ঢাকা ০৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার চাই: বদরুদ্দোজা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সত্যিকারের ভালো জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি করে বিকল্প ধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের পরে, দেশের মানুষকে শান্তি-নিরাপত্তা এবং দেশের অগ্রগতি করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার চাই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

বি. চৌধুরী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সাংঘাতিক যেটা হয়, আমরা ভয়ে আছি। সারা পৃথিবীতে যেটা হয়, নির্বাচনোত্তর যে সহিংসতা হবে, আগুন জ্বলবে, ভোটার-রাজনৈতিক কর্মী-নেতাদের বাড়িতে আগুন জ্বলবে। এটা হতে দেওয়া যাবে না। বন্ধ করতে হবে। সমাধান কী। সমাধান একটা আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

নির্বাচনের পরে সহিংসতা হবে না, আগুন জ্বালানো হবে না, অন্যায় অত্যাচার হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের নিরাপত্তা দিতে পারবো, অগ্রগতি করতে পারবো এবং ঝগড়া বিবাদ কমে যাবে। যদি নির্বাচনের পরে পাঁচ বছরে জন্য একটা জাতীয় সরকার গঠন করা হয়। এ ব্যাপারে আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমি আশা করি সবাই এটা বিবেচনা করবেন।’

‘সত্যিকারের ভালো জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে, আমরা আদায় করবো। যদি দিতে না চান জনগণ এটা আদায় করবে। নির্বাচনের ১০০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তার কারণ সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীরা সরকারি প্রভাব খাটাবে, আর আমরা নির্বাচনের তামাশা দেখবো, এটা জনগণ দেখতে রাজি নয়। ভোটারকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে হবে। এটা আমাদের সামরিক বাহিনী, বিদেশের নয়। তারাও এদেশের নাগরিক, তারাও এদেশের ভোটার। তাদের মা-বোনেরাও ভোটার। তাই তাদেরকে নিশ্চয়ই ব্যবহার করতে হবে। আর মেরুদণ্ডহীন ইসি হলে চলবে না, একটা সাহসি নিরপেক্ষ ইসি আমাদের আনতেই হবে। সেই ব্যবস্থা আমরা করবো।’

খালেদা জিয়ার মামলায় রায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যখনই বিচার হয়, বিচারের রায় আসে, সুপ্রিম কোর্ট-হাইকোর্টের রায়কে আপনারা বুড়ো আঙ্গুল দেখান। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কিছু হতে পারে না। দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের জন্যে এটা চরম লজ্জার কথা।’

‘আমাদের সামনে কী সমস্যা, চারটি সমস্যা, কষ্ট পাচ্ছে কে? দেশের সাধারণ মানুষ। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। সমাধান কী, এক-দুই-তিন-চার। সমাধান আছে। সমস্যা আজকের দুর্নীতির সমস্যা সর্বগ্রাসি। সবচেয়ে বড় বাজেট কত লক্ষকোটি টাকা আল্লাহ জানে। এই বাজেটে কীভাবে টাকা চুরি হচ্ছে, সেটা দেশের মানুষ দেখছে, সারা পৃথিবী দেখছে। ব্যাংক-শেয়ার মার্কেট লুটপাট হয়ে গেছে। আর হাসেন আমাদের অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা ঘুষ-দুর্নীতি না, স্পিড মানি, জোরে-সোরে কাজ করার জন্য। এটা জাতির সামনে কত বড় একটা তামাশা।’

বি চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিক টর্চার আজকে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যত অত্যাচার, যত জুলুম রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর হচ্ছে, এর আগে কখনো হয়নি। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র এর আগে কখনো হয়নি। আজকে গণতন্ত্রের কণ্ঠ চেপে ধরা হয়েছে। আজকে ঢাকা শহরে যেখানে দেশের ২০ ভাগ মানুষ বাস করে সেখানে কোনো জনসভা করার অধিকার নাই কোনো বিরোধী দলের। কিন্তু সরকারি দল ইচ্ছা করলেই করতে পারেন। এভাবে চলতে দেয়া যায় না।’

‘বিনাবিচারে লাখের কাছাকাছি নেতাকর্মী জেলে আছে। এটা কোনো সভ্য দেশে হয় না, কোনো গণতান্ত্রিক দেশে হয় না, এটা সহ্য করা যায় না, যায় কি?’

‘আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক না? কেন এটা সহ্য করবো, আমাদের বুঝতে হবে। বিভিন্ন জায়গা ক্যাচ করে রাজনীতিকদের হয়রান করা হচ্ছে।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ইলেকশন প্রসেস কীভাবে টেম্পার করেন, আপনারা দেখিয়ে দিছেন। ২০১৪ ইলেকশন দেখেছি, খুলনাতেও দেখলাম। মৃত্যু ভোটার ভোট দিয়ে যায়, স্বামীর সঙ্গে দেখা করেন না। এভাবে চললে কে সাফার করছে? হু ইজ সাফারিং, বাংলাদেশের জনগণ কষ্ট ভোগ করছে। অপরাধ আপনাদের শাস্তি পায় দেশের মানুষ। যখনই কোথাও সাধারণ মানুষ কাজে যায়, প্রত্যেক দিন ঘাটে ঘাটে ঘুষ দিতে হয়। আর ঘুষখোর যারা, এত টাকা তারা বানিয়েছে, ব্লাক মানি, নো ট্যাক্স। এগুলো সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে দিয়েছে। কত রকম ক্রাইম। পত্রিকায় তাকিয়ে দেখেন, ক্রাইম অলওভার। সবগুলোর কারণ ব্লাক মানি। দ্রব্যমূল বেড়ে যায়, কেন, যাদের কাছে ব্লাক মানি, খরচ করতে তার কোনো অসুবিধা নাই।’

‘তেমনিভাবে এই টাকা দিয়ে তারা অস্ত্র কেনে, মানি অ্যান্ড মাসেলস অ্যান্ড আর্মস। এরা অস্ত্র কেনবে, এরা গুণ্ডা কিনবে। গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেব। এটা তাদের প্লান।’

‘মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। কখন কে হামলা করবে, কে কখন হারিয়ে যাবে, গুম হয়ে যাবে, এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে আপনারা করে দিয়েছেন। কোনো রকম কী এর সমাধান নাই। অবশ্যই আছে।’

বি চৌধুরী বলেন, ‘আমরা নিউক্লিয়াস গঠন করেছি, যুক্তফ্রন্ট করেছি। ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আমরা প্রথম যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছি। তার মাধ্যমে একটা নেতৃত্ব দিতে চাই। নেতৃত্বের ক্রাইসিস আছে, বাংলাদেশের সব জায়গায়। যে নেতৃত্বে চরিত্র থাকবে, সততা থাকবে, যে নেতৃত্বের কথা বলার দাম থাকবে। যাদের চরিত্র আছে, সততা আছে সেই ক্রাইসিস বাংলাদেশে চলছে। সেটাকে দূর করতে হবে। ভালো, সৎ, দেশপ্রেমিক, চরিত্রবান নেতৃত্বের দরকার। কোনো দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে, এমন মানুষের নেতৃত্ব দেয়ার অধিকার থাকবে না। সেজন্য আমরা একটা শক্তির উত্থান চেয়েছি, যে শক্তির মাধ্যমে আমরা সরকারি দলকে সাবধান করে দিতে পারবো। জনগণের হাতে চলে যাবে।’

ইফতার মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিকল্প ধারার মহাসচিব মেজর অব. এম এ মান্নান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, বিজেপির মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার চাই: বদরুদ্দোজা

আপডেট সময় ১০:০০:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সত্যিকারের ভালো জাতীয় নির্বাচন দেয়ার দাবি করে বিকল্প ধারার সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচনের পরে, দেশের মানুষকে শান্তি-নিরাপত্তা এবং দেশের অগ্রগতি করতে আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি জাতীয় সরকার চাই।

মঙ্গলবার রাজধানীর গুলশানে অল কমিউনিটি ক্লাবে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

বি. চৌধুরী বলেন, ‘সবচেয়ে বড় সাংঘাতিক যেটা হয়, আমরা ভয়ে আছি। সারা পৃথিবীতে যেটা হয়, নির্বাচনোত্তর যে সহিংসতা হবে, আগুন জ্বলবে, ভোটার-রাজনৈতিক কর্মী-নেতাদের বাড়িতে আগুন জ্বলবে। এটা হতে দেওয়া যাবে না। বন্ধ করতে হবে। সমাধান কী। সমাধান একটা আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’

নির্বাচনের পরে সহিংসতা হবে না, আগুন জ্বালানো হবে না, অন্যায় অত্যাচার হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশের নিরাপত্তা দিতে পারবো, অগ্রগতি করতে পারবো এবং ঝগড়া বিবাদ কমে যাবে। যদি নির্বাচনের পরে পাঁচ বছরে জন্য একটা জাতীয় সরকার গঠন করা হয়। এ ব্যাপারে আমি সমস্ত রাজনৈতিক দলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, আমি আশা করি সবাই এটা বিবেচনা করবেন।’

‘সত্যিকারের ভালো জাতীয় নির্বাচন দিতে হবে, আমরা আদায় করবো। যদি দিতে না চান জনগণ এটা আদায় করবে। নির্বাচনের ১০০ দিন আগে সংসদ ভেঙে দিতে হবে। তার কারণ সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীরা সরকারি প্রভাব খাটাবে, আর আমরা নির্বাচনের তামাশা দেখবো, এটা জনগণ দেখতে রাজি নয়। ভোটারকে নিরাপত্তা দিতে হবে। সামরিক বাহিনী ব্যবহার করতে হবে। এটা আমাদের সামরিক বাহিনী, বিদেশের নয়। তারাও এদেশের নাগরিক, তারাও এদেশের ভোটার। তাদের মা-বোনেরাও ভোটার। তাই তাদেরকে নিশ্চয়ই ব্যবহার করতে হবে। আর মেরুদণ্ডহীন ইসি হলে চলবে না, একটা সাহসি নিরপেক্ষ ইসি আমাদের আনতেই হবে। সেই ব্যবস্থা আমরা করবো।’

খালেদা জিয়ার মামলায় রায়ের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘যখনই বিচার হয়, বিচারের রায় আসে, সুপ্রিম কোর্ট-হাইকোর্টের রায়কে আপনারা বুড়ো আঙ্গুল দেখান। এর চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কিছু হতে পারে না। দেশের ইতিহাস ঐতিহ্যের জন্যে এটা চরম লজ্জার কথা।’

‘আমাদের সামনে কী সমস্যা, চারটি সমস্যা, কষ্ট পাচ্ছে কে? দেশের সাধারণ মানুষ। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর। সমাধান কী, এক-দুই-তিন-চার। সমাধান আছে। সমস্যা আজকের দুর্নীতির সমস্যা সর্বগ্রাসি। সবচেয়ে বড় বাজেট কত লক্ষকোটি টাকা আল্লাহ জানে। এই বাজেটে কীভাবে টাকা চুরি হচ্ছে, সেটা দেশের মানুষ দেখছে, সারা পৃথিবী দেখছে। ব্যাংক-শেয়ার মার্কেট লুটপাট হয়ে গেছে। আর হাসেন আমাদের অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, এটা ঘুষ-দুর্নীতি না, স্পিড মানি, জোরে-সোরে কাজ করার জন্য। এটা জাতির সামনে কত বড় একটা তামাশা।’

বি চৌধুরী বলেন, ‘রাজনৈতিক টর্চার আজকে সীমা ছাড়িয়ে গেছে। যত অত্যাচার, যত জুলুম রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের ওপর হচ্ছে, এর আগে কখনো হয়নি। গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এত ষড়যন্ত্র এর আগে কখনো হয়নি। আজকে গণতন্ত্রের কণ্ঠ চেপে ধরা হয়েছে। আজকে ঢাকা শহরে যেখানে দেশের ২০ ভাগ মানুষ বাস করে সেখানে কোনো জনসভা করার অধিকার নাই কোনো বিরোধী দলের। কিন্তু সরকারি দল ইচ্ছা করলেই করতে পারেন। এভাবে চলতে দেয়া যায় না।’

‘বিনাবিচারে লাখের কাছাকাছি নেতাকর্মী জেলে আছে। এটা কোনো সভ্য দেশে হয় না, কোনো গণতান্ত্রিক দেশে হয় না, এটা সহ্য করা যায় না, যায় কি?’

‘আমরা একটা স্বাধীন দেশের নাগরিক না? কেন এটা সহ্য করবো, আমাদের বুঝতে হবে। বিভিন্ন জায়গা ক্যাচ করে রাজনীতিকদের হয়রান করা হচ্ছে।’

সাবেক রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘ইলেকশন প্রসেস কীভাবে টেম্পার করেন, আপনারা দেখিয়ে দিছেন। ২০১৪ ইলেকশন দেখেছি, খুলনাতেও দেখলাম। মৃত্যু ভোটার ভোট দিয়ে যায়, স্বামীর সঙ্গে দেখা করেন না। এভাবে চললে কে সাফার করছে? হু ইজ সাফারিং, বাংলাদেশের জনগণ কষ্ট ভোগ করছে। অপরাধ আপনাদের শাস্তি পায় দেশের মানুষ। যখনই কোথাও সাধারণ মানুষ কাজে যায়, প্রত্যেক দিন ঘাটে ঘাটে ঘুষ দিতে হয়। আর ঘুষখোর যারা, এত টাকা তারা বানিয়েছে, ব্লাক মানি, নো ট্যাক্স। এগুলো সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে দিয়েছে। কত রকম ক্রাইম। পত্রিকায় তাকিয়ে দেখেন, ক্রাইম অলওভার। সবগুলোর কারণ ব্লাক মানি। দ্রব্যমূল বেড়ে যায়, কেন, যাদের কাছে ব্লাক মানি, খরচ করতে তার কোনো অসুবিধা নাই।’

‘তেমনিভাবে এই টাকা দিয়ে তারা অস্ত্র কেনে, মানি অ্যান্ড মাসেলস অ্যান্ড আর্মস। এরা অস্ত্র কেনবে, এরা গুণ্ডা কিনবে। গণতন্ত্রকে নস্যাৎ করে দেব। এটা তাদের প্লান।’

‘মানুষের জীবনের কোনো নিরাপত্তা নেই। কখন কে হামলা করবে, কে কখন হারিয়ে যাবে, গুম হয়ে যাবে, এই পরিস্থিতি বাংলাদেশে আপনারা করে দিয়েছেন। কোনো রকম কী এর সমাধান নাই। অবশ্যই আছে।’

বি চৌধুরী বলেন, ‘আমরা নিউক্লিয়াস গঠন করেছি, যুক্তফ্রন্ট করেছি। ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য আমরা প্রথম যুক্তফ্রন্ট গঠন করেছি। তার মাধ্যমে একটা নেতৃত্ব দিতে চাই। নেতৃত্বের ক্রাইসিস আছে, বাংলাদেশের সব জায়গায়। যে নেতৃত্বে চরিত্র থাকবে, সততা থাকবে, যে নেতৃত্বের কথা বলার দাম থাকবে। যাদের চরিত্র আছে, সততা আছে সেই ক্রাইসিস বাংলাদেশে চলছে। সেটাকে দূর করতে হবে। ভালো, সৎ, দেশপ্রেমিক, চরিত্রবান নেতৃত্বের দরকার। কোনো দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে, এমন মানুষের নেতৃত্ব দেয়ার অধিকার থাকবে না। সেজন্য আমরা একটা শক্তির উত্থান চেয়েছি, যে শক্তির মাধ্যমে আমরা সরকারি দলকে সাবধান করে দিতে পারবো। জনগণের হাতে চলে যাবে।’

ইফতার মাহফিলে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডির সভাপতি আসম আব্দুর রব, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মালেক রতন, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্যের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, বিকল্প ধারার মহাসচিব মেজর অব. এম এ মান্নান, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান, কল্যাণ পার্টির মহাসচিব এমএম আমিনুর রহমান, বিজেপির মহাসচিব আব্দুল মতিন সাউদ প্রমুখ।