ঢাকা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’!

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি সেশনের অনার্স (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যারা গত এক বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’কে আবার ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সোমবার চলতি বছরের ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এই অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য বজলুল মজনুন চুন্নু, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

গত বছর ২০১৭-১৮ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। এই প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করে।

এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র অনশন শুরু করেন।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। ছাত্রলীগ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিসহ চার দফা দাবি জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ওই সময় ছাত্রলীগের দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন। উপাচার্য দেশে এলে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। গতকাল উপাচার্য দেশে এসে আজ অধিকতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাবির প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’!

আপডেট সময় ০৫:১০:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলতি সেশনের অনার্স (সম্মান) প্রথমবর্ষ ভর্তি পরীক্ষার ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অধ্যাপক আখতারুজ্জামান।

গত বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ঘ’ ইউনিটে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় যারা গত এক বছরেও তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি সেই ‘ব্যর্থ কমিটি’কে আবার ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁসে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

সোমবার চলতি বছরের ঢাবি ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্নফাঁস নিয়ে এই অধিকতর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান কমিটি গঠনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটির প্রধান হলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমাদ।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এমদাদুল হক, সিন্ডিকেট সদস্য বজলুল মজনুন চুন্নু, জগন্নাথ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক অসীম কুমার সরকার, বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী।

গত বছর ২০১৭-১৮ সেশনে ‘ঘ’ ইউনিটের প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় এই পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট কমিটিকেই তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু গত এক বছরেও কমিটি তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে পারেনি।

চলতি বছরের ‘ঘ’ ইউনিটের পরীক্ষার পূর্বেই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। পরে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এটা নিয়ে প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহাম্মাদ সামাদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। কমিটি একজন ভর্তিচ্ছুর মোবাইলে সকাল ৯টা ১৭ মিনিটে প্রশ্ন পাওয়ার প্রমাণ পায়। এই প্রমাণ পাওয়া সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ ১৬ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ফল প্রকাশ করে।

এতে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করে। পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে আইন অনুষদের তৃতীয় বর্ষের একজন ছাত্র অনশন শুরু করেন।

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। ছাত্রলীগ যাচাই-বাছাই সাপেক্ষে পুনরায় পরীক্ষা নেওয়ার দাবিসহ চার দফা দাবি জানায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরর প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রব্বানী ওই সময় ছাত্রলীগের দাবির বিষয়ে একমত পোষণ করেন। উপাচার্য দেশে এলে তিনি সিদ্ধান্ত নেবেন বলে জানান। গতকাল উপাচার্য দেশে এসে আজ অধিকতর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।