ঢাকা ০৬:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিকল্প নেই: আলী রীয়াজ রাজধানীর ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার পরের সরকারের জন্য অর্থনীতিতে ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ রয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা যারা নারী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হোক চায় না,তাদের পক্ষে এ দেশের নারী সমাজ থাকতে পারে না. : সালাহউদ্দিন কর্মজীবী নারীদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের মন্তব্য কলঙ্কজনক: তারেক রহমান ২-০ গোলে ভারতকে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশ তফশিল ঘোষণার ৩৬ দিনের মধ্যে দলীয় ১৫ নেতাকর্মী নিহত: টিআইবি বিএনপি সরকার গঠন করলে প্রথম দায়িত্ব দেশ পুনর্গঠন করা: তারেক রহমান নোয়াখালীতে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ পূর্বাচলে প্লট দুর্নীতি, দুই মামলায় শেখ হাসিনার ১০, টিউলিপের ৪ বছরের কারাদণ্ড

কাদেরের উদ্যোগেই মুক্তি পেলেন তার ছবি বিকৃতকারী রুমি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার মানবাধিকারকর্মী রুমি আক্তার (৪০) জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মুমিনুন্নিছা খানম পুলিশের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে (রুমি) জামিনের আদেশ দেন।

এর আগে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ আদালতে রুমির বিরুদ্ধে করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

রুমি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ঝিনাইগাতী শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক। তিনি উপজেলার ভালুকা গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন সরকারের মেয়ে।

শেরপুর কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুর রহমান তরফদার যুগান্তরকে বলেন, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মজিবর রহমান সোমবার রাতে রুমির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, রুমি আক্তার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করে তার ফেসবুকে পোস্ট দেন। এতে মন্ত্রীর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং বাদীসহ অন্যরা মর্মাহত হয়েছেন।

আমিনুর রহমান তরফদার আরও জানান, গত সোমবার রাতে ঝিনাইগাতী পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। পর দিন আদালতে হাজির করে তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে পুলিশ। আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে রুমিকে জামিনের আদেশ দেন।

জানা যায়, ওবায়দুল কাদেরের নিজ উদ্যোগে রুমিকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। তিনি পুলিশ সুপার ও মামলার বাদীকে কল দিয়ে তাকে দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে আসার পর দেখলাম, মেয়েটি আমার ছবি বিকৃতি করেনি। অন্য কারো ফেসবুক পেজ থেকে সে শুধুমাত্র শেয়ার করেছে। সে কারণে আমি পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছি। মেয়েটিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে বলেছি। পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ায় আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য। কোনো নিরপরাধ লোক এ আইনে শাস্তি পাবে না। অপরাধী যে তার উপযুক্ত শাস্তি হবেই। কেউ যেন এই আইনের অপপ্রয়োগ করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে সবাইকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিকল্প নেই: আলী রীয়াজ

কাদেরের উদ্যোগেই মুক্তি পেলেন তার ছবি বিকৃতকারী রুমি

আপডেট সময় ০৪:২১:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার মানবাধিকারকর্মী রুমি আক্তার (৪০) জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মুমিনুন্নিছা খানম পুলিশের রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে (রুমি) জামিনের আদেশ দেন।

এর আগে ঝিনাইগাতী থানার পুলিশ আদালতে রুমির বিরুদ্ধে করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়।

রুমি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ঝিনাইগাতী শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক। তিনি উপজেলার ভালুকা গ্রামের মৃত খবির উদ্দিন সরকারের মেয়ে।

শেরপুর কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুর রহমান তরফদার যুগান্তরকে বলেন, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মজিবর রহমান সোমবার রাতে রুমির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, রুমি আক্তার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করে তার ফেসবুকে পোস্ট দেন। এতে মন্ত্রীর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে এবং বাদীসহ অন্যরা মর্মাহত হয়েছেন।

আমিনুর রহমান তরফদার আরও জানান, গত সোমবার রাতে ঝিনাইগাতী পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। পর দিন আদালতে হাজির করে তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে পুলিশ। আদালত রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর করে রুমিকে জামিনের আদেশ দেন।

জানা যায়, ওবায়দুল কাদেরের নিজ উদ্যোগে রুমিকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। তিনি পুলিশ সুপার ও মামলার বাদীকে কল দিয়ে তাকে দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিষয়টি আমার নজরে আসার পর দেখলাম, মেয়েটি আমার ছবি বিকৃতি করেনি। অন্য কারো ফেসবুক পেজ থেকে সে শুধুমাত্র শেয়ার করেছে। সে কারণে আমি পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছি। মেয়েটিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে বলেছি। পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ায় আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য। কোনো নিরপরাধ লোক এ আইনে শাস্তি পাবে না। অপরাধী যে তার উপযুক্ত শাস্তি হবেই। কেউ যেন এই আইনের অপপ্রয়োগ করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে সবাইকে।