অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
সরকার রাজি হলে ‘আন্দোলন’ ছাড়াও ‘সমঝোতার’ মাধ্যমে নির্বাচন হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান।
মঙ্গলবার দুপুরে এক আলোচনা সভায় এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, যারাই আমরা রাজনীতি করি সবাই আমরা দেশকে ভালোবাসি, দেশের কল্যাণ, শান্তি ও সমৃদ্ধি চাই। জনগণ আমাদেরকে শ্রদ্ধা করুক, সম্মান করুক, ভয় না পায়-সে রকম একটা রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য আসুন আলোচনায় বসি, কথা বলি এবং কথা বলে একটা সর্বসম্মত সমঝোতার মাধ্যমে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন করি। সেই নির্বাচনে যদি জনগণ আওয়ামী লীগকে ভোট দেয় তাহলে তারাই সরকার গঠন করবে, আর যদি জনগণ প্রত্যাখ্যান করে তাদের তা মেনে নিতে হবে। অপেক্ষা করতে হবে পরের নির্বাচনের জন্য।
ক্ষমতাসীনদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা মন্ত্রী থেকে নির্বাচন করবেন, এমপি থেকে নির্বাচন করবেন আর অন্যদের সাধারণ মানুষ হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে হবে-এটা কী লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড হলো? অথচ প্রধানমন্ত্রী ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নির্বাচন করার জন্য তিনি আগ্রহী। কোথায় হচ্ছে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড?
জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে ‘ভোটাধিকার, ন্যায়বিচার, বাকস্বাধীনতা ও খালেদা জিয়ার মুক্তির’ দাবিতে এই আলোচনা সভা হয়।
সংগঠনের সভাপতি গিয়াসউদ্দিন খোকনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলু, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, তথ্য ও গবেষণাবিষয়ক সহসম্পাদক কাদের গনি চৌধুরী, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য টিএস আইয়ুব প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
নজরুল বলেন, ১৯৯৬ সালে শুধু মন্ত্রিসভা বাতিল না, সংসদও বাতিল এবং নির্দলীয় সরকার গঠন করা আপনাদের কাছে যুক্তিসংগত মনে হয়েছে। এখন আমরা যখন বলছি মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করবে, সংসদ বাতিল করেন, নির্দলীয় লোক দিয়ে সরকার গঠন করেন- এটা এখন অযৌক্তিক, অবাস্তব ও অসাংবিধানিক মনে হয় আপনাদের কাছে।
পবিত্র সংবিধান সংশোধনের সুযোগ নেই-ওবায়দুল কাদেরের এমন মন্তব্যের জবাবে নজরুল ইসলাম খান বলেন, সংবিধানের প্রতি এত শ্রদ্ধাশীল যখন তাহলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিধান বাতিলের সময় এই শ্রদ্ধা কোথায় ছিল। সেনাবাহিনী মোতায়েন করলে আওয়ামী লীগ ভোট ডাকাতি করতে পারবে না বলেই এর বিরোধিতা করছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















