ঢাকা ০৯:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

স্কুলে ১৭ নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভে মার্কিনিরা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এক বন্দুকধারীর হামলায় ১৭ জন নিহতের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ মার্কিনিরা। স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এবং সাধারণ নাগরিক।

মঙ্গলবার দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদেরা জড়ো হয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের সামনে। তাদের সকলেরই দাবি, স্কুল বা কলেজ চত্বরে এই ধরনের হামলা যাতে আর না হয়, সরকারকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে হামলার ঘটনার পর ফ্লোরিডার একটি আদালতের সামনে বিক্ষোভ করেছিল সাধারণ মার্কিনিরা। তবে এতে কোনো সাড়া মেলেনি কর্তৃপক্ষের। এবার হোয়াইট হাউসের সামনে জোরালো বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন সাধারণ মার্কিনিরা।

এসময় হোয়াইট হাউসের সামনের রাস্তায় শুয়ে পড়েন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ঢিলেঢালা বন্দুক নীতির বিপক্ষে কিছু একটা করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি দাবি জানান তারা।

বন্দুকধারীর হামলার পর ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ)-কে সমর্থন করায় ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে বিক্ষোভকারীরা।

কারও হাতে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘এর পর কি আমি?’ ভার্জিনিয়ার আলেজান্দ্রিয়া থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে এসেছিল বছর ষোলোর কিশোরী এলা ফেসলার। সে জানায়, ‘আমাদের রাগটা দেখানো এখন খুব জরুরি। এ ভাবেও যদি আমেরিকার বন্দুক নীতিতে কোনও পরিবর্তন আনতে পারি।’

সেই সঙ্গেই ওই ছাত্রী আরো জানায়, ‘রোজ যখন স্কুলে যাওয়ার সময় বাবা-মাকে বাই বলি, আমার মনেও কিন্তু ভয়টা থাকে, কী জানি হয়তো আর কোনো দিন ওদের দেখতে পাবো না।’

এদিকে এ বিক্ষোভের পর এ বিষয়ে কথা বলেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সারা স্যান্ডার্স জানিয়েছেন, ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই দুই সিনেটরের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট।

‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ আমেরিকায় বন্দুক কেনার আগে ক্রেতার অতীত ইতিহাস ঘেঁটে দেখার একটি নিয়ম। এ নিয়মে কেউ বন্দুক কিনতে গেলে তাকে একটা ফরম পূরণ করতে হয়। পরে কম্পিউটার বা ফোনের মাধ্যমে ওই ক্রেতা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয় এফবিআই।

কারো কোনো অপরাধের রেকর্ড থাকলে তাকে বন্দুক কেনার লাইসেন্স দেওয়া হয় না। তবে ফেডেরাল আইনের আওতায় এই নিয়ম মানা হয় না। অর্থাৎ কেউ যদি বন্দুক কিনে নিজের প্রদেশের বাইরে না যেতে চান, সে ক্ষেত্রে তার অতীত ইতিহাস দেখা হয় না। নতুন বিলের মাধ্যমে এই আইনেই পরিবর্তন আনতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

স্কুলে ১৭ নিহতের ঘটনায় বিক্ষোভে মার্কিনিরা

আপডেট সময় ০৪:৫২:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে এক বন্দুকধারীর হামলায় ১৭ জন নিহতের ঘটনায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছে সাধারণ মার্কিনিরা। স্কুলে বন্দুক হামলার ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় দেশের অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন কঠোর করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী এবং সাধারণ নাগরিক।

মঙ্গলবার দেশের নানা প্রান্ত থেকে ছাত্রছাত্রী, অভিভাবক, শিক্ষাবিদেরা জড়ো হয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের সামনে। তাদের সকলেরই দাবি, স্কুল বা কলেজ চত্বরে এই ধরনের হামলা যাতে আর না হয়, সরকারকে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

এর আগে হামলার ঘটনার পর ফ্লোরিডার একটি আদালতের সামনে বিক্ষোভ করেছিল সাধারণ মার্কিনিরা। তবে এতে কোনো সাড়া মেলেনি কর্তৃপক্ষের। এবার হোয়াইট হাউসের সামনে জোরালো বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন সাধারণ মার্কিনিরা।

এসময় হোয়াইট হাউসের সামনের রাস্তায় শুয়ে পড়েন বিক্ষোভকারী শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ। ঢিলেঢালা বন্দুক নীতির বিপক্ষে কিছু একটা করতে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি দাবি জানান তারা।

বন্দুকধারীর হামলার পর ন্যাশনাল রাইফেল অ্যাসোসিয়েশন (এনআরএ)-কে সমর্থন করায় ট্রাম্পের কঠোর সমালোচনা করে বিক্ষোভকারীরা।

কারও হাতে প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, ‘এর পর কি আমি?’ ভার্জিনিয়ার আলেজান্দ্রিয়া থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে এসেছিল বছর ষোলোর কিশোরী এলা ফেসলার। সে জানায়, ‘আমাদের রাগটা দেখানো এখন খুব জরুরি। এ ভাবেও যদি আমেরিকার বন্দুক নীতিতে কোনও পরিবর্তন আনতে পারি।’

সেই সঙ্গেই ওই ছাত্রী আরো জানায়, ‘রোজ যখন স্কুলে যাওয়ার সময় বাবা-মাকে বাই বলি, আমার মনেও কিন্তু ভয়টা থাকে, কী জানি হয়তো আর কোনো দিন ওদের দেখতে পাবো না।’

এদিকে এ বিক্ষোভের পর এ বিষয়ে কথা বলেছে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব সারা স্যান্ডার্স জানিয়েছেন, ‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ বিল নিয়ে ইতিমধ্যেই দুই সিনেটরের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রেসিডেন্ট।

‘ব্যাকগ্রাউন্ড চেক’ আমেরিকায় বন্দুক কেনার আগে ক্রেতার অতীত ইতিহাস ঘেঁটে দেখার একটি নিয়ম। এ নিয়মে কেউ বন্দুক কিনতে গেলে তাকে একটা ফরম পূরণ করতে হয়। পরে কম্পিউটার বা ফোনের মাধ্যমে ওই ক্রেতা সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয় এফবিআই।

কারো কোনো অপরাধের রেকর্ড থাকলে তাকে বন্দুক কেনার লাইসেন্স দেওয়া হয় না। তবে ফেডেরাল আইনের আওতায় এই নিয়ম মানা হয় না। অর্থাৎ কেউ যদি বন্দুক কিনে নিজের প্রদেশের বাইরে না যেতে চান, সে ক্ষেত্রে তার অতীত ইতিহাস দেখা হয় না। নতুন বিলের মাধ্যমে এই আইনেই পরিবর্তন আনতে চাইছে ট্রাম্প প্রশাসন।