ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বিধবাকে ধর্ষণের চেষ্টা, চেয়ারম্যানকে গণধোলাই

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনি খেয়েছেন নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক আজাদ। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বারহাট্টা কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন ও বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। এ ঘটনার পর ওই বিধবা নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ওই নারী জানান, সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে চেয়ারম্যান মানিক আজাদ ফোন করে তার বাসায় যান। পরে ঘরে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানকে ধরে গণপিটুনি দেন। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান মানিক আজাদ সেখান থেকে পালিয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন জানান, ওই নারীর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল জানান, এ ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাত একটার দিকে একটি মামলা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এ জাতিকে কখনো বিভাজন করা সম্ভব নয় : রিজভী

বিধবাকে ধর্ষণের চেষ্টা, চেয়ারম্যানকে গণধোলাই

আপডেট সময় ০১:৫৯:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

এক নারীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে গণপিটুনি খেয়েছেন নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মানিক আজাদ। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বারহাট্টা কলেজ সংলগ্ন একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন ও বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল আলম খান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনেন। এ ঘটনার পর ওই বিধবা নারীকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।

পুলিশ হেফাজতে থাকা ওই নারী জানান, সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে চেয়ারম্যান মানিক আজাদ ফোন করে তার বাসায় যান। পরে ঘরে তাকে একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা করেন।

এসময় তার চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে গিয়ে উপজেলা চেয়ারম্যানকে ধরে গণপিটুনি দেন। একপর্যায়ে চেয়ারম্যান মানিক আজাদ সেখান থেকে পালিয়ে যান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদা ইয়াসমিন জানান, ওই নারীর নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে তাকে পুলিশ হেফাজতে দেয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বারহাট্টা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বদরুল জানান, এ ঘটনায় প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে। এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রাত একটার দিকে একটি মামলা হয়েছে।