ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর, হাসপাতালে তালা লাগিয়ে অবরোধ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে হাসপাতাল তালাবদ্ধ করে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এক আহত ব্যক্তি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সেবা পেতে বিলম্বের জেরে রোগীর অভিভাবকদের মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুই ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করেন।

হামলায় আহত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হলেন- শেফায়েত হোসেন আরাফাত ও তাওহীদ ইবনে আলাউদ্দিন। তারা দুজনই কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক। তাদের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকলেও কিলঘুষি মারা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এ ঘটনার পর হাসপাতালে সেবা বন্ধ ও রোগীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে যাওয়া শত শত রোগী ও অভিভাবকরা।

অবরোধ চলাকালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দাবি করেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে চিকিৎসাসেবা তারা বন্ধ রাখবেন।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে হাসান মাহমুদ (৩০) নামে এক রোগীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মূলত ওই রোগীকেই কেন্দ্র করে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, কে কাকে মেরেছে- তার জন্য সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করা উচিত হয়নি। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন অনেক রোগী।

আহত ইন্টার্ন চিকিৎসক শেফায়েত হোসেন জানান, বেলা ১১টার দিকে হাসান মাহমুদ নামে এক রোগী মুখে আঘাত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। রোগীর চাপের মধ্যে তাকে চিকিৎসা দিতে একটু দেরি হওয়ায় চিকিৎসকদের ওপর হামলা শুরু করে ৪-৫ জন যুবক।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. পু চ নু জানান, প্রায়ই চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। যারা সেবা প্রদান করবে তাদেরকে কারণে-অকারণে মারধর করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা প্রদানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।

রোগীদের ভোগান্তির ব্যাপারে তিনি জানান, দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হবে। তবে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলেও প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, এ ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

২০২৭ সালে ২৯ দিন সরকারি ছুটির অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা

ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর, হাসপাতালে তালা লাগিয়ে অবরোধ

আপডেট সময় ১০:৪১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কক্সবাজার সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসককে মারধরের অভিযোগে হাসপাতাল তালাবদ্ধ করে চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দিয়েছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা।

এক আহত ব্যক্তি হাসপাতালের জরুরি বিভাগে চিকিৎসা নিতে গিয়ে সেবা পেতে বিলম্বের জেরে রোগীর অভিভাবকদের মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে দুই ইন্টার্ন চিকিৎসককে মারধর করেন।

হামলায় আহত ইন্টার্ন চিকিৎসকরা হলেন- শেফায়েত হোসেন আরাফাত ও তাওহীদ ইবনে আলাউদ্দিন। তারা দুজনই কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ন চিকিৎসক। তাদের শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকলেও কিলঘুষি মারা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।

এ ঘটনার পর হাসপাতালে সেবা বন্ধ ও রোগীদের অবরুদ্ধ করে রাখেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন চিকিৎসা নিতে যাওয়া শত শত রোগী ও অভিভাবকরা।

অবরোধ চলাকালে ইন্টার্ন চিকিৎসকরা দাবি করেন, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে চিকিৎসাসেবা তারা বন্ধ রাখবেন।

খবর পেয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। পরে হাসান মাহমুদ (৩০) নামে এক রোগীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। মূলত ওই রোগীকেই কেন্দ্র করে চিকিৎসককে মারধরের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠে।

ভুক্তভোগীদের দাবি, কে কাকে মেরেছে- তার জন্য সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবা বন্ধ করা উচিত হয়নি। এতে ঝুঁকিতে রয়েছেন অনেক রোগী।

আহত ইন্টার্ন চিকিৎসক শেফায়েত হোসেন জানান, বেলা ১১টার দিকে হাসান মাহমুদ নামে এক রোগী মুখে আঘাত নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন। রোগীর চাপের মধ্যে তাকে চিকিৎসা দিতে একটু দেরি হওয়ায় চিকিৎসকদের ওপর হামলা শুরু করে ৪-৫ জন যুবক।

এ বিষয়ে কক্সবাজার সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. পু চ নু জানান, প্রায়ই চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। যারা সেবা প্রদান করবে তাদেরকে কারণে-অকারণে মারধর করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। চিকিৎসকদের নিরাপত্তা প্রদানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ জরুরি।

রোগীদের ভোগান্তির ব্যাপারে তিনি জানান, দ্রুত এই সমস্যা সমাধান হবে। তবে দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দিলেও প্রায় তিন ঘণ্টা পর স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরে আসে।

কক্সবাজার সদর থানার ওসি ফরিদ উদ্দিন খন্দকার জানান, এ ঘটনায় একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আনা হয়েছে। হামলাকারীদের আটকের চেষ্টা চলছে।