ঢাকা ১২:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘মৌলিক জ্ঞান না থাকলে কোচিংয়ে আসা উচিত নয়’:তামিম ইকবাল আপসকামিতা নয়, স্বৈরাচারকে প্রতিহত করার ইতিহাস বিএনপির: জাহিদ হোসেন পটিয়া থানার ২শ গজ সামনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল হবিগঞ্জে হামলার ঘটনায় ১১ জনের নামে এনসিপির মামলা বর্তমান সরকারের আমলে রাষ্ট্রীয় মদদে কোনো দুর্নীতি গুম খুন হয়নি হবিগঞ্জে গিয়ে মামলা না করে আমরা ফিরব না: এমপি হাসনাত যুব জামায়াত নেতার কাণ্ড; বিধবা নারীকে ধর্ষণের পর গর্ভপাতের অভিযোগ:দল থেকে সদস্যপদ স্থগিত মানবতার মুক্তিতে ইসলামের আদর্শের বিজয়ের বিকল্প নেই: চরমোনাই পীর সব প্রকল্পের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য:জহির উদ্দিন স্বপন হঠাৎ ৬ মুসলিম দেশের যৌথ সামরিক মহড়া, কী বার্তা দিচ্ছে

এমন নির্মম প্রাণহানি আর চাই না

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডু ট্রাজেডিতে নিহত বিমান যাত্রীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা পরিবার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভাগের দীর্ঘ করিডোরে সারিবদ্ধভাবে আলো জ্বেলে নিহতদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ব্যক্ত করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সভাপতি, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান; বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম; সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্র-উপদেষ্টা কামরুন নাহার; প্রভাষক নাহিদা বেগমসহ বিভাগের বিভিন্ন আবর্তনের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

মোমবাতি প্রজ্জ্বলন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এই বিমান ট্রাজেডি পুরো জাতি তথা বিশ্বের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমরা এমন নির্মম প্রাণহানি আর চাই না। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনায় থেমে গেছে কত প্রাণ, থমকে গেছে কত স্বপ্ন! এভাবে আর কোনো স্বপ্নের পতনও চাই না আমরা। বাংলাদেশসহ নিহত অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পরকালের জীবন শান্তিময় হোক। একইসাথে তাদের শোকবিহ্বল পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা ধৈর্য ধরার শক্তি দিক।’

এদিকে বৃহস্পতিবার বাংলা বিভাগের ৬ষ্ঠ আবর্তনের (বর্ণমালা) শিক্ষার্থীদের তিন বছর পূর্তি হয়েছে। নেপাল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখেই তারা তাদের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানটি স্থগিত করে। এ বিষয়টিকে সাধুবাদ জানান শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হন। এই ঘটনায় বাংলাদেশ, নেপালসহ পুরো বিশ্বে শোকের ছায়া নেমে আসে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এমন নির্মম প্রাণহানি আর চাই না

আপডেট সময় ১০:৫১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সম্প্রতি নেপালের কাঠমান্ডু ট্রাজেডিতে নিহত বিমান যাত্রীদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত ও শান্তি কামনা করে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেছে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা পরিবার।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভাগের দীর্ঘ করিডোরে সারিবদ্ধভাবে আলো জ্বেলে নিহতদের বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ ও তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সহানুভূতি ব্যক্ত করেন বাংলা বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা বিভাগের সভাপতি, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন ড. জি. এম. মনিরুজ্জামান; বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো: মোকাদ্দেস-উল-ইসলাম; সহকারী অধ্যাপক ও ছাত্র-উপদেষ্টা কামরুন নাহার; প্রভাষক নাহিদা বেগমসহ বিভাগের বিভিন্ন আবর্তনের শিক্ষার্থীবৃন্দ।

মোমবাতি প্রজ্জ্বলন শেষে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় বক্তারা বলেন, ‘অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এই বিমান ট্রাজেডি পুরো জাতি তথা বিশ্বের বিবেককে নাড়া দিয়েছে। আমরা এমন নির্মম প্রাণহানি আর চাই না। অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনায় থেমে গেছে কত প্রাণ, থমকে গেছে কত স্বপ্ন! এভাবে আর কোনো স্বপ্নের পতনও চাই না আমরা। বাংলাদেশসহ নিহত অন্যান্য দেশের নাগরিকদের পরকালের জীবন শান্তিময় হোক। একইসাথে তাদের শোকবিহ্বল পরিবারকে সৃষ্টিকর্তা ধৈর্য ধরার শক্তি দিক।’

এদিকে বৃহস্পতিবার বাংলা বিভাগের ৬ষ্ঠ আবর্তনের (বর্ণমালা) শিক্ষার্থীদের তিন বছর পূর্তি হয়েছে। নেপাল দুর্ঘটনায় বাংলাদেশ সরকার ঘোষিত রাষ্ট্রীয় শোকের প্রতি যথাযথ শ্রদ্ধা রেখেই তারা তাদের বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠানটি স্থগিত করে। এ বিষয়টিকে সাধুবাদ জানান শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বাংলাদেশের ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি বিমান বিধ্বস্ত হয়ে কমপক্ষে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিহত হন। এই ঘটনায় বাংলাদেশ, নেপালসহ পুরো বিশ্বে শোকের ছায়া নেমে আসে।