ঢাকা ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিভোর্সের জন্য দায়ী কবুতর খেলা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রদেশে বেড়ে যাচ্ছে ডিভোর্সের হার। আর সেখানকার জনপ্রিয় কবুতর খেলার প্রতি মানুষের ভালোবাসাকেই ডিভোর্সের জন্য দায়ী করা হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হচ্ছে। সেন্ট্রাল জাভা প্রদেশের পূর্বালিঙ্গা রিলিজিয়াস কোর্টের একজন কর্মকর্তা দেশটির সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্টকে জানিয়েছেন, তাদের অফিসে জুলাই মাসেই অন্তত ৯০টি ডিভোর্সের পিটিশন হয়েছে। অথচ জুন মাসে এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ১৩।

কোর্টের একজন কর্মকর্তা নূর আফলাহ বলছেন, “যারা ডিভোর্সের পিটিশন করছেন তারা সবাই নারী। তারা অর্থনৈতিক বিষয়কে কারণ হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন তাদের স্বামীরা কবুতর খেলা নিয়ে খুব বেশি পরিমাণে আসক্ত।” কবুতর খেলা ইন্দোনেশিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে প্রতিযোগিদের সাধারণত অর্থ পুরস্কার দেয়া হয় এবং এই খেলায় যে কবুতর প্রথম হয়, আশা করা হয় তাকে হাজার রুপিতে বিক্রি করা যাবে।

মিস আফলাহ বলছেন, স্বামীরা সারাদিন তাদের কবুতর নিয়ে মেতে থাকে এবং সংসারের প্রতি একটুও মনোযোগ বা সময় না দেয়ার কারণে তাদের স্ত্রীরা অত্যন্ত রাগান্বিত। এছাড়া অর্থনৈতিক অবস্থাও এই পরিস্থিতি আরো কঠিন করে তুলেছে।

“পূর্বালিঙ্গায় অনেক নারী শ্রমিক আছে যাদের স্বামীরা বেকার। কিছুই করতে চায় না তারা। বেশিরভাগই ‘পাইলট’ হিসেবে পরিচিত। এখানে ‘পাইলট’ মানে বিমান উড়ানো নয়। এইসব পুরুষ তাদের নিজেদের কবুতরদের খেলায় ভালো প্রতিযোগী বানানোর চেষ্টা মগ্ন থাকে” পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন নূর আফলাহ।

এছাড়া, কবুতর প্রতিযোগিতা নিয়ে যে জুয়া খেলা চলে সেটাও অনেক পরিবারের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ।

একজন গ্রামবাসী সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্টকে জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতায় কবুতর জয়ী হলে কিছু টাকা তার স্বামী তাকে দেয়, কিন্তু বেশিরভাগ সময় সিগারেটের টাকাও নিজের স্ত্রীর কাছ থেকে নেয় ওই ব্যক্তি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিভোর্সের জন্য দায়ী কবুতর খেলা

আপডেট সময় ০৬:৫১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ইন্দোনেশিয়ার একটি প্রদেশে বেড়ে যাচ্ছে ডিভোর্সের হার। আর সেখানকার জনপ্রিয় কবুতর খেলার প্রতি মানুষের ভালোবাসাকেই ডিভোর্সের জন্য দায়ী করা হচ্ছে। দেশটির বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এমনটাই বলা হচ্ছে। সেন্ট্রাল জাভা প্রদেশের পূর্বালিঙ্গা রিলিজিয়াস কোর্টের একজন কর্মকর্তা দেশটির সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্টকে জানিয়েছেন, তাদের অফিসে জুলাই মাসেই অন্তত ৯০টি ডিভোর্সের পিটিশন হয়েছে। অথচ জুন মাসে এই সংখ্যাটা ছিল মাত্র ১৩।

কোর্টের একজন কর্মকর্তা নূর আফলাহ বলছেন, “যারা ডিভোর্সের পিটিশন করছেন তারা সবাই নারী। তারা অর্থনৈতিক বিষয়কে কারণ হিসেবে তুলে ধরে বলেছেন তাদের স্বামীরা কবুতর খেলা নিয়ে খুব বেশি পরিমাণে আসক্ত।” কবুতর খেলা ইন্দোনেশিয়ায় অত্যন্ত জনপ্রিয়। যেখানে প্রতিযোগিদের সাধারণত অর্থ পুরস্কার দেয়া হয় এবং এই খেলায় যে কবুতর প্রথম হয়, আশা করা হয় তাকে হাজার রুপিতে বিক্রি করা যাবে।

মিস আফলাহ বলছেন, স্বামীরা সারাদিন তাদের কবুতর নিয়ে মেতে থাকে এবং সংসারের প্রতি একটুও মনোযোগ বা সময় না দেয়ার কারণে তাদের স্ত্রীরা অত্যন্ত রাগান্বিত। এছাড়া অর্থনৈতিক অবস্থাও এই পরিস্থিতি আরো কঠিন করে তুলেছে।

“পূর্বালিঙ্গায় অনেক নারী শ্রমিক আছে যাদের স্বামীরা বেকার। কিছুই করতে চায় না তারা। বেশিরভাগই ‘পাইলট’ হিসেবে পরিচিত। এখানে ‘পাইলট’ মানে বিমান উড়ানো নয়। এইসব পুরুষ তাদের নিজেদের কবুতরদের খেলায় ভালো প্রতিযোগী বানানোর চেষ্টা মগ্ন থাকে” পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে বলেন নূর আফলাহ।

এছাড়া, কবুতর প্রতিযোগিতা নিয়ে যে জুয়া খেলা চলে সেটাও অনেক পরিবারের অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ।

একজন গ্রামবাসী সংবাদমাধ্যম জাকার্তা পোস্টকে জানিয়েছেন, প্রতিযোগিতায় কবুতর জয়ী হলে কিছু টাকা তার স্বামী তাকে দেয়, কিন্তু বেশিরভাগ সময় সিগারেটের টাকাও নিজের স্ত্রীর কাছ থেকে নেয় ওই ব্যক্তি।