ঢাকা ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে: হুমায়ুন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির বলেছেন, আমরা আগেই বলেছিলাম কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা চলছে। কোটা সংস্কারের দাবী নিয়ে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিভ্রান্ত করে তাদেরকে রাজপথে নামানোর মূল পরিকল্পনাই করেছিল জামায়াত-বিএনপি।

হুমায়ুন কবির আরো বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বর্তমানে তাদের হাতে কোন ইস্যু নেই। তাই তারা কোটা সংস্কারের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে।

উল্লেখ, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে অনেকদিন থেকেই আন্দোলন করছিল শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বেশিরভাগ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসব দাবিতে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। গতকাল থেকে সারাদেশে আবারও আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

এ নিয়ে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দিকে যদি তাকান তাহলে দেখবেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল টার্গেট মহান মুক্তিযুদ্ধ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারবিরোধী প্রচার প্রপাগা-া। গতকালের তা-বের প্রস্তুতি তারা আগে থেকেই নিয়েছিল। তাদের টার্গেট ছিল আরেকটি হেফাজত ইসলামের মতো ঘটনার জন্ম দেয়া। আমার প্রশ্ন হচ্ছে সরকারের এতো এতো এজেন্সি থাকতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কর্মসূচির এতো প্রচার-প্রচারণা কি করে তারা চালালো? ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে তারা সারাদেশে একই ধরণের টি-শার্ট, লিফলেট ও ব্যানার ছড়িয়ে দিলো।’

এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো শক্তি রয়েছে বলে মন্তব্য করে মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এর পেছনে কোনো একটি শক্তি নিশ্চয়ই কাজ করছে। আন্দোলনকারীরা যদি শিক্ষার্থী হয়ে থাকে তাহলে তারা এতো বিশাল অংকের অর্থ পেল কোন উৎস থেকে, তা খতিয়ে দেখা দরকার। গত এক সপ্তাহে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজে সংগঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে কোটার বিরুদ্ধে কথা বলেছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা দেখেছি। কিন্তু প্রতিকারের বিষয়ে কোন আগাম প্রস্তুতি নেয়া হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখ জনক। ’

তার ভাষ্য, ‘আমরা মনে করি প্রশাসনের সর্বত্র এখনও বিএনপি-জামায়াতের লোকজন বর্ণচোরার মতো কাজ করছে। তারা সরকারের বিরুদ্ধে গোপনে গোপনে ষড়যন্ত্র লিপ্ত আছে, আন্দোলনের জন্য বিশাল অর্থ যোগান দিচ্ছে। কেউ কেউ ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাসও দিচ্ছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আমরা সারাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা সদা প্রস্তুত আছি, আমরাও রাজপথে আছি, থাকবো।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করা হচ্ছে: হুমায়ুন

আপডেট সময় ১১:১৭:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের প্রতিনিধিত্বকারী ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মো. হুমায়ুন কবির বলেছেন, আমরা আগেই বলেছিলাম কোটাবিরোধী আন্দোলনের নামে দেশকে অস্থিতিশীল করার পায়তারা চলছে। কোটা সংস্কারের দাবী নিয়ে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদেরকে বিভ্রান্ত করে তাদেরকে রাজপথে নামানোর মূল পরিকল্পনাই করেছিল জামায়াত-বিএনপি।

হুমায়ুন কবির আরো বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশকে অস্থিতিশীল করতে এবং সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে বর্তমানে তাদের হাতে কোন ইস্যু নেই। তাই তারা কোটা সংস্কারের বিষয়টি সামনে নিয়ে আসে।

উল্লেখ, সরকারি চাকরিতে ৫৬ শতাংশ কোটা সংস্কারসহ পাঁচ দফা দাবিতে অনেকদিন থেকেই আন্দোলন করছিল শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বেশিরভাগ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা এসব দাবিতে সমর্থন জানিয়ে আন্দোলন করে আসছিল। গতকাল থেকে সারাদেশে আবারও আন্দোলন শুরু করে শিক্ষার্থীরা।

এ নিয়ে ‘আমরা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান’ সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি বলেন, ‘আপনারা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের দিকে যদি তাকান তাহলে দেখবেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের মূল টার্গেট মহান মুক্তিযুদ্ধ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সরকারবিরোধী প্রচার প্রপাগা-া। গতকালের তা-বের প্রস্তুতি তারা আগে থেকেই নিয়েছিল। তাদের টার্গেট ছিল আরেকটি হেফাজত ইসলামের মতো ঘটনার জন্ম দেয়া। আমার প্রশ্ন হচ্ছে সরকারের এতো এতো এজেন্সি থাকতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ কর্মসূচির এতো প্রচার-প্রচারণা কি করে তারা চালালো? ঢাকা থেকে কেন্দ্রীয়ভাবে তারা সারাদেশে একই ধরণের টি-শার্ট, লিফলেট ও ব্যানার ছড়িয়ে দিলো।’

এই আন্দোলনের পেছনে অন্য কোনো শক্তি রয়েছে বলে মন্তব্য করে মো. হুমায়ুন কবির বলেন, ‘এর পেছনে কোনো একটি শক্তি নিশ্চয়ই কাজ করছে। আন্দোলনকারীরা যদি শিক্ষার্থী হয়ে থাকে তাহলে তারা এতো বিশাল অংকের অর্থ পেল কোন উৎস থেকে, তা খতিয়ে দেখা দরকার। গত এক সপ্তাহে তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ^বিদ্যালয় ও কলেজে সংগঠিত হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসে ক্লাসে গিয়ে কোটার বিরুদ্ধে কথা বলেছে মর্মে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আমরা দেখেছি। কিন্তু প্রতিকারের বিষয়ে কোন আগাম প্রস্তুতি নেয়া হয়নি, যা অত্যন্ত দুঃখ জনক। ’

তার ভাষ্য, ‘আমরা মনে করি প্রশাসনের সর্বত্র এখনও বিএনপি-জামায়াতের লোকজন বর্ণচোরার মতো কাজ করছে। তারা সরকারের বিরুদ্ধে গোপনে গোপনে ষড়যন্ত্র লিপ্ত আছে, আন্দোলনের জন্য বিশাল অর্থ যোগান দিচ্ছে। কেউ কেউ ফেসবুকে উস্কানিমূলক স্ট্যাটাসও দিচ্ছে। তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। আমরা সারাদেশের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানরা সদা প্রস্তুত আছি, আমরাও রাজপথে আছি, থাকবো।’