ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গাজীপুরে অটোচালক খুনে যুবকের ফাঁসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে অটোরিকশা লুট ও চালক খুনের মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় এজাহারভুক্ত অপর তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। রবিবার সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন।

বিচারক মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডিতকে ১০হাজার টাকা জারিমানা ও অপর একটি ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাইম ওরফে মহিউদ্দিন নাইম গাজীপুর সিটি করপোরেশন চত্বর (এটিআই গেইট) এলাকার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে।

খালাস প্রাপ্ত তিনজন হলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চত্বর এলাকার (নয়াপাড়া) ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হাসান ইমাম ওরফে রাব্বী, একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ ও রেজাউল করিম মৃধার ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন ওরফে নীরব।

গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, সিটি করপোরেশনের হাতিয়াব এলাকার স্থানীয় চুন্নু মোল্লার ছেলে মো. জুলহাস মোল্লা এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব নোয়াইলের টেক এলাকার গজারী বনে জুলহাসের গলাকাটা লাশ দেখে জয়দেবপুর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় পরদিন চুন্নু মোল্লা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য জয়দেবপুর থানার ওসির নির্দেশে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও জেলা গেয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হাসান আংশিক তদন্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির পরিদর্শক খোন্দকার জাহাঙ্গীর কবীর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রবিবার আদালত সাতজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন। এসময় নাইম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে মো. আতাউর রহমান, গাজী মো. পারভেজ আলম ও মামহমুদা সিদ্দিকা মামলাটি পরিচালনা করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গাজীপুরে অটোচালক খুনে যুবকের ফাঁসি

আপডেট সময় ০১:২০:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুরে অটোরিকশা লুট ও চালক খুনের মামলায় এক যুবককে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। মামলায় এজাহারভুক্ত অপর তিন আসামিকে খালাস দেয়া হয়েছে। রবিবার সকালে গাজীপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ কে এম এনামুল হক এ রায় দেন।

বিচারক মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি দণ্ডিতকে ১০হাজার টাকা জারিমানা ও অপর একটি ধারায় তিন বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত মো. নাইম ওরফে মহিউদ্দিন নাইম গাজীপুর সিটি করপোরেশন চত্বর (এটিআই গেইট) এলাকার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে।

খালাস প্রাপ্ত তিনজন হলেন, গাজীপুর সিটি করপোরেশনের চত্বর এলাকার (নয়াপাড়া) ইদ্রিস আলীর ছেলে মো. হাসান ইমাম ওরফে রাব্বী, একই এলাকার বাসিন্দা সিরাজুল ইসলামের ছেলে মো. জহিরুল ইসলাম ওরফে ফরহাদ ও রেজাউল করিম মৃধার ছেলে মো. রায়হান উদ্দিন ওরফে নীরব।

গাজীপুর আদালতের পিপি হারিছ উদ্দিন আহম্মদ জানান, সিটি করপোরেশনের হাতিয়াব এলাকার স্থানীয় চুন্নু মোল্লার ছেলে মো. জুলহাস মোল্লা এলাকায় অটোরিকশা চালাতেন। ২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর সকালে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পরে স্থানীয়রা ওইদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে গাজীপুর সিটির হাতিয়াব নোয়াইলের টেক এলাকার গজারী বনে জুলহাসের গলাকাটা লাশ দেখে জয়দেবপুর থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। এ ঘটনায় পরদিন চুন্নু মোল্লা বাদী হয়ে জয়দেবপুর থানায় চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। পরে মামলাটি তদন্তের জন্য জয়দেবপুর থানার ওসির নির্দেশে ওই থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইফুল আলম ও জেলা গেয়েন্দা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ হাসান আংশিক তদন্ত করেন। পরে মামলার তদন্তভার সিআইডিতে স্থানান্তর করা হয়। সিআইডির পরিদর্শক খোন্দকার জাহাঙ্গীর কবীর দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। রবিবার আদালত সাতজনের স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এ রায় দেন। এসময় নাইম আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপক্ষে হারিছ উদ্দিন আহম্মদ এবং আসামি পক্ষে মো. আতাউর রহমান, গাজী মো. পারভেজ আলম ও মামহমুদা সিদ্দিকা মামলাটি পরিচালনা করেন।