ঢাকা ০৯:৩৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘জব্দ হওয়া চাল-আটা ওএমএসের নয়’

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি গুদাম থেকে যে চাল ও আটা জব্দ হয়েছিল তা ওএমএসের নয় বলে দাবি করেছে ওএমএস ডিলারদের সংগঠন ওএমএস ডিলার অ্যাসোসিয়েশন। তাদের দাবি জব্দ হওয়া ওই চাল ও আটা বিভিন্ন বাহিনীর রেশনের জন্য নির্ধারিত খাদ্যপণ্য।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর ওএমএস ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) সংবাদ সম্মেলন করে এমন বক্তব্য তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সদস্যসচিব হারুন অর রশিদ বলেন, ‘কালোবাজারে বিক্রির জন্য গুদাম থেকে বের করার সময় জব্দ করা ওই খাদ্যপণ্যের সঙ্গে ডিলারদের জড়িয়ে তাদের সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে; যা ঠিক না। ওএমএসে প্রত্যেক ডিলারের জন্য প্রতিদিনের বরাদ্দ থাকে এক টন চাল ও দুই টন আটা। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টায় সিএসডি থেকে তুলে ওই পণ্য বিকাল ৫টার মধ্যে বিক্রি করতে হয়। অবিক্রিত মালামাল তাদারকি কর্মকর্তা ‘ব্যালেন্স’ হিসেবে দেখিয়ে ডিলারের জিম্মায় দিয়ে দেন। পরদিন ডিলার নিজের খরচে নির্দিষ্ট বিক্রয় কেন্দ্রে তা বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। অবিক্রিত মালামাল সিএসডিতে ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো সু্যোগ নেই।’

গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও সরকারি খাদ্যগুদাম, কারওয়ান বাজার, কাকরাইল ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে অভিযান চালিয়ে ২১৫ টন চাল ও আটা জব্দ করে র‌্যাব। ওই অভিযানের সময় উদ্ধার হওয়া বস্তার গায়ে লেখা ছিল ‘সুলভমূল্যে বিক্রির জন্য’। যেটা ওএমএসের বস্তায় লেখা থাকে বলে দাবি করেছিলেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে একটি মামলাও হয়।

র‌্যাব জানিয়েছিল স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের জন্য ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে ১৪১টি ট্রাকে করে ওএমএসের এসব চাল ও আটা বিক্রি করার কথা। তা না করে খাদ্য গুদামের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব কালোবাজারে বিক্রি করে ছিলেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক আলমগীর সৈকত বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যেসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে তা বিভিন্ন বাহিনীর রেশনের মালামাল। অথচ আমাদের পাচারকারী অপবাদ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, আমাদের তিনজন ডিলারের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। তেজগাঁও সিএসডি থেকে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, টিআর, কাবিখা এবং জেলখানার রেশনের মালামালও তোলা হয়। রেশনের বস্তা এবং ওএমএসের বস্তার গায়ে একই রকম লেখা থাকে। সারাদেশে ৮ শতাধিক ডিলার ওএমএসের মালামাল বিক্রির সঙ্গে জড়িত এবং ‘মিথ্যা অপপ্রচারের কারণে’ তারা সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন মন্তব্য করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান হারুন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘জব্দ হওয়া চাল-আটা ওএমএসের নয়’

আপডেট সময় ০৭:৫৩:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

রাজধানীর তেজগাঁও সরকারি গুদাম থেকে যে চাল ও আটা জব্দ হয়েছিল তা ওএমএসের নয় বলে দাবি করেছে ওএমএস ডিলারদের সংগঠন ওএমএস ডিলার অ্যাসোসিয়েশন। তাদের দাবি জব্দ হওয়া ওই চাল ও আটা বিভিন্ন বাহিনীর রেশনের জন্য নির্ধারিত খাদ্যপণ্য।

সোমবার দুপুরে ঢাকা মহানগর ওএমএস ডিলার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনে (ক্র্যাব) সংবাদ সম্মেলন করে এমন বক্তব্য তুলে ধরেন তারা।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সদস্যসচিব হারুন অর রশিদ বলেন, ‘কালোবাজারে বিক্রির জন্য গুদাম থেকে বের করার সময় জব্দ করা ওই খাদ্যপণ্যের সঙ্গে ডিলারদের জড়িয়ে তাদের সামাজিকভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে; যা ঠিক না। ওএমএসে প্রত্যেক ডিলারের জন্য প্রতিদিনের বরাদ্দ থাকে এক টন চাল ও দুই টন আটা। প্রতিদিন সকাল সাড়ে ৯টায় সিএসডি থেকে তুলে ওই পণ্য বিকাল ৫টার মধ্যে বিক্রি করতে হয়। অবিক্রিত মালামাল তাদারকি কর্মকর্তা ‘ব্যালেন্স’ হিসেবে দেখিয়ে ডিলারের জিম্মায় দিয়ে দেন। পরদিন ডিলার নিজের খরচে নির্দিষ্ট বিক্রয় কেন্দ্রে তা বিক্রির জন্য নিয়ে যায়। অবিক্রিত মালামাল সিএসডিতে ফিরিয়ে নেওয়ার কোনো সু্যোগ নেই।’

গত ৯ ও ১০ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও সরকারি খাদ্যগুদাম, কারওয়ান বাজার, কাকরাইল ও মোহাম্মদপুর কৃষি মার্কেটে অভিযান চালিয়ে ২১৫ টন চাল ও আটা জব্দ করে র‌্যাব। ওই অভিযানের সময় উদ্ধার হওয়া বস্তার গায়ে লেখা ছিল ‘সুলভমূল্যে বিক্রির জন্য’। যেটা ওএমএসের বস্তায় লেখা থাকে বলে দাবি করেছিলেন র‌্যাব কর্মকর্তারা। এ ব্যাপারে একটি মামলাও হয়।

র‌্যাব জানিয়েছিল স্বল্প আয়ের সাধারণ মানুষের জন্য ঢাকার বিভিন্ন অঞ্চলে ১৪১টি ট্রাকে করে ওএমএসের এসব চাল ও আটা বিক্রি করার কথা। তা না করে খাদ্য গুদামের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এসব কালোবাজারে বিক্রি করে ছিলেন।

সংগঠনের আহ্বায়ক আলমগীর সৈকত বলেন, ‘আমরা জানতে পেরেছি যেসব মালামাল জব্দ করা হয়েছে তা বিভিন্ন বাহিনীর রেশনের মালামাল। অথচ আমাদের পাচারকারী অপবাদ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, আমাদের তিনজন ডিলারের বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। তেজগাঁও সিএসডি থেকে সশস্ত্র বাহিনী, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, টিআর, কাবিখা এবং জেলখানার রেশনের মালামালও তোলা হয়। রেশনের বস্তা এবং ওএমএসের বস্তার গায়ে একই রকম লেখা থাকে। সারাদেশে ৮ শতাধিক ডিলার ওএমএসের মালামাল বিক্রির সঙ্গে জড়িত এবং ‘মিথ্যা অপপ্রচারের কারণে’ তারা সমাজে হেয় প্রতিপন্ন হচ্ছেন মন্তব্য করে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান হারুন।’