ঢাকা ০৬:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম ৪৫ হাজার কোটি টাকার ২৫ প্রকল্প অনুমোদন নিরপেক্ষ ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই গণতন্ত্র উত্তরণের প্রধান শর্ত: সুজন সম্পাদক ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরার প্রতিশ্রুতি তারেক রহমানের সমালোচনার মধ্যে থাকলে দেশের মানুষের কোনো উন্নয়ন হবে না: তারেক রহমান ১২ ফেব্রুয়ারি হবে চাঁদাবাজ সন্ত্রাস ও দখলবাজদের শেষ দিন: নাহিদ ইসলাম বিসিবির পদ ফিরে পেলেন সেই নাজমুল ইসলাম রাজনীতিতে ধর্মের ব্যবহার ঠিক নয়: মির্জা ফখরুল

চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।

রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির (ডিসিসিআই) আয়োজনে আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে ব্যবসায়ীরা বলেন, চাঁদাবাজদের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এই ক্ষতির শিকার হন ভোক্তা হিসেবে প্রত্যেক নাগরিক। কেননা চাঁদাবাজদের দাবি মেটাতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা পণ্যের ওপর বাড়তি দাম রাখতে বাধ্য হন। আসছে রমজান মাসে এ ধরনের আরও ভয়াবহভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

ডিসিসিআই এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেকিল চৌধুরী বলেন, ‘রোজার সময় আমাদের ইফতার পার্টি হবে, স্যার আসবেন, এই আসবেন, নেতা আসবেন এগুলো করে যে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এগুলো কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশ্রয় যদি পায় তাহলে কিন্তু ব্যবসায়ীরা তার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না।’

আরেক ব্যবসায়ী হাজি মো. আবুল হাশেম বলেন, ‘প্রত্যেকটা ট্রাককে বিভিন্ন সংস্থা, আমি বলব পুলিশের ছত্রছায়ায় হয়ে থাকে এইটা যে বিভিন্ন রশিদ দিয়ে চাঁদা আদায় করছে। এটা কিসের উপরে যাবে? এটা মালের উপরেই যাবে।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগ অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, গাড়ি যিনি চালান তিনি যদি তার লাইসেন্সটা, তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা, ফিটনেসটা আর যদি রুট পারমিটটা ঠিক থাকে আমার তো মনে হয় তার থেকে চাঁদাবাজি করার কোনো স্কোপ থাকে না। আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাকে দেওয়া হয়।

মতবিনিময়ে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছু ক্ষোভের তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেজাল তো সরকারি কোনো কর্মকর্তা কিংবা কোনো পুলিশ ভেজাল খাদ্য দেয় না। দেন আপনারা। কেন দেন? আপনারা পরিশুদ্ধ হন, আমাদের কোনো আইনের দরকার হবে না। পরিশুদ্ধ হন।

যে ব্যবসায়ীরা ভেজাল করেন তাদের আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে প্রচুর পরিমাণে তদবির আসে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন প্রয়োগে শিথিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নিয়ে থাকেন বলেও মতবিনিময়ে অভিযোগ উঠে আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল

চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:২৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নিতে সরকার প্রতিজ্ঞাবদ্ধ উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটাও কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হয়।

রোববার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্টির (ডিসিসিআই) আয়োজনে আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে দ্রব্যমূল্য ও আইনশৃংখলা পরিস্থিতি শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারে ব্যবসায়ীরা বলেন, চাঁদাবাজদের কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ব্যবসায়ীরা। এই ক্ষতির শিকার হন ভোক্তা হিসেবে প্রত্যেক নাগরিক। কেননা চাঁদাবাজদের দাবি মেটাতে গিয়ে ব্যবসায়ীরা পণ্যের ওপর বাড়তি দাম রাখতে বাধ্য হন। আসছে রমজান মাসে এ ধরনের আরও ভয়াবহভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

ডিসিসিআই এর সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সেকিল চৌধুরী বলেন, ‘রোজার সময় আমাদের ইফতার পার্টি হবে, স্যার আসবেন, এই আসবেন, নেতা আসবেন এগুলো করে যে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে এগুলো কিন্তু রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রশ্রয় যদি পায় তাহলে কিন্তু ব্যবসায়ীরা তার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবে না।’

আরেক ব্যবসায়ী হাজি মো. আবুল হাশেম বলেন, ‘প্রত্যেকটা ট্রাককে বিভিন্ন সংস্থা, আমি বলব পুলিশের ছত্রছায়ায় হয়ে থাকে এইটা যে বিভিন্ন রশিদ দিয়ে চাঁদা আদায় করছে। এটা কিসের উপরে যাবে? এটা মালের উপরেই যাবে।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ব্যবসায়ীদের এসব অভিযোগ অনেক বেশি জোরালো হয়ে ওঠে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে।

জবাবে মন্ত্রী বলেন, গাড়ি যিনি চালান তিনি যদি তার লাইসেন্সটা, তার ড্রাইভিং লাইসেন্সটা, ফিটনেসটা আর যদি রুট পারমিটটা ঠিক থাকে আমার তো মনে হয় তার থেকে চাঁদাবাজি করার কোনো স্কোপ থাকে না। আমরা কিন্তু কঠিনভাবে ব্যবস্থা নিচ্ছি। চাঁদাবাজ পুলিশ নেই সেটা আমরা অস্বীকার করব না। আছে, পুলিশও কিন্তু আইনের উর্ধ্বে নয়, তার শাস্তিটা কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে তাকে দেওয়া হয়।

মতবিনিময়ে ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কিছু ক্ষোভের তুলে ধরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভেজাল তো সরকারি কোনো কর্মকর্তা কিংবা কোনো পুলিশ ভেজাল খাদ্য দেয় না। দেন আপনারা। কেন দেন? আপনারা পরিশুদ্ধ হন, আমাদের কোনো আইনের দরকার হবে না। পরিশুদ্ধ হন।

যে ব্যবসায়ীরা ভেজাল করেন তাদের আটকের পর ছাড়িয়ে নিতে প্রচুর পরিমাণে তদবির আসে বলেও জানান আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন প্রয়োগে শিথিলতার কারণে ব্যবসায়ীরা যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তেমনি অনেক ব্যবসায়ী এই সুযোগ নিয়ে থাকেন বলেও মতবিনিময়ে অভিযোগ উঠে আসে।