ঢাকা ০৭:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৮ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর জামায়াতকে ডেপুটি স্পিকার পদ নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিশ্বকাপে ব্যর্থতা : পাকিস্তান দলের প্রত্যেককে ৫০ লাখ রুপি জরিমানা চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’, হটলাইন চালু করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী যানজট নিরসনে ট্রাফিক ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি অভিবাসীদের ভিসা দেওয়া স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র কারচুপির অভিযোগ,ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে বিএনপির আরও ৪ প্রার্থী বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের দায়িত্ব নিল আমিরাত মিসাইলের আঘাতে বিধ্বস্ত মার্কিন এফ-১৫ ফাইটার জেট, দাবি ইরানের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো আলোচনায় যাবে না ইরান : লারিজানি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ উপনির্বাচনে আ.লীগের সংগ্রাম জয়ী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর)আসনের উপনিবার্চনে আওয়ামী লীগ বড় জয় পেয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদকে ৪৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নেয়া হয়। ৭৪ কেন্দ্রের কোনোটিতে গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রাতে ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ঘোষিত ফল অনুসারে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৮৬ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির রেজোয়ান আহমেদ পান ৩৩ হাজার ২৫৮ ভোট।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া অপর প্রার্থী মিনার প্রতীক নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে একে এম আশরাফুল হক পেয়েছেন দুই হাজার ২৮৭ ভোট। মোট দুই লাখ ১৪ হাজার ভোটারের মধ্যে মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ২২৯ ভোট।

বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী বিজয়ের খবরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করছে।

ভোট উপলক্ষে দিনভর নির্বাচনী এলাকায় ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৮ জন পুলিশসহ ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১০ জন পুলিশসহ ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

মোবাইল টিমে ২৭৩ জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১৩০ জন পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্সে একশ জন এপিবিএন, প্রতি কেন্দ্রে ১৪ জন করে এক হাজার ৩৬ জন আনসার সদস্য, মোবাইল টিমে ৪০ জন এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১০ জন ব্যাটালিয়ান আনসার এবং সাত প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন হয়।

এই আসনটি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ছায়েদুল হক বলতে গেলে নিজের করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হন। এরপর সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম সংসদ নির্বাচনে পরপর চার বার তিনি এখান থেকে নৌকা প্রতীকে জিতেন।

গত ১৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ছায়েদুল হকের। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে নারীদের জন্য আলাদা বাস সার্ভিস চালুর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ উপনির্বাচনে আ.লীগের সংগ্রাম জয়ী

আপডেট সময় ১১:৩৭:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ (নাসিরনগর)আসনের উপনিবার্চনে আওয়ামী লীগ বড় জয় পেয়েছে। প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টির প্রার্থী রেজোয়ান আহমেদকে ৪৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে হারিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম।

মঙ্গলবার সকাল আটটা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত কড়া নিরাপত্তায় ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোট নেয়া হয়। ৭৪ কেন্দ্রের কোনোটিতে গোলযোগের কোনো খবর পাওয়া যায়নি। রাতে ভোট গণনা শেষে ফল ঘোষণা করা হয়।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের ঘোষিত ফল অনুসারে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের বদরুদ্দোজা মো. ফরহাদ হোসেন সংগ্রাম পেয়েছেন ৮১ হাজার ৩৮৬ ভোট। আর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লাঙ্গল প্রতীকে জাতীয় পার্টির রেজোয়ান আহমেদ পান ৩৩ হাজার ২৫৮ ভোট।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া অপর প্রার্থী মিনার প্রতীক নিয়ে ইসলামী ঐক্যজোটে একে এম আশরাফুল হক পেয়েছেন দুই হাজার ২৮৭ ভোট। মোট দুই লাখ ১৪ হাজার ভোটারের মধ্যে মোট ভোট পড়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ২২৯ ভোট।

বিপুল ভোটের ব্যবধানে নৌকার প্রার্থী বিজয়ের খবরে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিজয় মিছিল করছে।

ভোট উপলক্ষে দিনভর নির্বাচনী এলাকায় ছিল নিরাপত্তার কড়াকড়ি। নির্বাচনী এলাকার প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ৮ জন পুলিশসহ ২২ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১০ জন পুলিশসহ ২৪ জন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়।

মোবাইল টিমে ২৭৩ জন ও স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১৩০ জন পুলিশ, স্ট্রাইকিং ফোর্সে একশ জন এপিবিএন, প্রতি কেন্দ্রে ১৪ জন করে এক হাজার ৩৬ জন আনসার সদস্য, মোবাইল টিমে ৪০ জন এবং স্ট্রাইকিং ফোর্সে ১০ জন ব্যাটালিয়ান আনসার এবং সাত প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ২৬টি মোবাইল টিম মোতায়েন হয়।

এই আসনটি প্রয়াত আওয়ামী লীগ নেতা ছায়েদুল হক বলতে গেলে নিজের করে নিয়েছিলেন। ১৯৭৩ সালে প্রথম সংসদ নির্বাচনে তিনি এখান থেকে নির্বাচিত হন। এরপর সপ্তম, অষ্টম, নবম এবং দশম সংসদ নির্বাচনে পরপর চার বার তিনি এখান থেকে নৌকা প্রতীকে জিতেন।

গত ১৬ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় ছায়েদুল হকের। এরপর আসনটি শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।