ঢাকা ০৮:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’ নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করার অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমনের নির্দেশ স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার নারীবিদ্বেষী রাজনীতির বিরুদ্ধে জনগণ ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে : নিপুণ রায় বিমানের এমডি ও তাঁর স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার ৪ পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনের কঠোর প্রয়োগ হওয়া দরকার: প্রেস সচিব চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসমুক্ত সমাজ গঠনে কাজ করছি : আমিনুল হক ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলুপ্ত করতে গণভোটে ‘হ্যাঁ’র বিকল্প নেই: আলী রীয়াজ রাজধানীর ভোটকেন্দ্রে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিতের নির্দেশ দিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার নির্বাচনে বিএনপিকে জনগণ লাল কার্ড দেখাবে: জামায়াত আমির পরের সরকারের জন্য অর্থনীতিতে ‘বড় চ্যালেঞ্জ’ রয়েছে: অর্থ উপদেষ্টা

বিএনপির পছন্দের তালিকায় যোগ হলো অ্যাপোলো

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এতদিন বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে চিকিৎসা করানোর দাবি জানিয়ে এসেছে বিএনপি। তবে এবার তারা আরেক বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাপোলোতে চিকিৎসার অনুমতি দেয়ার অনুরোধ করেছে।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করে বিএনপি নেতারা এই অনুরোধ করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

বেলা দুইটার পর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির সাত জন নেতা সচিবালয়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে পছন্দ হিসেবে দুটি হাসপাতালের নাম বলেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধদল আমাদের কাছে এসেছিলেন। তারা তাদের দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি লিখিত বক্তব্য আমাকে দিয়েছেন। তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বেশকিছু অনুরোধ করেছেন। তারা বলেছেন এখন বেশ অসুস্থ্য এবং এর মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।’

‘তার চিকিৎসার জন্য এর আগে আবেদন করা ইউনাইটেড হাসাপাতালের পাশাপাশি নতুন করে আজ অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তির আবেদন করেছন।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বন্দী হওয়ার পর ২৮ মার্চ থেকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার তথ্য আসে। ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে।

এরপর জুনে আবার দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসাপাতালে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয় বিএনপি নেত্রীকে। কিন্তু ইউনাইটেড ছাড়া আর কোথাও যাবেন না বলে জানিয়ে দেন খালেদা জিয়া।

এরপর খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যেতে প্রস্তাব দেয় সরকার। কিন্তু সেটাও অগ্রাহ্য করেন তিনি। বিএনপি দাবি করে, তাদের নেত্রী যেসব রোগে আক্রান্ত, সেটির চিকিৎসা কেবল ইউনাইটেডেই সম্ভব।

এর মধ্যে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে আটকে যাওয়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে কারাগারেই বসানো হয় আদালত। আর এরপর বিএনপি নেতারা আবার তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চেয়ে রিটও করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে গত এপ্রিলেও বিএনপি নেতারা গিয়েছিলেন। তখনও ইউনাইটেডে নেয়ার অনুমতি চান তারা। কিন্তু সে অনুমতি মেলেনি। আজও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া ফিরেছেন বিএনপি নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কারাবিধি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই কথা গত এপ্রিলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এ আর রহমানকে অতিথি করায় বিজেপি নেতার তোপের মুখে কপিল শর্মা

বিএনপির পছন্দের তালিকায় যোগ হলো অ্যাপোলো

আপডেট সময় ০৬:০৫:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

দলীয় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে এতদিন বেসরকারি হাসপাতাল ইউনাইটেডে চিকিৎসা করানোর দাবি জানিয়ে এসেছে বিএনপি। তবে এবার তারা আরেক বেসরকারি হাসপাতাল অ্যাপোলোতে চিকিৎসার অনুমতি দেয়ার অনুরোধ করেছে।

রবিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের সঙ্গে দেখা করে বিএনপি নেতারা এই অনুরোধ করেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেরকে মন্ত্রী এই তথ্য জানান।

বেলা দুইটার পর মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে বিএনপির সাত জন নেতা সচিবালয়ে যান। প্রায় এক ঘণ্টার বৈঠকে পছন্দ হিসেবে দুটি হাসপাতালের নাম বলেন তারা।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধদল আমাদের কাছে এসেছিলেন। তারা তাদের দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্য বিষয়ে একটি লিখিত বক্তব্য আমাকে দিয়েছেন। তার স্বাস্থ্যের বিষয়ে বেশকিছু অনুরোধ করেছেন। তারা বলেছেন এখন বেশ অসুস্থ্য এবং এর মাত্রা দিন দিন বেড়ে যাচ্ছে।’

‘তার চিকিৎসার জন্য এর আগে আবেদন করা ইউনাইটেড হাসাপাতালের পাশাপাশি নতুন করে আজ অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তির আবেদন করেছন।’

গত ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় বন্দী হওয়ার পর ২৮ মার্চ থেকে খালেদা জিয়ার অসুস্থতার তথ্য আসে। ৭ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে।

এরপর জুনে আবার দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসাপাতালে নেয়ার উদ্যোগ নেয়া হয় বিএনপি নেত্রীকে। কিন্তু ইউনাইটেড ছাড়া আর কোথাও যাবেন না বলে জানিয়ে দেন খালেদা জিয়া।

এরপর খালেদা জিয়াকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে যেতে প্রস্তাব দেয় সরকার। কিন্তু সেটাও অগ্রাহ্য করেন তিনি। বিএনপি দাবি করে, তাদের নেত্রী যেসব রোগে আক্রান্ত, সেটির চিকিৎসা কেবল ইউনাইটেডেই সম্ভব।

এর মধ্যে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে আটকে যাওয়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচারে কারাগারেই বসানো হয় আদালত। আর এরপর বিএনপি নেতারা আবার তাদের নেত্রীকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার দাবি জানিয়ে আসছেন। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা চেয়ে রিটও করা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে গত এপ্রিলেও বিএনপি নেতারা গিয়েছিলেন। তখনও ইউনাইটেডে নেয়ার অনুমতি চান তারা। কিন্তু সে অনুমতি মেলেনি। আজও সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিশ্রুতি ছাড়া ফিরেছেন বিএনপি নেতারা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কারাবিধি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলেই সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এই কথা গত এপ্রিলেও জানিয়েছিলেন তিনি।