ঢাকা ০৬:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

গুম হয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করার ছয় মাস পরেও জাতিগত নিধন অভিযান বন্ধ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক একজন কর্মকর্তা। জাতিসংঘের এই দূত বলেছেন, সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ অব্যাহত রয়েছে। এখনও বহু মানুষ না খেয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

বাংলাদেশে চার দিনের সফর শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সহকারী মহাসচিব এন্ড্রু গিলমোর বলেছেন, সংখ্যালঘু এই মুসলিম বর্মী জনগোষ্ঠীর ওপর এখনও পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা চালানো হচ্ছে। তবে এ ধরনের কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে অতি সম্প্রতি যারা বাংলাদেশে এসে ক্যাম্পে উঠেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে, গ্রাম থেকে লোকজন গুম হয়ে যাচ্ছে। তারা বলেছেন, বিশেষ করে গ্রামের নারী ও মেয়ে-শিশুরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে এবং তাদের পরে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

গিলমর আরো বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারের যে পরিস্থিতি তাতে সেখানে ফিরে গিয়ে নিরাপদে বসবাস করা অসম্ভব। মিয়ানমার সরকার সারা বিশ্বকে এটা বলতে ব্যস্ত যে তারা রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত, কিন্তু ঠিক একই সময়ে তার বিভিন্ন বাহিনী রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

তবে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী শুরু থেকেই বলে আসছে যে তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এন্ড্রু গিলমোর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কক্সবাজার ঘুরে দেখে বলেন, সেখানে আমি যা দেখেছি, যা শুনেছি তা থেকে অন্য কিছু উপসংহার টানা যায় না। হত্যা ও গণধর্ষণের পরিবর্তে এখন সেখানে একটু কম মাত্রায় সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে, লোকজনকে ক্ষুধার্ত থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে তবে গত সপ্তাহে সীমান্তে বর্মী সৈন্যের সমাবেশ ঘটানোয় নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

গুম হয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গা নারীরা

আপডেট সময় ০৯:৫৮:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমার সরকার রাখাইন রাজ্যে অভিযান শুরু করার ছয় মাস পরেও জাতিগত নিধন অভিযান বন্ধ করেনি বলে অভিযোগ করেছেন জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক একজন কর্মকর্তা। জাতিসংঘের এই দূত বলেছেন, সেখানে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ওপর ‘সন্ত্রাসের রাজত্ব’ অব্যাহত রয়েছে। এখনও বহু মানুষ না খেয়ে থাকতে বাধ্য হচ্ছেন। খবর বিবিসি বাংলার।

বাংলাদেশে চার দিনের সফর শেষে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক সহকারী মহাসচিব এন্ড্রু গিলমোর বলেছেন, সংখ্যালঘু এই মুসলিম বর্মী জনগোষ্ঠীর ওপর এখনও পরিকল্পিতভাবে সহিংসতা চালানো হচ্ছে। তবে এ ধরনের কিছুটা পরিবর্তন ঘটেছে।

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে অতি সম্প্রতি যারা বাংলাদেশে এসে ক্যাম্পে উঠেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন যে, গ্রাম থেকে লোকজন গুম হয়ে যাচ্ছে। তারা বলেছেন, বিশেষ করে গ্রামের নারী ও মেয়ে-শিশুরা নিখোঁজ হয়ে যাচ্ছে এবং তাদের পরে আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

গিলমর আরো বলেন, বর্তমানে মিয়ানমারের যে পরিস্থিতি তাতে সেখানে ফিরে গিয়ে নিরাপদে বসবাস করা অসম্ভব। মিয়ানমার সরকার সারা বিশ্বকে এটা বলতে ব্যস্ত যে তারা রোহিঙ্গাদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত, কিন্তু ঠিক একই সময়ে তার বিভিন্ন বাহিনী রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে পাঠিয়ে দিচ্ছে।

তবে নির্যাতনের অভিযোগ অস্বীকার করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী শুরু থেকেই বলে আসছে যে তারা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে। এন্ড্রু গিলমোর বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কক্সবাজার ঘুরে দেখে বলেন, সেখানে আমি যা দেখেছি, যা শুনেছি তা থেকে অন্য কিছু উপসংহার টানা যায় না। হত্যা ও গণধর্ষণের পরিবর্তে এখন সেখানে একটু কম মাত্রায় সন্ত্রাস চালানো হচ্ছে, লোকজনকে ক্ষুধার্ত থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার জন্য বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছে তবে গত সপ্তাহে সীমান্তে বর্মী সৈন্যের সমাবেশ ঘটানোয় নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।