ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

মিলন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অনুপ্রেরণার একটি নাম: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারা হেফাজতে মারা যাওয়া ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের বাড়িতে গিয়ে কান্নার রোল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বিকালে গাজীপুরের পূবাইলে মাজুখানে মিলনের বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিএনপি মহাসচিব। এ সময় সেখানে এক বেদনাবিধুর পরিবেশের তৈরি হয়।

ছেলের শোকে কাতর বৃদ্ধ মা হোসনে আরা এবং স্ত্রী শাহনাজ তানিয়া আখতারকে সান্তনা দিতে গেলে তারা বিলাপ করে কাঁদতে থাকেন। এ সময় মিলনের দুই ছোট শিশুকন্যাও কান্নায় ভেঙে পড়ে। এই দৃশ্য দেখে ফখরুল নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনিও কাঁদতে থাকেন।

পরে বিএনপির দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মিলনের পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন ফখরুল।

গত ৬ মার্চ তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন মিলনকে আটক করে পুলিশ। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী জাকির মারা যান সোমবার। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর কারাগার থেকে হাসপাতালে আনার পর তার ‍মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে বিএনপির অভিযোগ, অসুস্থতা নয়, পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে এই ছাত্রদল নেতার।

সকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মিলনের মৃত্যুকে হত্যা দাবি করে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান মির্জা ফখরুল। তিনি এ সময় পুলিশকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে তুলনা করেন।

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মিলনের জানাজা শেষে গাজীপুরের পূবাইলে নিজের বাড়ির কাছে দাফন করা হয় মিলনকে। তার পরিবারকে সান্তনা দিতে গিয়ে মিলনের কবরেও শ্রদ্ধা জানান ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মিলন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অনুপ্রেরণার একটি নাম। তার পরিবার আজকে এক নিদারুন অবস্থার মধ্যে দিনযাপন করছে। আমি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা জানাতে এখানে এসেছি। আমরা সবসময় মিলনের পরিবারের পাশে থাকব।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শান্তিপূর্ন কর্মসূচি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহল ও দেশবাসীর কাছে তুলে ধরছে বিএনপি।’

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাঈদ সোরাপ, জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবুল, স্থানীয় কমিশনার সুলতান উদ্দিন চেয়ারম্যান, ছাত্রদলনেতা সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, নুরুল ইসলাম নুরুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

মিলন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অনুপ্রেরণার একটি নাম: ফখরুল

আপডেট সময় ১১:১২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারা হেফাজতে মারা যাওয়া ছাত্রদল নেতা জাকির হোসেন মিলনের বাড়িতে গিয়ে কান্নার রোল দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলেন না মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বিকালে গাজীপুরের পূবাইলে মাজুখানে মিলনের বাড়িতে তার পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন বিএনপি মহাসচিব। এ সময় সেখানে এক বেদনাবিধুর পরিবেশের তৈরি হয়।

ছেলের শোকে কাতর বৃদ্ধ মা হোসনে আরা এবং স্ত্রী শাহনাজ তানিয়া আখতারকে সান্তনা দিতে গেলে তারা বিলাপ করে কাঁদতে থাকেন। এ সময় মিলনের দুই ছোট শিশুকন্যাও কান্নায় ভেঙে পড়ে। এই দৃশ্য দেখে ফখরুল নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি। তিনিও কাঁদতে থাকেন।

পরে বিএনপির দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মিলনের পরিবারের হাতে আর্থিক অনুদান তুলে দেন ফখরুল।

গত ৬ মার্চ তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি জাকির হোসেন মিলনকে আটক করে পুলিশ। কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী জাকির মারা যান সোমবার। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর কারাগার থেকে হাসপাতালে আনার পর তার ‍মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। তবে বিএনপির অভিযোগ, অসুস্থতা নয়, পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যু হয়েছে এই ছাত্রদল নেতার।

সকালে নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মিলনের মৃত্যুকে হত্যা দাবি করে তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানান মির্জা ফখরুল। তিনি এ সময় পুলিশকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সঙ্গে তুলনা করেন।

মঙ্গলবার নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে মিলনের জানাজা শেষে গাজীপুরের পূবাইলে নিজের বাড়ির কাছে দাফন করা হয় মিলনকে। তার পরিবারকে সান্তনা দিতে গিয়ে মিলনের কবরেও শ্রদ্ধা জানান ফখরুল।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘মিলন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অনুপ্রেরণার একটি নাম। তার পরিবার আজকে এক নিদারুন অবস্থার মধ্যে দিনযাপন করছে। আমি দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে সহমর্মিতা জানাতে এখানে এসেছি। আমরা সবসময় মিলনের পরিবারের পাশে থাকব।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শান্তিপূর্ন কর্মসূচি থেকে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনা আন্তর্জাতিক মহল ও দেশবাসীর কাছে তুলে ধরছে বিএনপি।’

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, নির্বাহী কমিটির সদস্য সাঈদ সোরাপ, জেলা সাধারণ সম্পাদক কাজী সাইয়্যেদুল ইসলাম বাবুল, স্থানীয় কমিশনার সুলতান উদ্দিন চেয়ারম্যান, ছাত্রদলনেতা সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, নুরুল ইসলাম নুরুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।