ঢাকা ১০:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চিরাচারিত অভ্যাসে না পড়েই বাজেটের সমালোচনায় বিএনপি: তোফায়েল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘গতকাল মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী যে বাজেট ঘোষণা করেছেন তা অত্যন্ত চমৎকার। এই বাজেট সব মহলে প্রসংশিত হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্নস্তরের মানুষ এই বাজেটের সুফল ভোগ করবে। আমরা বাস্তবসম্মত একটি বাজেট দিয়েছি। কিন্তু বিএনপি বাজেট না পড়েই এর সমালোচনা করছে। এটা তাদের চিরাচারিত অভ্যাস, তারা ভালোকে ভালো বলতে পারে না।’

শুক্রবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া, বাপ্তা ও কাচিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এই বাজেটকে উন্নয়নমূলক ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, ‘এই বাজেটের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। নদীভাঙন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কার্যকলাপকে এ বাজেটের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমাদের যে টার্গেট ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের সীমা তিন শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এ বাজেটের মাধ্যমে আমরা সে টার্গেটে পৌঁছতে পারবো। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাকে সামনে রেখে আমরা এ বাজেট দিয়েছি। আমাদের প্রতিটি বাজেটেই জনবান্ধব ও গণমুখী। প্রতিটি বাজেটের বেনিফিট সাধারণ মানুষ পায়। আর এবারের বাজেটে আরও বেশি উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের প্রয়োজনেই আগামী নির্বাচনে অংগ্রহণ করবে। কারণ তারা ২০১৪ সালে নির্বাচনে না করে যে ভুল করেছে সে ভুল এবার করবে বলে আমি মনে করি না। তারা তাদের অস্তিত্ব রক্ষা করার জন্যই আগামী নির্বাচনে আসবে। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করে দেশ স্বাধীন করেছে। সে দিন যারা বলেছে ‘ভোটের বাক্সে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’ সেসব দলের আজ কোনো অস্তিত্ব নেই। নির্বাচনে না এলে তাদের মতোই অবস্থা হবে বিএনপির।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করেছিল। তারা পুলিশ হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে সফল হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে আমরা নির্বাচন করতে সক্ষম হয়েছি। এর আগে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তারা দেশের মানুষের জন্য কিছুই করেনি। তারা তাদের ভাগ্য গড়েছে। এমনকি বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালে গ্রামগঞ্জেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত নয় বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।’

এ সময় আরও বক্তব্য দেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সহধর্মীনি বেগম আনোয়ারা আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়রাম্যান আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লবসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া, কাচিয়া, বাপ্তা, পশ্চিম ইলিশা, পূর্ব ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্রদের মাঝে দশ হাজার শাড়ি ও তিন হাজার লুঙ্গি বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চিরাচারিত অভ্যাসে না পড়েই বাজেটের সমালোচনায় বিএনপি: তোফায়েল

আপডেট সময় ০৪:২৫:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ও বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘গতকাল মহান জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী যে বাজেট ঘোষণা করেছেন তা অত্যন্ত চমৎকার। এই বাজেট সব মহলে প্রসংশিত হয়েছে। ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে নিম্নস্তরের মানুষ এই বাজেটের সুফল ভোগ করবে। আমরা বাস্তবসম্মত একটি বাজেট দিয়েছি। কিন্তু বিএনপি বাজেট না পড়েই এর সমালোচনা করছে। এটা তাদের চিরাচারিত অভ্যাস, তারা ভালোকে ভালো বলতে পারে না।’

শুক্রবার দুপুরে ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া, বাপ্তা ও কাচিয়া ইউনিয়নসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে অসহায় দরিদ্রদের মাঝে ঈদবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

এই বাজেটকে উন্নয়নমূলক ঘোষণা করে মন্ত্রী বলেন, ‘এই বাজেটের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। নদীভাঙন থেকে শুরু করে বিভিন্ন কার্যকলাপকে এ বাজেটের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আমাদের যে টার্গেট ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের সীমা তিন শতাংশের নিচে নামিয়ে আনা এ বাজেটের মাধ্যমে আমরা সে টার্গেটে পৌঁছতে পারবো। সপ্তম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাকে সামনে রেখে আমরা এ বাজেট দিয়েছি। আমাদের প্রতিটি বাজেটেই জনবান্ধব ও গণমুখী। প্রতিটি বাজেটের বেনিফিট সাধারণ মানুষ পায়। আর এবারের বাজেটে আরও বেশি উপকৃত হবে সাধারণ মানুষ।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি নিজেদের প্রয়োজনেই আগামী নির্বাচনে অংগ্রহণ করবে। কারণ তারা ২০১৪ সালে নির্বাচনে না করে যে ভুল করেছে সে ভুল এবার করবে বলে আমি মনে করি না। তারা তাদের অস্তিত্ব রক্ষা করার জন্যই আগামী নির্বাচনে আসবে। ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগ নির্বাচন করে দেশ স্বাধীন করেছে। সে দিন যারা বলেছে ‘ভোটের বাক্সে লাথি মারো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’ সেসব দলের আজ কোনো অস্তিত্ব নেই। নির্বাচনে না এলে তাদের মতোই অবস্থা হবে বিএনপির।’

আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘বিএনপি ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করে তারা নির্বাচন বানচাল করার চেষ্টা করেছিল। তারা পুলিশ হত্যা, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট করে সফল হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বে আমরা নির্বাচন করতে সক্ষম হয়েছি। এর আগে বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তারা দেশের মানুষের জন্য কিছুই করেনি। তারা তাদের ভাগ্য গড়েছে। এমনকি বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালে গ্রামগঞ্জেও কোনো উন্নয়ন হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে গত নয় বছরে বাংলাদেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে।’

এ সময় আরও বক্তব্য দেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সহধর্মীনি বেগম আনোয়ারা আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়রাম্যান আবদুল মমিন টুলু, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মইনুল হোসেন বিপ্লবসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে দিনব্যাপী ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া, কাচিয়া, বাপ্তা, পশ্চিম ইলিশা, পূর্ব ইলিশা ও রাজাপুর ইউনিয়নের অসহায় দরিদ্রদের মাঝে দশ হাজার শাড়ি ও তিন হাজার লুঙ্গি বিতরণ করেন।