ঢাকা ১২:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের আরো প্রমাণ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী হতে সাহায্যে করেছে রাশিয়া। এই প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য রয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের পর পরই রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠলে তদন্ত শুরু করে মার্কিন প্রশাসন।

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন সিনেট কমিটি বলছে, মস্কো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে- এই অভিযোগে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দল একে অপরকে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক তদন্ত পরিচালনা করেন তারা।

ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা ও সিনেট গোয়েন্দা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মার্ক ওয়ার্নার বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক গোয়েন্দা ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা সর্বসম্মতিক্রমে পুনরায় নিশ্চিত করেছেন ইন্টিলিজেন্স কমিউনিটি আসেসমেন্টের পাওয়া তথ্য নির্ভুল ও সন্তুোষজনক।’

ওয়ার্নার বলেন, ‘রাশিয়ার চেষ্টা ব্যাপক ও বাস্তবধর্মী ছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণের বিশ্বাসে ফাটল ধরানো, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে আঘাত করা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সহযোগিতা করা।’

কংগ্রেসনাল তদন্ত ছাড়াও, মার্কিন বিশেষ পরামর্শক ও সাবেক এফবিআই প্রধান রবার্ট মুলার ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার সদস্যদের সঙ্গে মস্কো কর্মকর্তাদের সমন্বয় ছিল কিনা তা তদন্ত করছেন।

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের কার্যালয় থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন বা সিনেটে কমিটির প্রতিবেদনে ট্রাম্পের প্রচার দলের সঙ্গে রুশ সহযোগীদের মিলে কাজ করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

কর্মকর্তারা বলছেন, তবে সিনেট কমিটি এখনো সম্ভাব্য যোগসূত্র পাওয়ার বিষয়ে তদন্ত করছেন। তারা প্রমাণ সংগ্রহ করছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হোগান জিডলে সিনেটের প্রতিবেদন সম্পর্কে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ব্যাপারে একেবারে পরিষ্কার। তিনি একাধিক বার বলেছেন, রাশিয়া মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে থাকতে পারে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মার্কিন নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের প্রমাণ মিলেছে

আপডেট সময় ০৫:৪৭:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ জুলাই ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপের আরো প্রমাণ পেয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার মার্কিন সিনেটের গোয়েন্দা কমিটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী হতে সাহায্যে করেছে রাশিয়া। এই প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি গোয়েন্দা সংস্থার তথ্য রয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

২০১৬ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনের পর পরই রুশ হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠলে তদন্ত শুরু করে মার্কিন প্রশাসন।

ক্ষমতাসীন রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন সিনেট কমিটি বলছে, মস্কো নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করেছে- এই অভিযোগে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দল একে অপরকে পাল্টাপাল্টি আক্রমণের মধ্যে একটি দ্বিপাক্ষিক তদন্ত পরিচালনা করেন তারা।

ডেমোক্র্যাট পার্টির নেতা ও সিনেট গোয়েন্দা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান মার্ক ওয়ার্নার বলেন, ‘ট্রাম্প প্রশাসনের অনেক গোয়েন্দা ও জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা সর্বসম্মতিক্রমে পুনরায় নিশ্চিত করেছেন ইন্টিলিজেন্স কমিউনিটি আসেসমেন্টের পাওয়া তথ্য নির্ভুল ও সন্তুোষজনক।’

ওয়ার্নার বলেন, ‘রাশিয়ার চেষ্টা ব্যাপক ও বাস্তবধর্মী ছিল। তাদের লক্ষ্য ছিল গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে জনগণের বিশ্বাসে ফাটল ধরানো, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনকে আঘাত করা ও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সহযোগিতা করা।’

কংগ্রেসনাল তদন্ত ছাড়াও, মার্কিন বিশেষ পরামর্শক ও সাবেক এফবিআই প্রধান রবার্ট মুলার ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণার সদস্যদের সঙ্গে মস্কো কর্মকর্তাদের সমন্বয় ছিল কিনা তা তদন্ত করছেন।

জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালকের কার্যালয় থেকে ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে প্রকাশিত গোয়েন্দা প্রতিবেদন বা সিনেটে কমিটির প্রতিবেদনে ট্রাম্পের প্রচার দলের সঙ্গে রুশ সহযোগীদের মিলে কাজ করার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

কর্মকর্তারা বলছেন, তবে সিনেট কমিটি এখনো সম্ভাব্য যোগসূত্র পাওয়ার বিষয়ে তদন্ত করছেন। তারা প্রমাণ সংগ্রহ করছেন এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষাৎকার নিচ্ছেন।

মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র হোগান জিডলে সিনেটের প্রতিবেদন সম্পর্কে বলেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এ ব্যাপারে একেবারে পরিষ্কার। তিনি একাধিক বার বলেছেন, রাশিয়া মার্কিন নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করে থাকতে পারে।’