ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

মেয়ে সেফহোমে, মা ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় ধর্ষিতা কিশোরীকে সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকালে জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইমদাদুল হক এ নির্দেশ দেন। এর আগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চায় পুলিশ। পরে শুনানী শেষে আদালত মেয়েকে রাজশাহী বিভাগীয় সরকারি সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সহকারি পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী। এদিকে মা ও মেয়ে টানা ১০দিন হাসপাতালে থাকার পর চিকিৎসকরা তাদের ছাড়পত্র দেয়। আজ দুপুর ১টায় পুলিশের হেফাজতে তারা হাসপাতাল ছাড়ে। এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, ধর্ষক ও নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী এবং তার মা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য, ১৭ই জুলাই বিকালে কলেজে ভর্তি করানোর কথা বলে ওই কিশোরীকে বাড়ি ডেকে এনে কয়েক দফা ধর্ষণ করে বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের নেতা তুফান সরকার। পরে মীমাংসার নামে তুফানের স্ত্রী আশা সরকার ও বড় বোন নারী কাউন্সিলর রুমকি ধর্ষিতা কিশোরী ও তার মাকে ডেকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। গত ২৮শে জুলাই ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আসামিরা সবাই কারাগারে আছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ক্ষমতায় গেলে ৪ কোটি পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে: তারেক রহমান

মেয়ে সেফহোমে, মা ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে

আপডেট সময় ০৭:৪৪:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ায় ধর্ষিতা কিশোরীকে সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার বিকালে জেলার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক ইমদাদুল হক এ নির্দেশ দেন। এর আগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে আদালতে হাজির করে তাদের নিরাপত্তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত চায় পুলিশ। পরে শুনানী শেষে আদালত মেয়েকে রাজশাহী বিভাগীয় সরকারি সেফহোমে এবং তার মাকে ভিকটিম সার্পোট সেন্টারে পাঠানোর আদেশ দেয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা সহকারি পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী। এদিকে মা ও মেয়ে টানা ১০দিন হাসপাতালে থাকার পর চিকিৎসকরা তাদের ছাড়পত্র দেয়। আজ দুপুর ১টায় পুলিশের হেফাজতে তারা হাসপাতাল ছাড়ে। এ বিষয়ে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক নির্মলেন্দু চৌধুরী বলেন, ধর্ষক ও নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরী এবং তার মা এখন সুস্থ হয়ে উঠেছে।

উল্লেখ্য, ১৭ই জুলাই বিকালে কলেজে ভর্তি করানোর কথা বলে ওই কিশোরীকে বাড়ি ডেকে এনে কয়েক দফা ধর্ষণ করে বগুড়া শহর শ্রমিক লীগের নেতা তুফান সরকার। পরে মীমাংসার নামে তুফানের স্ত্রী আশা সরকার ও বড় বোন নারী কাউন্সিলর রুমকি ধর্ষিতা কিশোরী ও তার মাকে ডেকে বেধড়ক পিটিয়ে মাথা ন্যাড়া করে দেয়। গত ২৮শে জুলাই ধর্ষিতার মা বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। আসামিরা সবাই কারাগারে আছে।