অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম পর্বে কট্টর ডানপন্থী প্রার্থী জাইর বোলসোনারো জয় পেয়েছেন। রোববার নির্বাচনের প্রথম পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হয়। প্রেসিডেন্ট হতে হলে কমপক্ষে ৫০ শতাংশ ভোট প্রয়োজন।
কিন্তু বলসোনারো তা নিশ্চিত করতে পারেননি। ফলে এখন দ্বিতীয় পর্বের ভোট অনুষ্ঠিত হবে। ভোটে বলসোনারো ৪৬ শতাংশ ও তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বামপন্থী প্রার্থী ফার্নান্দো হাদ্দাদ ২৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন। খবর বিবিসির।
খবরে বলা হয়, সরাসরি জয়ী হওয়ার জন্য ৫০ শতাংশ ভোট পাননি বলসোনারো। ফলে ২৮ অক্টোবর দ্বিতীয় পর্বের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বামপন্থী প্রার্থী ফার্নান্দো হাদ্দাদের বিপক্ষেই লড়তে হবে তাকে। দ্বিতীয় পর্বে এগিয়ে থাকা দুই প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে বলে নির্বাচন-পূর্ব জরিপগুলোয় আভাস পাওয়া গেছে।
ভোটের ফলের পর বোলসোনারোর দাবি, ব্রাজিলে ব্যবহৃত ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে ‘সমস্যা’ না থাকলে তিনি নিশ্চিতভাবেই সরাসরি জিততেন। তিনি বলেন, ‘আমি নিশ্চিত, যদি এমনটা না হতো, আমরা আজ রাতেই এই প্রজাতন্ত্রের প্রেসিডেন্টের নাম জেনে যেতাম।’ তবে আসলে কী সমস্যা, স্পষ্ট করে বলেননি বোলসোনারো।
বোলসোনারো সমস্যার কথা বললেও ভোট গ্রহণ কোনো জটিলতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে দাবি করেছে ব্রাজিলের নির্বাচন কমিশন। নির্বাচনী প্রতিশ্র“তিতে ঐতিহ্যগত পারিবারিক মূল্যবোধগুলো রক্ষার প্রতিশ্র“তি দিয়ে বহু ইভানজেলিক্যাল খ্রিস্টানের মন জয় করে নিয়েছিলেন প্রার্থী বোলসোনারো।
পাশাপাশি আইন ও এর প্রয়োগের বিষয়ে তার অবস্থানের কারণে বহু ভোটারের মনে এ ধারণা তৈরি হয়েছে যে তিনি ব্রাজিলকে নিরাপদ করে তুলতে পারবেন। ফলে তাদের সমর্থনও পেয়েছেন তিনি। এ কারণে তাকে ‘ব্রাজিলের ডোনাল্ড ট্রাম্প’ বলা হচ্ছে। নির্বাচনী প্রচারণায় বন্দুকের মালিকানার আইন শিথিল করা ও মৃত্যুদণ্ড ফিরিয়ে আনার ব্যাপারেও কথা বলেছেন তিনি।
অপরদিকে বোলসোনারোর পদ্ধতি ও ‘বাগাড়ম্বরের’ বিরোধিতাকারীদের কাছে নিজেকে একজন বিশ্বাসী প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরেছেন হাদ্দাদ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
















