ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

তারেকরসহ যাবজ্জীবন দণ্ড যাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে আরও ১৮ জনের। এদের মধ্যে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত দুই জন।

সব মিলিয়ে যে ১৯ জনের যাবজ্জীবন দণ্ড হয়েছে তাদের মধ্যে সাত জন কেবল গ্রেপ্তার আছেন। বাকি ১১ জনই পলাতক।

বুধবার দুপুরে ঢাকার এক নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। এই মামলার আসামি ৪৯ জনের সবার সাজা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ছাড়াও ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ডিউকসহ ১১ জন পেয়েছেন নানা মেয়াদের কারাদণ্ড।

এই মামলায় বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কী দণ্ড হয়, তা নিয়ে দৃষ্টি ছিল। তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অসন্তোষ জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ, সরকার এবং আওয়ামী লীগ।

তারেক ছাড়াও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীও পেয়েছেন একই দণ্ড। এরা দুই জনই পলাতক

এ ছাড়া আগে থেকে বন্দি শাহাদৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমায়রা ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম আরিফ পেয়েছেন যাবজ্জীবন দণ্ড।

পলাতকদের মধ্যে একই দণ্ড পেয়েছেন মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, মো. খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য সংশোধনী-২০০২) এর ৩ ও ৬ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার করে অর্থদণ্ড করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

তারেকরসহ যাবজ্জীবন দণ্ড যাদের

আপডেট সময় ০৩:২২:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ছাড়াও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হয়েছে আরও ১৮ জনের। এদের মধ্যে বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত দুই জন।

সব মিলিয়ে যে ১৯ জনের যাবজ্জীবন দণ্ড হয়েছে তাদের মধ্যে সাত জন কেবল গ্রেপ্তার আছেন। বাকি ১১ জনই পলাতক।

বুধবার দুপুরে ঢাকার এক নং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন এই রায় ঘোষণা করেন। এই মামলার আসামি ৪৯ জনের সবার সাজা হয়েছে। এর মধ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ছাড়াও ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড হয়েছে। খালেদা জিয়ার ভাগ্নে সাবেক সেনা কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম ডিউকসহ ১১ জন পেয়েছেন নানা মেয়াদের কারাদণ্ড।

এই মামলায় বিএনপি নেতা তারেক রহমানের কী দণ্ড হয়, তা নিয়ে দৃষ্টি ছিল। তার যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অসন্তোষ জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ, সরকার এবং আওয়ামী লীগ।

তারেক ছাড়াও সাবেক সংসদ সদস্য কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ এবং প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীও পেয়েছেন একই দণ্ড। এরা দুই জনই পলাতক

এ ছাড়া আগে থেকে বন্দি শাহাদৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ ওরফে আবু ওমর আবু হোমায়রা ওরফে পীর সাহেব, মাওলানা সাব্বির আহমেদ ওরফে আবদুল হান্নান সাব্বির, আরিফ হাসান ওরফে সুমন ওরফে ওরফে আবদুর রাজ্জাক, হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম হাওলাদার, আরিফুল ইসলাম আরিফ পেয়েছেন যাবজ্জীবন দণ্ড।

পলাতকদের মধ্যে একই দণ্ড পেয়েছেন মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, মো. খলিল, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল আহমেদ বাবু ওরফে রাতুল বাবু।

দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে গ্রেনেড নিক্ষেপ ও বিস্ফোরণ ঘটিয়ে অপরাধে সহায়তা করে হত্যার অভিযোগে ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য সংশোধনী-২০০২) এর ৩ ও ৬ ধারায় যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ৫০ হাজার করে অর্থদণ্ড করা হয়।