ঢাকা ০৫:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার গণ-অভ্যুত্থানের নিষ্ঠুরতম খুনিদের বিচার নিশ্চিত করা হবে : তাজুল ইসলাম এক্সপেকটেশন যদি ১০ থাকে, অন্তত চার তো অর্জন করতে পেরেছি : আসিফ নজরুল দাবি আদায় না হলে সারারাত ইসি অবরুদ্ধ রাখবে ছাত্রদল নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা একাত্তরে অর্জিত স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব নতুন করে সুরক্ষিত হয়েছে চব্বিশে: তারেক রহমান গুলশানে একটি ভাড়া বাসা থেকে তরুণীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ওমরাহ পালনে ইচ্ছুকদের জন্য বড় দুঃসংবাদ ৩ ইস্যুতে নির্বাচন কমিশন ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ছাত্রদলের আবারও বিক্ষোভে নামার ডাক রেজা পাহলভির, মেলেনি সাড়া

৬ মাস বয়সে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

আপনার শিশুর বয়স পেরিয়েছে ছয় মাস। এখন তার পুষ্টির জন্য বুকের দুধের পাশাপাশি দিতে হবে বাড়তি খাবার। এ সময় অনেক মা বুঝতে পারেন না শিশুকে কোন ধরনের খাবার খাওয়াবেন?

আবার হঠাৎ করে শিশুরা অন্য খাবার খেতেও চায় না। তাই ধীরে ধীরে অভ্যাস করাতে হবে। তবে কখনোই আশা করা ঠিক নয় যে খাবার মজা হলেই শিশু পুরোটা খেয়ে ফেলবে। শিশুকে জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়।

আসুন জেনে নেই ৬ মাস বয়সে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

শর্করা দিয়ে শুরু :

ছয় মাসের পর থেকে শিশুর প্রথম খাবার অবশ্যই শর্করা দিয়ে শুরু করা উচিত। যেমন নরম ভাত, আলু সেদ্ধ, হজমে সমস্যা না হলে ধীরে ধীরে ফল সেদ্ধ করে দেওয়াটা ভালো। যেমন: আপেল, গাজর, আঙুর, পাকা কলা, পাকা পেঁপে, সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়া, সুজি ইত্যাদি।

নতুন রান্না করা খাবার :

শিশুকে প্রতিদিন নতুন রান্না করা খাবার খাওয়াতে হবে। ফ্রিজে রাখা বা বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না। শিশুর খাবার খাওয়ানোর বাটি, চামচ ও যিনি খাওয়াবেন তাঁর হাত অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।

ছয়-নয় মাস :

ছয়-নয় মাস পর্যন্ত অন্য খাবার দিনে তিনবার খাওয়াতে হবে। শিশুকে নতুন খাবার দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, শরীরের কোথাও র‌্যাশ , বমি বা ঢেকুরের পরিমাণ বেশি হচ্ছে কি না।

৯-১২ মাস :

৯-১২ মাস পর্যন্ত শিশুকে খাবার দিতে হবে পাঁচ থেকে সাতবার। এই সময় সবজির খিচুড়ি দেওয়াটা খুব উপকারী। সবজি, চাল, ডাল, সয়াবিন তেলে সমস্যা না হলে মুরগির ছোট্ট এক টুকরা মাংস, কলিজা খিচুড়িতে মিশিয়ে খাওয়ান। সবজির মধ্যে আলু, মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, গাজর, মূলা, শালগম, পেঁপে খাওয়ানো যেতে পারে।

হজমশক্তি হজমশক্তি ঠিক থাকলে সামান্য ধনেপাতা বা শাক দিয়ে দেখতে পারেন। নতুন খাবারের পদের পরিমাণ অল্প হতে হবে। ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য :

যেসব শিশু মায়ের দুধের পরিবর্তে গরু বা অন্য কোনো দুধ বেশি খায়, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হয় বেশি। এমন অবস্থায় সবজির খিচুড়ি ও পানি খাওয়ানোর পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। আর বুকের দুধ খাওয়ার পরও যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়, সেসব শিশুর মায়েদের পর্যাপ্ত পানি ও শাকসবজি খেতে হবে।

মধু, ডিমের কুসুম :

শিশুকে মধু, ডিমের কুসুমও খাওয়ানো যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত গরমে মধু না দেওয়াই ভালো। মধু দেবেন পরিমাণে খুবই কম। মাসে হয়তো দুই দিন। আধা চা-চামচ। ধীরে ধীরে দিন ডিমের কুসুম। বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাওয়ান।

খেলার ছলে খাওয়ান :

শিশুকে কখনোই জোর করে খাওয়াবেন না। জোর করে খাওয়ার পরিবর্তে তাকে খেলার ছলে খাওয়ান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫০ বছর পর চাঁদের উদ্দেশে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি শুরু

৬ মাস বয়সে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

আপডেট সময় ১২:১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

আপনার শিশুর বয়স পেরিয়েছে ছয় মাস। এখন তার পুষ্টির জন্য বুকের দুধের পাশাপাশি দিতে হবে বাড়তি খাবার। এ সময় অনেক মা বুঝতে পারেন না শিশুকে কোন ধরনের খাবার খাওয়াবেন?

আবার হঠাৎ করে শিশুরা অন্য খাবার খেতেও চায় না। তাই ধীরে ধীরে অভ্যাস করাতে হবে। তবে কখনোই আশা করা ঠিক নয় যে খাবার মজা হলেই শিশু পুরোটা খেয়ে ফেলবে। শিশুকে জোর করে খাওয়ানো উচিত নয়।

আসুন জেনে নেই ৬ মাস বয়সে শিশুকে কী খাওয়াবেন?

শর্করা দিয়ে শুরু :

ছয় মাসের পর থেকে শিশুর প্রথম খাবার অবশ্যই শর্করা দিয়ে শুরু করা উচিত। যেমন নরম ভাত, আলু সেদ্ধ, হজমে সমস্যা না হলে ধীরে ধীরে ফল সেদ্ধ করে দেওয়াটা ভালো। যেমন: আপেল, গাজর, আঙুর, পাকা কলা, পাকা পেঁপে, সেদ্ধ মিষ্টি কুমড়া, সুজি ইত্যাদি।

নতুন রান্না করা খাবার :

শিশুকে প্রতিদিন নতুন রান্না করা খাবার খাওয়াতে হবে। ফ্রিজে রাখা বা বাসি খাবার খাওয়ানো যাবে না। শিশুর খাবার খাওয়ানোর বাটি, চামচ ও যিনি খাওয়াবেন তাঁর হাত অবশ্যই পরিষ্কার থাকতে হবে।

ছয়-নয় মাস :

ছয়-নয় মাস পর্যন্ত অন্য খাবার দিনে তিনবার খাওয়াতে হবে। শিশুকে নতুন খাবার দেওয়ার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখুন, শরীরের কোথাও র‌্যাশ , বমি বা ঢেকুরের পরিমাণ বেশি হচ্ছে কি না।

৯-১২ মাস :

৯-১২ মাস পর্যন্ত শিশুকে খাবার দিতে হবে পাঁচ থেকে সাতবার। এই সময় সবজির খিচুড়ি দেওয়াটা খুব উপকারী। সবজি, চাল, ডাল, সয়াবিন তেলে সমস্যা না হলে মুরগির ছোট্ট এক টুকরা মাংস, কলিজা খিচুড়িতে মিশিয়ে খাওয়ান। সবজির মধ্যে আলু, মিষ্টি কুমড়া, টমেটো, গাজর, মূলা, শালগম, পেঁপে খাওয়ানো যেতে পারে।

হজমশক্তি হজমশক্তি ঠিক থাকলে সামান্য ধনেপাতা বা শাক দিয়ে দেখতে পারেন। নতুন খাবারের পদের পরিমাণ অল্প হতে হবে। ধীরে ধীরে পরিমাণ বাড়াতে হবে।

কোষ্ঠকাঠিন্য :

যেসব শিশু মায়ের দুধের পরিবর্তে গরু বা অন্য কোনো দুধ বেশি খায়, তাদের কোষ্ঠকাঠিন্য হয় বেশি। এমন অবস্থায় সবজির খিচুড়ি ও পানি খাওয়ানোর পরিমাণ বাড়িয়ে দিন। আর বুকের দুধ খাওয়ার পরও যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য বেশি হয়, সেসব শিশুর মায়েদের পর্যাপ্ত পানি ও শাকসবজি খেতে হবে।

মধু, ডিমের কুসুম :

শিশুকে মধু, ডিমের কুসুমও খাওয়ানো যেতে পারে। তবে অতিরিক্ত গরমে মধু না দেওয়াই ভালো। মধু দেবেন পরিমাণে খুবই কম। মাসে হয়তো দুই দিন। আধা চা-চামচ। ধীরে ধীরে দিন ডিমের কুসুম। বাইরের খাবারের পরিবর্তে ঘরে তৈরি খাবার বেশি খাওয়ান।

খেলার ছলে খাওয়ান :

শিশুকে কখনোই জোর করে খাওয়াবেন না। জোর করে খাওয়ার পরিবর্তে তাকে খেলার ছলে খাওয়ান।