ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মার্কিন বাহিনীকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে: সিরিয়া

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ায় মার্কিন উপস্থিতি অবৈধ আখ্যায়িত করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল মুয়ালেম বলেন, মার্কিন বাহিনীকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে। এ সময়ে ইরানি বাহিনীর উপস্থিতি বৈধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত আল তানফ সামরিকঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার নিয়েও তিনি কথা বলেন।-খবর স্পুটনিকের।

এ সময়ে তিনি দেশিটতে ইরানিঘাঁটি ও বাহিনী উপস্থিতির কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, সিরিয়ার ভূখণ্ডের সামরিকভাবে ইরানি বাহিনী উপস্থিত নেই। এসব ইসরাইলের বানানো কাহিনী।

তিনি বলেন, ইরানি বাহিনীর উপস্থিতি বৈধ। সিরিয়ার সরকারের অনুরোধেই তারা এখানে অবস্থান করছেন। তাদের উপস্থিতি মার্কিন বাহিনীর মতো অবৈধ না।

গত মে মাসে আস্তানায় শান্তি আলোচনায় সিরীয় সরকারের প্রতিনিধিদের প্রধান বাসার জাফরি আল তানফ সামরিকঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতিকে নিছকই আগ্রাসন ও দখলদারিত্ব বলে মন্তব্য করেন।

২০১৪ সাল থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট সিরিয়ার সরকারের অনুমোদন ছাড়াই সেখানে আইএসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। দামেস্কে এসব হামলাকে তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মার্কিন বাহিনীকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে: সিরিয়া

আপডেট সময় ০২:৩১:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জুন ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সিরিয়ায় মার্কিন উপস্থিতি অবৈধ আখ্যায়িত করে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ আল মুয়ালেম বলেন, মার্কিন বাহিনীকে অবশ্যই এ অঞ্চল ছেড়ে চলে যেতে হবে। এ সময়ে ইরানি বাহিনীর উপস্থিতি বৈধ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শনিবার এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠিত আল তানফ সামরিকঘাঁটি থেকে মার্কিন সেনাদের প্রত্যাহার নিয়েও তিনি কথা বলেন।-খবর স্পুটনিকের।

এ সময়ে তিনি দেশিটতে ইরানিঘাঁটি ও বাহিনী উপস্থিতির কথা উড়িয়ে দিয়ে বলেন, সিরিয়ার ভূখণ্ডের সামরিকভাবে ইরানি বাহিনী উপস্থিত নেই। এসব ইসরাইলের বানানো কাহিনী।

তিনি বলেন, ইরানি বাহিনীর উপস্থিতি বৈধ। সিরিয়ার সরকারের অনুরোধেই তারা এখানে অবস্থান করছেন। তাদের উপস্থিতি মার্কিন বাহিনীর মতো অবৈধ না।

গত মে মাসে আস্তানায় শান্তি আলোচনায় সিরীয় সরকারের প্রতিনিধিদের প্রধান বাসার জাফরি আল তানফ সামরিকঘাঁটিতে মার্কিন বাহিনীর উপস্থিতিকে নিছকই আগ্রাসন ও দখলদারিত্ব বলে মন্তব্য করেন।

২০১৪ সাল থেকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট সিরিয়ার সরকারের অনুমোদন ছাড়াই সেখানে আইএসের বিরুদ্ধে বিমান হামলা চালিয়ে আসছে। দামেস্কে এসব হামলাকে তার সার্বভৌমত্বের লঙ্ঘন হিসেবে দেখছে।