ঢাকা ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ অল্পতেই ধৈর্য হারালে দায়িত্ব কীভাবে পালন করবেন: ডা. শফিকুর রহমান ‘ব্রেন ড্রেন’ থেকে ‘ব্রেন সার্কুলেশন’ করতে চায় সরকার: মাহদী আমিন ধর্মান্তরিত হয়ে প্রবাসীকে বিয়ে, ছয় মাস পর তরুণীর রহস্যজনক মৃত্যু দেশের অর্থনীতি গভীর চাপে রয়েছে : নাহিদ ইসলাম শাহবাগে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের বিক্ষোভ মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে: আইনমন্ত্রী আদ-দ্বীন হাসপাতাল কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করেছি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রাজনৈতিকভাবে দেশকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে : জোনায়েদ সাকী নৌ ডাকাতির প্রস্তুতিকালে গ্রেফতার ১০

আমি ভাগ্যবান যে বিধ্বস্ত বিমান থেকে প্রাণে বেঁচেছি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন।

বসন্ত বোহোরা নামে নেপালের একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাশিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে চাকরি করেন।

বসন্ত বোহোরা নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ‘বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির ১৬ জন নেপালের নাগরিক ছিলাম। আমরা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটিতে তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। এরপরই বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। আমার সিট বিমানটির জানালার পাশে ছিল। জানালা ভেঙে আমি বাইরে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই।’

বসন্ত বোহোরা থাপাথলির নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বসন্ত বোহোরা আরো বলেন, ‘বিমান থেকে বের হবার আমার কোনো জ্ঞান ছিল না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর আমার বন্ধুরা আমাকে নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার মাথায় এবং পায়ে চোট পেয়েছি। আমার ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রস্তাবিত বাজেট ব্যবসাবান্ধব: বিজিএমইএ

আমি ভাগ্যবান যে বিধ্বস্ত বিমান থেকে প্রাণে বেঁচেছি

আপডেট সময় ০৪:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন।

বসন্ত বোহোরা নামে নেপালের একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাশিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে চাকরি করেন।

বসন্ত বোহোরা নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ‘বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির ১৬ জন নেপালের নাগরিক ছিলাম। আমরা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটিতে তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। এরপরই বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। আমার সিট বিমানটির জানালার পাশে ছিল। জানালা ভেঙে আমি বাইরে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই।’

বসন্ত বোহোরা থাপাথলির নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বসন্ত বোহোরা আরো বলেন, ‘বিমান থেকে বের হবার আমার কোনো জ্ঞান ছিল না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর আমার বন্ধুরা আমাকে নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার মাথায় এবং পায়ে চোট পেয়েছি। আমার ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।’