ঢাকা ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

এবার সবার অংশগ্রহণে ভোট হবে বিতর্কমুক্ত: সিইসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দল অংশ নেবে, এ বিষয়ে নিশ্চিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আর এই নির্বাচন বিতর্কমুক্ত হবে বলেও নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি।

নুরুল হুদা বলেন, ‘আ‘গামী নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণেই হবে। এ লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। যেহেতু এখন পর্যন্ত কোনো দলই বলেনি নির্বাচনে অংশ নেবে না। সেক্ষেত্রে আমি আশা রাখছি, সকল দল নির্বাচনে অংশ নেবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচন হয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও সমমনাদেরকে ছাড়াই। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণে এই ভোট নিয়ে এখনও আপত্তি জানিয়ে যাচ্ছে বিএনপি।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব পাওয়া নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের জন্য আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এরই মধ্যে তারা নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কার করা হচ্ছে নির্বাচনী আইন, ৩৮ আসনের সীমানা পরিবর্তনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সংলাপও করেছে তারা।

অবশ্য নির্বাচনে সব দলের আশার বিষয়টি নিশ্চিত করার বিষয়টি কমিশনকেন্দ্রীক নয়, বরং নির্বাচনকালীন সরকারে কে থাকবে, তা নিয়েই বিতর্ক চলছে। গত নির্বাচন বিএনপি বর্জন করেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে করবে না বলে। এবারও তারা নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি জানিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গিয়ে সম্প্রতি সিইসি বলেছেন, ভোটে সব দলকে আনতে কমিশনের পক্ষ থেকে কিছু করার নেই। আর এই বক্তব্যের জন্য তার সমালোচনাও করেছে বিএনপি।

আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলকের পাশাপাশি সুষ্ঠু ও বিতর্কমুক্ত হবে, সে নিশ্চয়তাও দিচ্ছেন সিইসি। বলেন, ‘নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সে ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। এই নির্বাচনে যেন কোনো বিতর্ক না হয়, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে। কেউ চাইলেও আগামী নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারবে না ।’

‘সব দলের অংশগ্রহণে একটা সুন্দর নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেওয়াটাই কমিশনের লক্ষ্য।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ মো. শহীদুল্লাহ, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী কমিশনার সমর কুমার পাল, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

এবার সবার অংশগ্রহণে ভোট হবে বিতর্কমুক্ত: সিইসি

আপডেট সময় ০৭:২৫:১৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ সব দল অংশ নেবে, এ বিষয়ে নিশ্চিত প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা। আর এই নির্বাচন বিতর্কমুক্ত হবে বলেও নিশ্চয়তা দিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন সিইসি।

নুরুল হুদা বলেন, ‘আ‘গামী নির্বাচন সকল দলের অংশগ্রহণেই হবে। এ লক্ষ্যে কমিশন কাজ করে যাচ্ছে। যেহেতু এখন পর্যন্ত কোনো দলই বলেনি নির্বাচনে অংশ নেবে না। সেক্ষেত্রে আমি আশা রাখছি, সকল দল নির্বাচনে অংশ নেবে।’

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির দশম সংসদ নির্বাচন হয়েছে বিএনপি-জামায়াত ও সমমনাদেরকে ছাড়াই। আর ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং জাতীয় পার্টির অংশগ্রহণে এই ভোট নিয়ে এখনও আপত্তি জানিয়ে যাচ্ছে বিএনপি।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব পাওয়া নুরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের জন্য আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এরই মধ্যে তারা নানা প্রস্তুতি নিয়েছে। সংস্কার করা হচ্ছে নির্বাচনী আইন, ৩৮ আসনের সীমানা পরিবর্তনের উদ্যোগও নেয়া হয়েছে। নিবন্ধিত ৪০টি রাজনৈতিক দল, নাগরিক সমাজ, নারী সংগঠন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, গণমাধ্যম কর্মীদের সঙ্গে সংলাপও করেছে তারা।

অবশ্য নির্বাচনে সব দলের আশার বিষয়টি নিশ্চিত করার বিষয়টি কমিশনকেন্দ্রীক নয়, বরং নির্বাচনকালীন সরকারে কে থাকবে, তা নিয়েই বিতর্ক চলছে। গত নির্বাচন বিএনপি বর্জন করেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের অধীনে করবে না বলে। এবারও তারা নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবি জানিয়ে যাচ্ছে।

এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে গিয়ে সম্প্রতি সিইসি বলেছেন, ভোটে সব দলকে আনতে কমিশনের পক্ষ থেকে কিছু করার নেই। আর এই বক্তব্যের জন্য তার সমালোচনাও করেছে বিএনপি।

আগামী নির্বাচন অংশগ্রহণমূলকের পাশাপাশি সুষ্ঠু ও বিতর্কমুক্ত হবে, সে নিশ্চয়তাও দিচ্ছেন সিইসি। বলেন, ‘নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হয় সে ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি নিচ্ছে কমিশন। এই নির্বাচনে যেন কোনো বিতর্ক না হয়, সে ব্যাপারে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা থাকবে। কেউ চাইলেও আগামী নির্বাচনকে বিতর্কিত করতে পারবে না ।’

‘সব দলের অংশগ্রহণে একটা সুন্দর নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দেওয়াটাই কমিশনের লক্ষ্য।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাতের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা পুলিশ মো. শহীদুল্লাহ, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা সৈয়দ আমিরুল ইসলাম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম, পৌরসভার মেয়র তোফাজ্জল হোসেন, সহকারী কমিশনার সমর কুমার পাল, উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।