ঢাকা ০৫:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ট্রাম্পের শর্ত ফিলিস্তিনিদের মানতে হবে: সৌদি যুবরাজ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি প্রস্তাবের’ যেসব শর্ত দিয়েছে সেগুলো অবশ্যই ফিলিস্তিনি নেতাদের মানতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের হয় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উত্থাপিত শান্তি প্রস্তাব মেনে নিতে হবে অথবা চুপ হয়ে যেতে হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ইহুদি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন বলে ইসরাইলের চ্যানেল টেনের বরাত দিয়ে সোমবার জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নিজেদের ভূখণ্ড পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখেন ফিলিস্তিনি নেতারা। ১৯৬৭ সালে আরব যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরাইল। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে ‘শান্তি প্রস্তাব’হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার এমন প্রস্তাবে সমালোচনার ঝড় বইলেও ট্রাম্প তাতে কর্ণপাত করেননি। অন্যদিকে জেরুজালেমের বাইরের একটি গ্রাম আবু দিজকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে প্রস্তাব করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের দেয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ট্রাম্পের ‘শান্তি প্রস্তাব’ মেনে নিতে সৌদি যুবরাজ সালমান ফিলিস্তিনি নেতাদের চাপ দিচ্ছেন বলে ইসরাইলের চ্যানেল টেনে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে।

ইহুদিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের তীব্র সমালোচনা করেন সৌদি যুবরাজ বলেন, ‘গত ৪০ বছরে ফিলিস্তিনি নেতারা বারবার সুযোগ হাতছাড়া করেছেন এবং তাদের যতগুলো প্রস্তাব দেয়া হয়েছে সবগুলো প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন সেসব প্রস্তাব মেনে ফিলিস্তিনিদের আলোচনায় বসতে হবে অথবা চুপ থাকতে হবে। তারা কোনো অভিযোগ করতে পারবে না।’

মোহাম্মাদ বিন সালমান বলেন, এই মুহূর্তে রিয়াদের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচিগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যু নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে- যেমন ইরান।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ট্রাম্পের শর্ত ফিলিস্তিনিদের মানতে হবে: সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় ১১:৪৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘শান্তি প্রস্তাবের’ যেসব শর্ত দিয়েছে সেগুলো অবশ্যই ফিলিস্তিনি নেতাদের মানতে হবে বলে জানিয়েছেন সৌদি যুবরাজ প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনিদের হয় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে উত্থাপিত শান্তি প্রস্তাব মেনে নিতে হবে অথবা চুপ হয়ে যেতে হবে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে ইহুদি নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন বলে ইসরাইলের চ্যানেল টেনের বরাত দিয়ে সোমবার জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

নিজেদের ভূখণ্ড পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখেন ফিলিস্তিনি নেতারা। ১৯৬৭ সালে আরব যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরাইল। ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে ‘শান্তি প্রস্তাব’হিসেবে গত বছরের ডিসেম্বরে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তার এমন প্রস্তাবে সমালোচনার ঝড় বইলেও ট্রাম্প তাতে কর্ণপাত করেননি। অন্যদিকে জেরুজালেমের বাইরের একটি গ্রাম আবু দিজকে ফিলিস্তিনের রাজধানী হিসেবে প্রস্তাব করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

ট্রাম্পের দেয়া প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। ট্রাম্পের ‘শান্তি প্রস্তাব’ মেনে নিতে সৌদি যুবরাজ সালমান ফিলিস্তিনি নেতাদের চাপ দিচ্ছেন বলে ইসরাইলের চ্যানেল টেনে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে।

ইহুদিগোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে ওই রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের তীব্র সমালোচনা করেন সৌদি যুবরাজ বলেন, ‘গত ৪০ বছরে ফিলিস্তিনি নেতারা বারবার সুযোগ হাতছাড়া করেছেন এবং তাদের যতগুলো প্রস্তাব দেয়া হয়েছে সবগুলো প্রস্তাব তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। এখন সেসব প্রস্তাব মেনে ফিলিস্তিনিদের আলোচনায় বসতে হবে অথবা চুপ থাকতে হবে। তারা কোনো অভিযোগ করতে পারবে না।’

মোহাম্মাদ বিন সালমান বলেন, এই মুহূর্তে রিয়াদের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মসূচিগুলোর মধ্যে ফিলিস্তিন ইস্যু নেই। তিনি বলেন, ‘আমাদের হাতে আরো অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে- যেমন ইরান।’