ঢাকা ০৫:০০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

আমি ভাগ্যবান যে বিধ্বস্ত বিমান থেকে প্রাণে বেঁচেছি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন।

বসন্ত বোহোরা নামে নেপালের একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাশিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে চাকরি করেন।

বসন্ত বোহোরা নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ‘বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির ১৬ জন নেপালের নাগরিক ছিলাম। আমরা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটিতে তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। এরপরই বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। আমার সিট বিমানটির জানালার পাশে ছিল। জানালা ভেঙে আমি বাইরে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই।’

বসন্ত বোহোরা থাপাথলির নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বসন্ত বোহোরা আরো বলেন, ‘বিমান থেকে বের হবার আমার কোনো জ্ঞান ছিল না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর আমার বন্ধুরা আমাকে নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার মাথায় এবং পায়ে চোট পেয়েছি। আমার ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

আমি ভাগ্যবান যে বিধ্বস্ত বিমান থেকে প্রাণে বেঁচেছি

আপডেট সময় ০৪:৫৭:২৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে (টিআইএ) ইউএস বাংলা এয়ারলাইনসের বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় অন্তত ৫০ জনের প্রাণহানি হয়েছে বলে জানিয়েছে নেপালের সেনাবহিনী। বিমানের ১৭ যাত্রীকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে কাঠমান্ডুর বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

সোমবার দুপুরে অবতরণের সময় ত্রিভুবন বিমানবন্দরে বিএস ২১১ বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ৭৮ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানটিতে ৬৭ যাত্রী ও চারজন ক্রু ছিলেন।

বসন্ত বোহোরা নামে নেপালের একজন যাত্রীকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি রাশিতা ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরসে চাকরি করেন।

বসন্ত বোহোরা নেপালের দৈনিক কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ‘বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সির ১৬ জন নেপালের নাগরিক ছিলাম। আমরা বাংলাদেশে প্রশিক্ষণের জন্য গিয়েছিলাম।

তিনি আরো বলেন, ‘হঠাৎ করেই বিমানটিতে তীব্র ঝাঁকুনি শুরু হয়। এরপরই বিকট শব্দে আছড়ে পড়ে। আমার সিট বিমানটির জানালার পাশে ছিল। জানালা ভেঙে আমি বাইরে বের হয়ে আসতে সক্ষম হই।’

বসন্ত বোহোরা থাপাথলির নরভিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।

বসন্ত বোহোরা আরো বলেন, ‘বিমান থেকে বের হবার আমার কোনো জ্ঞান ছিল না। কেউ একজন আমাকে সিনামঙ্গল হাসপাতালে নিয়ে আসে। এরপর আমার বন্ধুরা আমাকে নরভিক হাসপাতালে ভর্তি করায়। আমার মাথায় এবং পায়ে চোট পেয়েছি। আমার ভাগ্যবান যে বেঁচে গেছি।’