অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
শরীয়তপুর পৌর এলাকায় অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে দুটি বাড়িতে ডাকাতি সংঘটিত হয়েছে। এ সময় ডাকাত দল নগদ ও স্বর্ণালঙ্কারসহ ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে। এ সময় ডাকাতের পিটুনিতে দুজন আহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার গভীর রাতে শরীয়তপুর সদর পৌরসভার বাঘিয়া গ্রামের সোবহান হাওলাদার ও ওয়াশিম হাওলাদারের বাড়িতে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ইউনুস ও পালং মডেল থানাসূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ১৫-২০ জনের একদল সশস্ত্র মুখোশধারী ডাকাত দল প্রথমে ঘরের তালা ও দরজা ভেঙে বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে।
ঘরের লোকজনদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও চোখ বেঁধে ফেলে। এর পর তারা ঘরের আলমারি ভেঙে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ জামা কাপড় ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় ওয়াশিম হাওলাদারকে পিটিয়ে মারাত্মক আহত করে।
একই রাতে পার্শ্ববর্তী কুড়াশি এলাকায় মালেক ছৈয়ালের ঘরের দরজা ভেঙে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। এর পর অস্ত্রের মুখে ঘরের লোকজনের হাত-পা বেঁধে আলমারি ভেঙে ৬০ হাজার টাকা, সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ ঘরের অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় জিহান নামে এক নারীকে মারপিট করে আহত করে।
কুড়াশি গ্রামের আ. মালেক ছৈয়াল বলেন, রাত ৩টার দিকে ১৫-২০ জন মুখোশধারী ডাকাত আমার ঘরের দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকে সবাইকে হাত-পা বেঁধে অস্ত্রের মুখে সাত ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও ৬০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। এ সময় পিটিয়ে একজনকে আহত করে। আমরা আতঙ্কে আছি।
বাঘিয়া গ্রামের ওয়াশিম হাওলাদার বলেন, ১৫-২০ জন ডাকাত আমাদের বাড়িতে এসে তালা ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সবাইকে হাত-পা ও চোখ বেঁধে দুটি ঘর থেকে ৪০ হাজার টাকা ও ১১ ভরি স্বর্ণালঙ্কার ও কাপড়-চোপড়সহ অন্যান্য মালামাল নিয়ে যায়। এ সময় আমাকে পিটিয়ে আহত করে।
পালং মডেল থানার ওসি মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ডাকাতির কথা শুনে রাতে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। তদন্ত করে দেখি কি করা যায়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























