ঢাকা ০৪:১৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন মুক্তিযোদ্ধা ভাতা জুলাইযোদ্ধাদের চেয়ে বেশি করার প্রস্তাব ফজলুর রহমানের ভেনেজুয়েলার পর জাপানে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প সাভারে পাঁচ মাসের মধ্যে মাদক নির্মূল হবে: এমপি সালাউদ্দিন গণমাধ্যম খাতে সহযোগিতায় বাংলাদেশ-চীনের মধ্যে চারটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ‘সরকার ৪ মাসে দেশকে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে বেঁধেছে’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী পদত্যাগের কথা ভাবলেন না কেন, সংসদে শফিকুল ইসলাম মাসুদ বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে ১৩টি সমঝোতা স্মারক সই খেলাপি ঋণে ব্যাংক খাত সম্পূর্ণ বেহাল: সংসদে রেজা কিবরিয়া ১ টাকার দুর্নীতি বের করতে পারলে ইস্তফা দেব, সংসদে হাসনাত আবদুল্লাহ

কোন্দলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আসছে: কাদের

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারপন্থী যেসব আইনজীবী সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেলের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় দলের সাধারণ সম্পাদক এই হুঁশিয়ারি দেন।

তবে কোন ধরনের ব্যবস্থা আসছে, সেটা নিয়ে জানাননি কাদের। জানান, দলের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সদ্য সমাপ্ত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও হেরেছে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেল।

এবার সমিতির ১৪টি পদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা জিতেছেন চারটি পদে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বাকি ১০টিতে জিতেছেন বিএনপিপন্থীরা।

আগের বছর আওয়ামী লীগ পন্থীরা জিতেছিলেন ছয়টি পদে, আর বিএনপিপন্থীরা জিতেছিলেন আটটি পদে।

এই নির্বাচনের পর পরাজয়ের দায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র দিয়েছে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নুর তাপস।

এর আগেও সুপ্রিমকোর্ট বারে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেলের হারের পেছনে কোন্দলকে দায়ী করা হচ্ছিল। গত কয়েক বছর ধরেই ভোটের আগে এই কোন্দল নিয়েই বেশি কাজ করতে হয়েছে প্রার্থীদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা দলীয় প্রার্থী বিরুদ্ধে যারা কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

‘আগামী ৩১ মার্চ দলের কার্যনির্বাহী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কাউকে কোন প্রকারের ছাড় দেয়া হবে না।’

কাদের বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্বাচন ছাড়া কক্সবাজার, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বার এসোসিয়েশনের নির্বাচনে আমাদের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এখানে আমরা হেরে গেছি।’

কোন্দল না থাকলে বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতির মতো দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও আওয়ামী লীগ সমর্থকরাই জিতত বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

এই আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তা প্রকল্পে বাংলাদেশের পাশে থাকতে চায় চীন: মাহদী আমিন

কোন্দলকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা আসছে: কাদের

আপডেট সময় ০৫:০৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারপন্থী যেসব আইনজীবী সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেলের বিরুদ্ধে কাজ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের।

মঙ্গলবার রাজধানীতে আওয়ামী লীগের স্বাধীনতা দিবসের আলোচনায় দলের সাধারণ সম্পাদক এই হুঁশিয়ারি দেন।

তবে কোন ধরনের ব্যবস্থা আসছে, সেটা নিয়ে জানাননি কাদের। জানান, দলের নির্বাহী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সদ্য সমাপ্ত সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে গত কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও হেরেছে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেল।

এবার সমিতির ১৪টি পদের মধ্যে ক্ষমতাসীন দলের সমর্থকরা জিতেছেন চারটি পদে। সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ বাকি ১০টিতে জিতেছেন বিএনপিপন্থীরা।

আগের বছর আওয়ামী লীগ পন্থীরা জিতেছিলেন ছয়টি পদে, আর বিএনপিপন্থীরা জিতেছিলেন আটটি পদে।

এই নির্বাচনের পর পরাজয়ের দায় নিয়ে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদের সদস্য সচিবের পদ থেকে অব্যাহতি চেয়ে পদত্যাগপত্র দিয়েছে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শেখ ফজলে নুর তাপস।

এর আগেও সুপ্রিমকোর্ট বারে আওয়ামী লীগপন্থী প্যানেলের হারের পেছনে কোন্দলকে দায়ী করা হচ্ছিল। গত কয়েক বছর ধরেই ভোটের আগে এই কোন্দল নিয়েই বেশি কাজ করতে হয়েছে প্রার্থীদের।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘যারা দলীয় প্রার্থী বিরুদ্ধে যারা কাজ করেছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

‘আগামী ৩১ মার্চ দলের কার্যনির্বাহী বৈঠকে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। কাউকে কোন প্রকারের ছাড় দেয়া হবে না।’

কাদের বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের নির্বাচন ছাড়া কক্সবাজার, রাজশাহীসহ দেশের বিভিন্ন জেলার বার এসোসিয়েশনের নির্বাচনে আমাদের মনোনীত প্রার্থী বিজয়ী হয়েছে। কিন্তু এখানে আমরা হেরে গেছি।’

কোন্দল না থাকলে বিভিন্ন জেলা আইনজীবী সমিতির মতো দেশের সর্বোচ্চ আদালতেও আওয়ামী লীগ সমর্থকরাই জিতত বলে মনে করেন ওবায়দুল কাদের।

এই আলোচনায় অংশ নেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা।