ঢাকা ০৬:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

ইউনূসের বিরুদ্ধে সাত কোটি টাকার আত্মসাৎ মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় সাত কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকা সিএমএম আদালতে ঢাকার সাভারস্থ মেসার্স তাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক ব্যবসায়ী মো. বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ এ মামলা দায়ের করেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুনানি শেষে রাজধানীর পল্লবী থানাকে অভিযোগ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, দুই কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামানকেও আসামিরা করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবোতে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ১৬২ বিঘা জায়গার উপর ‘ঘোষবাগ’ প্রকল্পে আংশিক জায়গায় বালু ভরাটের জন্য বাদীর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিবাদীদের ৫০ লাখ সিএফটি বালু ভরাটের চুক্তি হয়। বাদীর প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী চার কিলোমিটারজুড়ে পাইপ স্থাপন করে জুন ২০১৫ সাল থেকে নভেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বালু ভরাট করে। ওই টাকার মধ্যে বিবাদীরা বাদীকে এক কোটি সাত লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা বিল প্রদান করেন। অবশিষ্ট চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকা পাওনা হলে বাদী তা দেওয়ার জন্য চারটি বিল সাবমিট করলেও বিবাদীরা ‘দেই’ ‘দিচ্ছি’ করে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাদী টাকা না দেওয়ায় বালু ভরাট বন্ধ করে দেন। ফলে বাদী ওই টাকা আদায়ের জন্য লিগ্যাল নোটিশ দিলেও বিবাদীরা টাকা দেয়নি।

মামলায় চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকার সঙ্গে দুই কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ডেমারেজ ক্ষতিপূরণসহ মোট ছয় কোটি ৮৫ হাজার ৮৯ হাজার চার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে টোল নিচ্ছে না ইরান, জানালেন ট্রাম্প

ইউনূসের বিরুদ্ধে সাত কোটি টাকার আত্মসাৎ মামলা

আপডেট সময় ০৮:২২:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

প্রায় সাত কোটি টাকা প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের চেয়ারম্যান নোবেল বিজয়ী ড. মুহম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকা সিএমএম আদালতে ঢাকার সাভারস্থ মেসার্স তাজ এন্টারপ্রাইজের মালিক ব্যবসায়ী মো. বাহাদুর ইসলাম ইমতিয়াজ এ মামলা দায়ের করেন।

ঢাকা মহানগর হাকিম সুব্রত ঘোষ শুনানি শেষে রাজধানীর পল্লবী থানাকে অভিযোগ তদন্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় ড. ইউনূস ছাড়াও গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল হাসান, দুই কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম ও আসাদুজ্জামানকেও আসামিরা করা হয়েছে।

মামলায় বলা হয়, ঢাকা জেলার আশুলিয়া থানাধীন জিরাবোতে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্ট ১৬২ বিঘা জায়গার উপর ‘ঘোষবাগ’ প্রকল্পে আংশিক জায়গায় বালু ভরাটের জন্য বাদীর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে বিবাদীদের ৫০ লাখ সিএফটি বালু ভরাটের চুক্তি হয়। বাদীর প্রতিষ্ঠান চুক্তি অনুযায়ী চার কিলোমিটারজুড়ে পাইপ স্থাপন করে জুন ২০১৫ সাল থেকে নভেম্বর ২০১৬ পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কোটি টাকার বালু ভরাট করে। ওই টাকার মধ্যে বিবাদীরা বাদীকে এক কোটি সাত লাখ ৫১ হাজার ৭৮৪ টাকা বিল প্রদান করেন। অবশিষ্ট চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকা পাওনা হলে বাদী তা দেওয়ার জন্য চারটি বিল সাবমিট করলেও বিবাদীরা ‘দেই’ ‘দিচ্ছি’ করে ঘুরাতে থাকেন। পরে বাদী টাকা না দেওয়ায় বালু ভরাট বন্ধ করে দেন। ফলে বাদী ওই টাকা আদায়ের জন্য লিগ্যাল নোটিশ দিলেও বিবাদীরা টাকা দেয়নি।

মামলায় চার কোটি ১৬ লাখ ২৯ হাজার ৪.২৬ টাকার সঙ্গে দুই কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা ডেমারেজ ক্ষতিপূরণসহ মোট ছয় কোটি ৮৫ হাজার ৮৯ হাজার চার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে।