ঢাকা ০৮:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভারতকে কি কি দিয়েছেন জনসম্মুখে প্রকাশ করুন: মোশাররফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভারতকে অনেক দিয়েছেন। ভারতকে যা দিয়েছেন সেটি তারা সারা জীবন মনে রাখবে। বাংলাদেশের জনগণ ভালো করে জানেন না, প্রধানমন্ত্রী ভারতকে কী দিয়েছেন। দয়া করে ভারতকে কি কি দিয়েছেন, তা জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। এটা জনগণ জানতে চায়।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর মুক্তির দাবিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ। মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভারতকে দিতে পারেন কিন্তু নেয়ার ক্ষমতা তার নেই। তিনি দেশের জনগণের বাঁচা-মরার প্রধান সমস্যা তিস্তা পানিসহ অন্যান্য ন্যায্য হিস্যার বিষয়ে কোনো কথাই বলেননি। অথচ তিনি বলেছেন, তিনি ভারতকে শুধু দিয়েই গেছেন। এটা জাতি হিসেবে নিজেদের দুর্ভাগ্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি চৌধুরী আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আক্রমণ করেছেন তা কোনো সরকারপ্রধান করতে পারে না। তার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী যদি তার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের ভিডিও কিংবা অডিও পুনরায় দেখেন তাহলে তিনি নিজেও লজ্জা পাবেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি সরকারই বিলম্বিত করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্টের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অন্যায়ভাবে সরকারই খালেদা জিয়াকে কারাগারে আবদ্ধ রেখেছে। সরকার যদি আবদ্ধ না রাখতেন তাহলে হাইকোর্টে জামিন হওয়ার পরে সরকারপক্ষ থেকে আপিল করল কেন? প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এই আপিল করা সম্ভব নয়।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, দেশের রাজনীতি এখন একটা অন্ধকার টানেলের মধ্যে প্রবেশ করেছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে একটি স্বচ্ছ ও সব দলের অংশগ্রহণের নির্বাচন আদায় করতে হবে। সেই নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পেলেই দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতকে কি কি দিয়েছেন জনসম্মুখে প্রকাশ করুন: মোশাররফ

আপডেট সময় ১০:০৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩১ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন ভারতকে অনেক দিয়েছেন। ভারতকে যা দিয়েছেন সেটি তারা সারা জীবন মনে রাখবে। বাংলাদেশের জনগণ ভালো করে জানেন না, প্রধানমন্ত্রী ভারতকে কী দিয়েছেন। দয়া করে ভারতকে কি কি দিয়েছেন, তা জনসম্মুখে প্রকাশ করুন। এটা জনগণ জানতে চায়।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে স্বাধীনতা ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভা ও ইফতার অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ও দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি শফিউল বারী বাবুর মুক্তির দাবিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক এমাজউদ্দিন আহমদ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ প্রমুখ। মোশাররফ হোসেন বলেন, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ভারতকে দিতে পারেন কিন্তু নেয়ার ক্ষমতা তার নেই। তিনি দেশের জনগণের বাঁচা-মরার প্রধান সমস্যা তিস্তা পানিসহ অন্যান্য ন্যায্য হিস্যার বিষয়ে কোনো কথাই বলেননি। অথচ তিনি বলেছেন, তিনি ভারতকে শুধু দিয়েই গেছেন। এটা জাতি হিসেবে নিজেদের দুর্ভাগ্য।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যে ভাষায় বিকল্প ধারা বাংলাদেশের সভাপতি বি চৌধুরী আর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীকে আক্রমণ করেছেন তা কোনো সরকারপ্রধান করতে পারে না। তার বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রী যদি তার সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্যের ভিডিও কিংবা অডিও পুনরায় দেখেন তাহলে তিনি নিজেও লজ্জা পাবেন।

দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি সরকারই বিলম্বিত করছে বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন, সুপ্রিমকোর্টের ঘাড়ে বন্দুক রেখে অন্যায়ভাবে সরকারই খালেদা জিয়াকে কারাগারে আবদ্ধ রেখেছে। সরকার যদি আবদ্ধ না রাখতেন তাহলে হাইকোর্টে জামিন হওয়ার পরে সরকারপক্ষ থেকে আপিল করল কেন? প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ছাড়া এই আপিল করা সম্ভব নয়।

খন্দকার মোশাররফ বলেন, দেশের রাজনীতি এখন একটা অন্ধকার টানেলের মধ্যে প্রবেশ করেছে। এর থেকে মুক্তি পেতে হলে একটি স্বচ্ছ ও সব দলের অংশগ্রহণের নির্বাচন আদায় করতে হবে। সেই নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা পেলেই দেশের জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন হবে।