ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।

রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির (ডিসিসিআই) আয়োজনে আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে ব্যবসায়ীরা বলেন, চাঁদাবাজদের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এই ক্ষতির শিকার হন ভোক্তা হিসেবে প্রত্যেক নাগরিক। কেননা চাঁদাবাজদের দাবি মেটাতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা পণ্যের ওপর বাড়তি দাম রাখতে বাধ্য হন। আসছে রমজান মাসে এ ধরনের আরও ভয়াবহভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

ডিসিসিআই এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেকিল চৌধুরী বলেন, ‘রোজার সময় আমাদের ইফতার পার্টি হবে, স্যার আসবেন, এই আসবেন, নেতা আসবেন এগুলো করে যে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এগুলো কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশ্রয় যদি পায় তাহলে কিন্তু ব্যবসায়ীরা তার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না।’

আরেক ব্যবসায়ী হাজি মো. আবুল হাশেম বলেন, ‘প্রত্যেকটা ট্রাককে বিভিন্ন সংস্থা, আমি বলব পুলিশের ছত্রছায়ায় হয়ে থাকে এইটা যে বিভিন্ন রশিদ দিয়ে চাঁদা আদায় করছে। এটা কিসের উপরে যাবে? এটা মালের উপরেই যাবে।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগ অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, গাড়ি যিনি চালান তিনি যদি তার লাইসেন্সটা, তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা, ফিটনেসটা আর যদি রুট পারমিটটা ঠিক থাকে আমার তো মনে হয় তার থেকে চাঁদাবাজি করার কোনো স্কোপ থাকে না। আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাকে দেওয়া হয়।

মতবিনিময়ে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছু ক্ষোভের তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেজাল তো সরকারি কোনো কর্মকর্তা কিংবা কোনো পুলিশ ভেজাল খাদ্য দেয় না। দেন আপনারা। কেন দেন? আপনারা পরিশুদ্ধ হন, আমাদের কোনো আইনের দরকার হবে না। পরিশুদ্ধ হন।

যে ব্যবসায়ীরা ভেজাল করেন তাদের আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে প্রচুর পরিমাণে তদবির আসে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন প্রয়োগে শিথিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নিয়ে থাকেন বলেও মতবিনিময়ে অভিযোগ উঠে আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।

রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির (ডিসিসিআই) আয়োজনে আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে ব্যবসায়ীরা বলেন, চাঁদাবাজদের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এই ক্ষতির শিকার হন ভোক্তা হিসেবে প্রত্যেক নাগরিক। কেননা চাঁদাবাজদের দাবি মেটাতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা পণ্যের ওপর বাড়তি দাম রাখতে বাধ্য হন। আসছে রমজান মাসে এ ধরনের আরও ভয়াবহভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

ডিসিসিআই এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেকিল চৌধুরী বলেন, ‘রোজার সময় আমাদের ইফতার পার্টি হবে, স্যার আসবেন, এই আসবেন, নেতা আসবেন এগুলো করে যে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এগুলো কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশ্রয় যদি পায় তাহলে কিন্তু ব্যবসায়ীরা তার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না।’

আরেক ব্যবসায়ী হাজি মো. আবুল হাশেম বলেন, ‘প্রত্যেকটা ট্রাককে বিভিন্ন সংস্থা, আমি বলব পুলিশের ছত্রছায়ায় হয়ে থাকে এইটা যে বিভিন্ন রশিদ দিয়ে চাঁদা আদায় করছে। এটা কিসের উপরে যাবে? এটা মালের উপরেই যাবে।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগ অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, গাড়ি যিনি চালান তিনি যদি তার লাইসেন্সটা, তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা, ফিটনেসটা আর যদি রুট পারমিটটা ঠিক থাকে আমার তো মনে হয় তার থেকে চাঁদাবাজি করার কোনো স্কোপ থাকে না। আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাকে দেওয়া হয়।

মতবিনিময়ে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছু ক্ষোভের তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেজাল তো সরকারি কোনো কর্মকর্তা কিংবা কোনো পুলিশ ভেজাল খাদ্য দেয় না। দেন আপনারা। কেন দেন? আপনারা পরিশুদ্ধ হন, আমাদের কোনো আইনের দরকার হবে না। পরিশুদ্ধ হন।

যে ব্যবসায়ীরা ভেজাল করেন তাদের আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে প্রচুর পরিমাণে তদবির আসে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন প্রয়োগে শিথিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নিয়ে থাকেন বলেও মতবিনিময়ে অভিযোগ উঠে আসে।