ঢাকা ০১:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলছেন কিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা ছাড়া আপাতত কোনও কূটনৈতিক পদক্ষেপ করতে চায় না উত্তর কোরিয়া।

দুই দিন ধরেই জল্পনা চলছিল, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কি সত্যিই বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন?

বুধবার জানা গিয়েছে, নিছক জল্পনা নয়, এই সফরের খবর ১০০ শতাংশ সত্যি। খবরের সমর্থনে বেইজিংয়ে দুই রাষ্ট্রনায়কের একাধিক ছবিও গতকাল প্রকাশ করেছে চীন এবং উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম। সেই সব ছবিতে সস্ত্রীক, হাসিমুখের দুই নেতাকে দেখা যাচ্ছে। কোনওটায় বা তারা মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে খোশগল্প করছেন, কখনও বা তাদের হাতে ওয়াইনের গ্লাস।

আলোচনার বিষয় নিয়ে সবিস্তার কিছু জানানো না-হলেও বেইজিংয়ের দাবি, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিম সেটা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন শি-কে।

কিমের এই সফরে সৌহার্দ্য-সৌজন্যের আড়ালে স্পষ্ট কূটনৈতিক চাল লুকিয়ে রয়েছে- বলছেন কূটনীতিকরা।

ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টার গবেষণা কেন্দ্রের জিন এইচ লি-র কথায়, ‘উত্তর কোরিয়া খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে শুরু করেছে। এবং তারা ভালোই বুঝতে পারছে যে, তাদের এই কূটনৈতিক যাত্রা সফল হবে, যদি বেইজিং তাদের পাশে থাকে।’

আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার কয়েক দিন পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হওয়ার কথা।

লি-র কথায়, ‘ওয়াশিংটন বা পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার আগে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে কিম আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে বুঝিয়ে দিলেন, বেইজিং তার কত বড় বন্ধু!’

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক যদিও চিরকাল ভালো ছিল না।

২০১৩-র ডিসেম্বরে কাকা জান-সং ঠেক-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কিম। ঠেক নাকি চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিমকে গদিচ্যুত করতে চেয়েছিলেন। আবার ২০১৬ সালে চীনে জি-২০ শীর্ষবৈঠক চলাকালীন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেন কিম। এমনকী গত বছরে কিমের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য পিয়ংইয়ং-এ বিশেষ দূত পাঠিয়েছিলেন শি।তার সঙ্গে দেখা করতেই অস্বীকার করেন কিম।

কিম-শি বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন ট্রাম্প। তার কথায়, ‘কাল রাতে শি আমাকে বললেন, কিমের সঙ্গে তার বৈঠক ভালোই হয়েছে। কিম তাকে জানিয়েছেন যে, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সতর্কতার সঙ্গে পা ফেলছেন কিম

আপডেট সময় ১০:২৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বৈঠক যুক্তরাষ্ট্রকে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে। বেইজিংয়ের মধ্যস্থতা ছাড়া আপাতত কোনও কূটনৈতিক পদক্ষেপ করতে চায় না উত্তর কোরিয়া।

দুই দিন ধরেই জল্পনা চলছিল, উত্তর কোরিয়ার একনায়ক কি সত্যিই বেইজিং সফরে গিয়েছিলেন?

বুধবার জানা গিয়েছে, নিছক জল্পনা নয়, এই সফরের খবর ১০০ শতাংশ সত্যি। খবরের সমর্থনে বেইজিংয়ে দুই রাষ্ট্রনায়কের একাধিক ছবিও গতকাল প্রকাশ করেছে চীন এবং উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদমাধ্যম। সেই সব ছবিতে সস্ত্রীক, হাসিমুখের দুই নেতাকে দেখা যাচ্ছে। কোনওটায় বা তারা মধ্যাহ্নভোজের টেবিলে খোশগল্প করছেন, কখনও বা তাদের হাতে ওয়াইনের গ্লাস।

আলোচনার বিষয় নিয়ে সবিস্তার কিছু জানানো না-হলেও বেইজিংয়ের দাবি, পরমাণু নিরস্ত্রীকরণে তিনি যে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, কিম সেটা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন শি-কে।

কিমের এই সফরে সৌহার্দ্য-সৌজন্যের আড়ালে স্পষ্ট কূটনৈতিক চাল লুকিয়ে রয়েছে- বলছেন কূটনীতিকরা।

ওয়াশিংটনের উইলসন সেন্টার গবেষণা কেন্দ্রের জিন এইচ লি-র কথায়, ‘উত্তর কোরিয়া খুব সতর্কভাবে পা ফেলতে শুরু করেছে। এবং তারা ভালোই বুঝতে পারছে যে, তাদের এই কূটনৈতিক যাত্রা সফল হবে, যদি বেইজিং তাদের পাশে থাকে।’

আগামী সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া এবং তার কয়েক দিন পরেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কিমের বৈঠক হওয়ার কথা।

লি-র কথায়, ‘ওয়াশিংটন বা পিয়ংইয়ং-এর সঙ্গে আলোচনার টেবিলে বসার আগে চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করে কিম আন্তর্জাতিক দুনিয়াকে বুঝিয়ে দিলেন, বেইজিং তার কত বড় বন্ধু!’

উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক যদিও চিরকাল ভালো ছিল না।

২০১৩-র ডিসেম্বরে কাকা জান-সং ঠেক-এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ এনে তাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন কিম। ঠেক নাকি চীনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে কিমকে গদিচ্যুত করতে চেয়েছিলেন। আবার ২০১৬ সালে চীনে জি-২০ শীর্ষবৈঠক চলাকালীন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করেন কিম। এমনকী গত বছরে কিমের সঙ্গে আলোচনা করার জন্য পিয়ংইয়ং-এ বিশেষ দূত পাঠিয়েছিলেন শি।তার সঙ্গে দেখা করতেই অস্বীকার করেন কিম।

কিম-শি বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন ট্রাম্প। তার কথায়, ‘কাল রাতে শি আমাকে বললেন, কিমের সঙ্গে তার বৈঠক ভালোই হয়েছে। কিম তাকে জানিয়েছেন যে, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য তিনি অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।’