ঢাকা ০১:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

দুই কারণে রাজধানীতে বেড়েছে দুর্ঘটনা: সাঈদ খোকন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুই কারণে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনার দু’টি কারণ, একটি চালকদের বেপরোয়া ও কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে গাড়ি চালানো। দ্বিতীয়ত, ছোট ছোট রাস্তার ছেলেরা বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছেন। যারা ঢাকা শহরে গাড়ি চালায় তাদের অধিকাংশের বয়সই ১২-১৪ বছরের মধ্যে। এদের অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তারা বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছেন। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটছে।’

শনিবার (২৮ এপ্রিল) সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। ‘ক্লিন সিটি, ক্লিন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ডিএসসিসি ও স্কাউট’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার (সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য) এবং দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী খান বিলাল, স্থানীয় কাউন্সিলর এম এ হামিদ খান, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মানিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, ‘বাসের চালক, হেলপারের আচরণে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমার মা-বোনেরা হয়রানি হচ্ছেন। এজন্য আমাদের আরও অনেক বেশি কঠোর হতে হবে। আমরা সমন্বিতভাবে এটাকে মোকাবিলা করতে চাই।’

অসচেতনতা সড়ক দুর্ঘটার অন্যতম কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সচেতনতার অভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচলের সময় প্রায়ই দেখি মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছেন। অনেকের কানে হেডফোন বা ব্লু-ট্রুথ থাকে। এতে দুর্ঘটনা ঘটছে। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা আমরা সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করতে চাই। দুর্ঘটনা রোধে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে চাই। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, আহত, নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি। সেটা অনেকটাই আমাদের অগোচরে চলে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু মর্মস্পর্শ ঘটনা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কিছু দিন আগে দেখেছি দু’টি বাসের সংঘর্ষে আমাদের এক নিষ্পাপ নাগরিক হাত হারিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়েছে। সড়ক দর্ঘটনা অত্যন্ত আশঙ্কজনক হারে বেড়ে গেছে। এটা উদ্বেগের বিষয়।’

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র বাসচালক, পথচারী এবং রিকশাচালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

দুই কারণে রাজধানীতে বেড়েছে দুর্ঘটনা: সাঈদ খোকন

আপডেট সময় ০৪:৩৮:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দুই কারণে রাজধানীতে সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র মোহাম্মদ সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনার দু’টি কারণ, একটি চালকদের বেপরোয়া ও কাণ্ডজ্ঞানহীনভাবে গাড়ি চালানো। দ্বিতীয়ত, ছোট ছোট রাস্তার ছেলেরা বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছেন। যারা ঢাকা শহরে গাড়ি চালায় তাদের অধিকাংশের বয়সই ১২-১৪ বছরের মধ্যে। এদের অনেকের ড্রাইভিং লাইসেন্স নেই। তারা বেপরোয়াভাবে বাস চালাচ্ছেন। এ কারণেই দুর্ঘটনা ঘটছে।’

শনিবার (২৮ এপ্রিল) সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নাগরিক উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা জানান। ‘ক্লিন সিটি, ক্লিন বাংলাদেশ’ স্লোগানকে সামনে রেখে ডিএসসিসি ও স্কাউট’র যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ স্কাউটসের জাতীয় কমিশনার (সমাজ উন্নয়ন ও স্বাস্থ্য) এবং দুর্যোগ মন্ত্রণালয়ের সচিব শাহ কামাল, ডিএসসিসি’র প্রধান নির্বাহী খান বিলাল, স্থানীয় কাউন্সিলর এম এ হামিদ খান, কাউন্সিলর হাবিবুর রহমান মানিকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

মেয়র বলেন, ‘বাসের চালক, হেলপারের আচরণে প্রতিনিয়ত যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছেন। আমার মা-বোনেরা হয়রানি হচ্ছেন। এজন্য আমাদের আরও অনেক বেশি কঠোর হতে হবে। আমরা সমন্বিতভাবে এটাকে মোকাবিলা করতে চাই।’

অসচেতনতা সড়ক দুর্ঘটার অন্যতম কারণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সচেতনতার অভাব রয়েছে। রাস্তায় চলাচলের সময় প্রায়ই দেখি মোবাইল ফোনে কথা বলতে বলতে রাস্তা পার হচ্ছেন। অনেকের কানে হেডফোন বা ব্লু-ট্রুথ থাকে। এতে দুর্ঘটনা ঘটছে। এজন্য নগরবাসীকে সচেতন হতে হবে।’

মেয়র বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনা আমরা সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করতে চাই। দুর্ঘটনা রোধে কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে চাই। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে মাঝে মাঝে মোবাইল কোর্টও পরিচালনা করা হয়। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু, আহত, নিহতের সংখ্যা অনেক বেশি। সেটা অনেকটাই আমাদের অগোচরে চলে যায়। সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু মর্মস্পর্শ ঘটনা আমাদের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। কিছু দিন আগে দেখেছি দু’টি বাসের সংঘর্ষে আমাদের এক নিষ্পাপ নাগরিক হাত হারিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত তার মৃত্যু হয়েছে। সড়ক দর্ঘটনা অত্যন্ত আশঙ্কজনক হারে বেড়ে গেছে। এটা উদ্বেগের বিষয়।’

অনুষ্ঠান শেষে মেয়র বাসচালক, পথচারী এবং রিকশাচালকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করেন।