ঢাকা ০৯:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

আত্মহত্যা নয়, দিয়াজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে : সিআইডি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ছাত্রলীগ নেতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রোববার তিনি এই তথ্য জানান।

দিয়াজ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। তবে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক বলেছেন, দিয়াজের মৃত্যু শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড।” তবে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ প্রতিবেদনের বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “গত বৃহস্পতিবার সিআইডি আমাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিয়ে গেছে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দিয়াজ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন। গত বছরের ২০ নভেম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট এলাকার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার নিয়ে জটিলতার জেরে দিয়াজকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তের পর ২৩ নভেম্বর চিকিৎসকরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই সহ-সম্পাদক ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে জানান। কিন্তু ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা টিপু ও সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য দিয়াজের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা দিয়াজের দেহে জখম পাওয়ার কথা জানান।

গত ২০ মার্চ ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একমাসের মধ্যে দিয়াজের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আত্মহত্যা নয়, দিয়াজকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে : সিআইডি

আপডেট সময় ০৮:২৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা দিয়াজ ইরফান চৌধুরীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবীর। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এই ছাত্রলীগ নেতার দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হওয়ার চিকিৎসকের বরাত দিয়ে রোববার তিনি এই তথ্য জানান।

দিয়াজ হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হুমায়ুন বলেন, “ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এখনো হাতে পাইনি। তবে ময়না তদন্তকারী চিকিৎসক বলেছেন, দিয়াজের মৃত্যু শ্বাসরোধজনিত হত্যাকাণ্ড।” তবে দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত কর্মকর্তা ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান ডা. সোহেল মাহমুদ প্রতিবেদনের বিষয়ে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, “গত বৃহস্পতিবার সিআইডি আমাদের কাছ থেকে প্রতিবেদন নিয়ে গেছে।”

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি দিয়াজ কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সম্পাদক ছিলেন। গত বছরের ২০ নভেম্বরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেইট এলাকার বাসা থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় দিয়াজের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। লাশ উদ্ধারের পর দিয়াজের অনুসারী ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা দাবি করেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার নিয়ে জটিলতার জেরে দিয়াজকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

এর মধ্যে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রথম ময়নাতদন্তের পর ২৩ নভেম্বর চিকিৎসকরা ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এই সহ-সম্পাদক ‘আত্মহত্যা করেছেন’ বলে জানান। কিন্তু ওই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে ২৪ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ নেতা টিপু ও সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন দিয়াজের মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। পরে আদালতের নির্দেশে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের জন্য দিয়াজের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবার ময়নাতদন্তের পর চিকিৎসকরা দিয়াজের দেহে জখম পাওয়ার কথা জানান।

গত ২০ মার্চ ডা. সোহেল মাহমুদের নেতৃত্বে ফরেনসিক বিভাগের একটি টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, একমাসের মধ্যে দিয়াজের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন দেয়া হবে।