ষমতা পাচ্ছে পুলিশ জাপান সফরে তারেক রহমান: অর্থনৈতিক অংশীদারত্বে নতুন গতির আশা রাষ্ট্রদূতকে আনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ বিষয়: শামা ওবায়েদ সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটির নবম বৈঠক চলছে স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো

সংলাপ সেনাবাহিনী ও পর্যবেক্ষক নিয়ে যা ভাবছে আওয়ামী লীগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে তাতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

সোমবার তিনি গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আওয়ামী লীগ চায় না ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি হোক। সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

সংলাপে কী প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে সে বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, তারা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। তাদের ওপর যেন সরকার কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সংলাপে আমরা এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ার চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

নির্বাচনকালীন সরকার ও বিদেশি পর্যবেক্ষক বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার থাকবে নামমাত্র। নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যেসব পশ্চিমা দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ওইসব দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে। আমাদের তাতেও কোনো আপত্তি নেই।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কালীন সময় সামরিক বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের যে দাবি ঐক্যফ্রন্ট দিয়েছে সেটা সংবিধান অনুযায়ী সম্ভব নয়। দুযোর্গকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়, তেমনি নির্বাচনে যদি এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত করা হবে। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট বা সিভিল প্রশাসনের জুডিশিয়ালি যারা, তারাই এই ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার খাটানোর এখতিয়ার রাখেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সংবিধান সংশোধন কমিটিতে সর্বোচ্চ অর্জন প্রত্যাশা আসিফ নজরুলের

সংলাপ সেনাবাহিনী ও পর্যবেক্ষক নিয়ে যা ভাবছে আওয়ামী লীগ

আপডেট সময় ০৯:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা পশ্চিমা দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে তাতে আওয়ামী লীগের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছেন দলটির সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

সোমবার তিনি গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, আওয়ামী লীগ চায় না ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির মতো নির্বাচনের পুনরাবৃত্তি হোক। সে লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সেটা নিশ্চিত করার কথাও জানান তিনি।

সংলাপে কী প্রতিশ্রুতি থাকতে পারে সে বিষয়ে আবদুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়, সে জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, বিশেষ করে নির্বাচন কমিশন, তারা যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে। তাদের ওপর যেন সরকার কোনো প্রভাব বিস্তার করতে না পারে, সংলাপে আমরা এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দেয়ার চেষ্টা করব।

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলির সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক।

নির্বাচনকালীন সরকার ও বিদেশি পর্যবেক্ষক বিষয়ে তিনি বলেন, সরকার থাকবে নামমাত্র। নির্বাচনকালীন সময়ে তাদের কোনো প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকবে না। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন বা যেসব পশ্চিমা দেশে গণতন্ত্র প্রাতিষ্ঠানিক রূপ নিয়েছে। ওইসব দেশ থেকে যদি নির্বাচন পর্যবেক্ষক দল আসে। আমাদের তাতেও কোনো আপত্তি নেই।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নির্বাচন কালীন সময় সামরিক বাহিনীকে বিচারিক ক্ষমতা দিয়ে মোতায়েনের যে দাবি ঐক্যফ্রন্ট দিয়েছে সেটা সংবিধান অনুযায়ী সম্ভব নয়। দুযোর্গকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় যেভাবে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়, তেমনি নির্বাচনে যদি এমন কোন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় তাহলে তাদের স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত করা হবে। এক্ষেত্রে সেনাবাহিনীকে কোনো বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হবে না। ম্যাজিস্ট্রেট বা সিভিল প্রশাসনের জুডিশিয়ালি যারা, তারাই এই ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার খাটানোর এখতিয়ার রাখেন।