ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল: ইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন নামে একটি দলের নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার কমিশন সভায় এই নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত হয় বলে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সচিব বলেন, আমরা এর আগে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছিলাম। সবাই দিলেও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন সময় মতো কমিশনে তথ্য না দেওয়ায় দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে বারবার কমিশন প্রতিবেদন চেয়েছে; তারা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন দেয়ার ১৫ দিন সময়ও বাড়ানো হয়েছিল কিন্তু তারা দেয়নি। এর ফলে তারা নিবন্ধন শর্তও পালন করেনি। তাই কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করেছে।

প্রসঙ্গত, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ৮ অক্টোবর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’ এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে ২০০৯ সালের ২৪ মে কাজী ফারুককে প্রশিকার চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। এরপর দলটি কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ে।

এবার ইসি তাদের দলের নিবন্ধনও বাতিল করলো। ২৯ নম্বর নিবন্ধিত দল ছিল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন। ২০০৮ সাল থেকে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর এ নিয়ে ফ্রিডম পার্টি, জামায়াতে ইসলাম ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করল ইসি। বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৩৯টি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল: ইসি

আপডেট সময় ০৫:২১:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন নামে একটি দলের নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার কমিশন সভায় এই নিবন্ধন বাতিলের সিদ্ধান্ত হয় বলে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন ইসি সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

সচিব বলেন, আমরা এর আগে ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের কাছে কিছু তথ্য চেয়েছিলাম। সবাই দিলেও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন সময় মতো কমিশনে তথ্য না দেওয়ায় দলটির নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে বারবার কমিশন প্রতিবেদন চেয়েছে; তারা তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের প্রতিবেদন দেয়ার ১৫ দিন সময়ও বাড়ানো হয়েছিল কিন্তু তারা দেয়নি। এর ফলে তারা নিবন্ধন শর্তও পালন করেনি। তাই কমিশন দলটির নিবন্ধন বাতিল ঘোষণা করেছে।

প্রসঙ্গত, বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ৮ অক্টোবর বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা প্রশিকার তৎকালীন চেয়ারম্যান কাজী ফারুক আহমেদের নেতৃত্বে ‘ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন’ এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।

অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে ২০০৯ সালের ২৪ মে কাজী ফারুককে প্রশিকার চেয়ারম্যান পদ থেকে অপসারণ করে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ। এরপর দলটি কার্যক্রম মুখ থুবড়ে পড়ে।

এবার ইসি তাদের দলের নিবন্ধনও বাতিল করলো। ২৯ নম্বর নিবন্ধিত দল ছিল ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলন। ২০০৮ সাল থেকে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর এ নিয়ে ফ্রিডম পার্টি, জামায়াতে ইসলাম ও ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের নিবন্ধন বাতিল করল ইসি। বর্তমানে ইসিতে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা ৩৯টি।