ঢাকা ০৭:০৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ভারতের পাশে থাকার ইঙ্গিত ব্রিটেনের

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ডোকালাম বিতর্কে ভারতের পাশেই থাকতে চলেছে ব্রিটেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন।

১৯৪৭ সালের মে মাসে লন্ডনে স্থাপিত হয় ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের। চলতি বছরে সেই সংস্থাও ৭০ বছর অতিক্রম করেছে। স্বদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই অনুষ্ঠানে বরিস জনসন বলেন, `চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে ভারতের পাশে থাকার গুরুত্বের কথা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা জনসন। চীন যাতে উত্তর কোরিয়ার উপর আর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ না করতে পারে, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথাই বলেছেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আমেরিকার মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিতে নারাজ জনসন।

তার কথায়, `হোয়াইট হাউজ কী বলছে, সেটা গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। বরং আমাদের উচিত বর্তমান সমস্যার মূল কারণের উপর নজর দেওয়া। ভুলে গেলে চলবে না, উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত পারমাণবিক আক্রমণের হুমকি দিচ্ছে। সমগ্র এশিয়া মহাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষার জন্য ব্রিটেনের উচিত ভারতের হাত শক্ত করা। ` ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্ত্রী মারিনার মা পঞ্জাবি। সেই কারণে ওই দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে বিদেশমন্ত্রী `ভারতের জামাই` হিসেবেই পরিচিত। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আশিস রায়, লেবার পার্টির প্রতিনিধি এমরি স্টিফেন পাউন্ড এবং ব্রিটেনে ভারতের দূত ওয়াই কে সিনহা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ভারতের পাশে থাকার ইঙ্গিত ব্রিটেনের

আপডেট সময় ০৮:৩২:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ডোকালাম বিতর্কে ভারতের পাশেই থাকতে চলেছে ব্রিটেন। ভারতের স্বাধীনতা দিবসে সাংবাদিকদের এক অনুষ্ঠানে এসে এমনই মন্তব্য করেছেন ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রী বরিস জনসন।

১৯৪৭ সালের মে মাসে লন্ডনে স্থাপিত হয় ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের। চলতি বছরে সেই সংস্থাও ৭০ বছর অতিক্রম করেছে। স্বদেশের স্বাধীনতা দিবসে ব্রিটেনের বিদেশমন্ত্রীকে আহ্বান জানিয়েছিল ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন। সেই অনুষ্ঠানে বরিস জনসন বলেন, `চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারতের সঙ্গে সহযোগিতা করা উচিত।

উত্তর কোরিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে চীনের উপর প্রভাব বিস্তার করতে ভারতের পাশে থাকার গুরুত্বের কথা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা জনসন। চীন যাতে উত্তর কোরিয়ার উপর আর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ না করতে পারে, সেই উদ্যোগ নেওয়ার কথাই বলেছেন তিনি। যদিও এই বিষয়ে আমেরিকার মতামতকে অধিক গুরুত্ব দিতে নারাজ জনসন।

তার কথায়, `হোয়াইট হাউজ কী বলছে, সেটা গুরুত্ব দেওয়ার কোনও দরকার নেই। বরং আমাদের উচিত বর্তমান সমস্যার মূল কারণের উপর নজর দেওয়া। ভুলে গেলে চলবে না, উত্তর কোরিয়া ক্রমাগত পারমাণবিক আক্রমণের হুমকি দিচ্ছে। সমগ্র এশিয়া মহাদেশের স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষার জন্য ব্রিটেনের উচিত ভারতের হাত শক্ত করা। ` ভারতের সঙ্গে ব্রিটেনের বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক সুদৃঢ় করার পক্ষেও সওয়াল করেছেন বরিস জনসন।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের স্ত্রী মারিনার মা পঞ্জাবি। সেই কারণে ওই দেশের প্রবাসী ভারতীয়দের কাছে বিদেশমন্ত্রী `ভারতের জামাই` হিসেবেই পরিচিত। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইন্ডিয়ান জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট আশিস রায়, লেবার পার্টির প্রতিনিধি এমরি স্টিফেন পাউন্ড এবং ব্রিটেনে ভারতের দূত ওয়াই কে সিনহা।