ঢাকা ০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জুলাইযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি করার প্রস্তাব ফজলুর রহমানের ভেনেজুয়েলার পর জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প সাভারে পাঁচ মাসের মধ্যে মাদক নির্মূল হবে: এমপি সালাউদ্দিন গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ‘সরকার ৪ মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন, সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই খেলাপি ঋণে ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ বেহাল: সংসদে রেজা কিবরিয়া ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে চীনে এলাহি আয়োজন

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রশ্নফাঁসকে মামুলি ব্যাপার মনে করে না চীনের সরকার। তাই প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থার আয়োজন করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এসব ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে- পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ বাহিনী সোয়াত মোতায়েন। অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র এবং প্রশ্নপত্র পাহারা দেন তারা। প্রশ্নপত্র সঠিক জায়গায় ডেলিভারি হয়েছে কিনা তা ট্র্যাক করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

পরীক্ষার হলে নকল প্রতিরোধে রয়েছে আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোনো ছাত্র নকল করছে কিনা তা ধরতে মাথার ওপরে ঘোরাফেরা করে ড্রোন। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রের চারপাশেও ঘোরাফেরা করে ড্রোন।

কোনো রেডিও সিগন্যাল পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা সেটি সহজেই বুঝতে পারে ড্রোন। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মেটাল ডিটেক্টর, আঙুলের ছাপ, মুখের ছাপ নেয়া হয় পরীক্ষার্থীদের। এমন এলাহি আয়োজনের পরও যদি কেউ প্রশ্নফাঁস বা নকল করে ধরা পড়ে তার সাজা সাত বছরের কারাদণ্ড।

চীনে প্রতি বছর প্রায় এক কোটি ছেলেমেয়ে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ ছাত্রছাত্রী পাস করে কলেজে পড়ার সুযোগ পায়। এর পরও কর্তৃপক্ষের কঠোরতার কারণে দেশটিতে নকল করে পাস করার কথা তেমন কেউই চিন্তা করতে পারে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন

প্রশ্নফাঁস প্রতিরোধে চীনে এলাহি আয়োজন

আপডেট সময় ০২:২৪:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রশ্নফাঁসকে মামুলি ব্যাপার মনে করে না চীনের সরকার। তাই প্রশ্নফাঁস ঠেকাতে অত্যাধুনিক ব্যবস্থার আয়োজন করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এসব ব্যবস্থার মধ্যে রয়েছে- পরীক্ষার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রশ্নপত্রের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ বাহিনী সোয়াত মোতায়েন। অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে পরীক্ষাকেন্দ্র এবং প্রশ্নপত্র পাহারা দেন তারা। প্রশ্নপত্র সঠিক জায়গায় ডেলিভারি হয়েছে কিনা তা ট্র্যাক করা হয় জিপিএসের মাধ্যমে।

পরীক্ষার হলে নকল প্রতিরোধে রয়েছে আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। কোনো ছাত্র নকল করছে কিনা তা ধরতে মাথার ওপরে ঘোরাফেরা করে ড্রোন। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রের চারপাশেও ঘোরাফেরা করে ড্রোন।

কোনো রেডিও সিগন্যাল পরীক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছাচ্ছে কিনা সেটি সহজেই বুঝতে পারে ড্রোন। এ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মেটাল ডিটেক্টর, আঙুলের ছাপ, মুখের ছাপ নেয়া হয় পরীক্ষার্থীদের। এমন এলাহি আয়োজনের পরও যদি কেউ প্রশ্নফাঁস বা নকল করে ধরা পড়ে তার সাজা সাত বছরের কারাদণ্ড।

চীনে প্রতি বছর প্রায় এক কোটি ছেলেমেয়ে বোর্ড পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। তার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ ছাত্রছাত্রী পাস করে কলেজে পড়ার সুযোগ পায়। এর পরও কর্তৃপক্ষের কঠোরতার কারণে দেশটিতে নকল করে পাস করার কথা তেমন কেউই চিন্তা করতে পারে না।