ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশটা আমাদের সবার, পরিবেশও আমাদেরই রক্ষা করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী বিদেশি ঋণের সুদাসল পরিশোধে গেছে ৪৪৯ কোটি ডলার ধামরাইয়ে স্বামীর মারধরে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূর মৃত্যু, স্বামী গ্রেপ্তার জুলাই গণহত্যায় জড়িত পুলিশ কর্মকর্তাদের বিষয়ে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য সরকারি দপ্তরে এআই ব্যবহারে সতর্কতার নির্দেশ প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম

জেলখানায় বরই গাছ নেই, ওটা রসিকতা: এরশাদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রোপন করা কথিত বরই গাছের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন তিনি নিজে। বড়ই গাছের বিষয়টি রসিকতা বা ঠাট্টা করেছিলেন বলেও জানান এরশাদ।

১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর এরশাদকে কারাগারে নেয়া হয়। পরে দুর্নীতির মামলায় তার সাজাও হয়। ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্ত হন।

তখন থেকেই কারাগারে এরশাদের বড়ই গাছ রোপনের বিষয়ে কথা ছড়ায়। দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়ার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আবার কথা উঠে। রায়ের দিনই জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য ইয়াহিয়া চৌধুরী এরশাদের রোপন করা গাছের বড়ই খালেদা জিয়াকে খাওয়ানোর অনুরোধ করেন।

তবে মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনের সফরে নিজ এলাকা রংপুরে যাওয়া এরশাদ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওটা আমি ঠাট্টা করেছি। কোন রুমে ছিলাম মনে নেই।’

খালেদা জিয়ার সাজা প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে জেলে যেতে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। তবে উনি (খালেদা জিয়া) কী কারণে জেলে গেছেন, কেন গেছেন, কী অপরাধ ছিল তা নিয়ে কোন কথা বলব না। সেটা আদালত ভালো বলতে পারবে।’

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন নয়-বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের যুক্তি নেই বলেও মনে করেন এরশাদ। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে কারাগারে থেকে পাঁচটি করে আসনে জেতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমিও তো জেলে থেকে নির্বাচন করেছি। ২৫টি আসন পেয়েছি। ইতিহাস তো আছে।’

‘নির্বাচন সময় মতো হবে, সংবিধান মতো হবে। কোন ব্যাত্যয় হবে না। নির্বাচনে দুটো দল থাকলে নির্বাচন হয়। আমরা তো আছি, আওয়ামী লীগ তো আছে। কেউ আসুক আর না আসুক নির্বাচন হবে।’

‘আমি নির্বাচন করব। জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে। আমাদের উদ্দেশ্য ক্ষমতায় যাওয়া। তিনশ আসনে প্রার্থী দিয়েছি। আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

বিএনপির নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টিতে আসার চেষ্টা করছে কি না- এমন প্রশ্নে এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টিতে এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেনি। তবে সে যদি শিক্ষিত হয়, ভালো হয় তাহলে নেব।’

দলের কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ স্থানীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ আগস্ট ঘিরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতার সক্ষমতা নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জেলখানায় বরই গাছ নেই, ওটা রসিকতা: এরশাদ

আপডেট সময় ০৪:৩৯:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের রোপন করা কথিত বরই গাছের কোনো অস্তিত্ব নেই বলে জানিয়েছেন তিনি নিজে। বড়ই গাছের বিষয়টি রসিকতা বা ঠাট্টা করেছিলেন বলেও জানান এরশাদ।

১৯৯০ সালের ডিসেম্বরে গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়ার পর এরশাদকে কারাগারে নেয়া হয়। পরে দুর্নীতির মামলায় তার সাজাও হয়। ১৯৯৭ সালের ৯ জানুয়ারি তিনি জামিনে মুক্ত হন।

তখন থেকেই কারাগারে এরশাদের বড়ই গাছ রোপনের বিষয়ে কথা ছড়ায়। দুর্নীতির মামলায় সাজা পাওয়ার পর গত ৮ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে আবার কথা উঠে। রায়ের দিনই জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য ইয়াহিয়া চৌধুরী এরশাদের রোপন করা গাছের বড়ই খালেদা জিয়াকে খাওয়ানোর অনুরোধ করেন।

তবে মঙ্গলবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনের সফরে নিজ এলাকা রংপুরে যাওয়া এরশাদ সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওটা আমি ঠাট্টা করেছি। কোন রুমে ছিলাম মনে নেই।’

খালেদা জিয়ার সাজা প্রসঙ্গে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘রাজনীতি করতে হলে জেলে যেতে হয়, এটা নতুন কিছু নয়। তবে উনি (খালেদা জিয়া) কী কারণে জেলে গেছেন, কেন গেছেন, কী অপরাধ ছিল তা নিয়ে কোন কথা বলব না। সেটা আদালত ভালো বলতে পারবে।’

খালেদা জিয়াকে ছাড়া নির্বাচন নয়-বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যের যুক্তি নেই বলেও মনে করেন এরশাদ। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালে কারাগারে থেকে পাঁচটি করে আসনে জেতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমিও তো জেলে থেকে নির্বাচন করেছি। ২৫টি আসন পেয়েছি। ইতিহাস তো আছে।’

‘নির্বাচন সময় মতো হবে, সংবিধান মতো হবে। কোন ব্যাত্যয় হবে না। নির্বাচনে দুটো দল থাকলে নির্বাচন হয়। আমরা তো আছি, আওয়ামী লীগ তো আছে। কেউ আসুক আর না আসুক নির্বাচন হবে।’

‘আমি নির্বাচন করব। জাতীয় পার্টি নির্বাচন করবে। আমাদের উদ্দেশ্য ক্ষমতায় যাওয়া। তিনশ আসনে প্রার্থী দিয়েছি। আমরা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

বিএনপির নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টিতে আসার চেষ্টা করছে কি না- এমন প্রশ্নে এরশাদ বলেন, ‘জাতীয় পার্টিতে এখন পর্যন্ত কেউ যোগাযোগ করেনি। তবে সে যদি শিক্ষিত হয়, ভালো হয় তাহলে নেব।’

দলের কো-চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ স্থানীয় নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।