ঢাকা ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নাজমুল পদত্যাগ না করলে খেলা বর্জনের হুমকি ক্রিকেটারদের চাঁদাবাজি-মাস্তানি করলে এখনই বিএনপি থেকে বের হয়ে যান: আমীর খসরু আগামী সপ্তাহ থেকে বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের জন্য মার্কিন ভিসা কার্যক্রম স্থগিত একটি দল বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনআইডি ও বিকাশ নম্বর সংগ্রহ করছে: নজরুল ইসলাম খান স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করায় বিএনপি নেতা সাজুকে বহিষ্কার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে তরুণরা বৈষম্যহীন বাংলাদেশ পাবে: আলী রীয়াজ গণভোটে ‘হ্যাঁ’কে বিজয়ী করতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা ডাকসুর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্থগিত চেয়ে রিট অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতেই অন-অ্যারাইভাল ভিসা বন্ধ : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মবোক্রেসি সব জায়গায় চলে না, আমি ঢাকায় ভেসে আসি নাই : মির্জা আব্বাস

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কিশোরগঞ্জে মসজিদের বাক্সে ৯ লাখ টাকা

৫৭০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক

আপডেট সময় ১২:১৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত প্রকল্পের মান উন্নয়নে ৫৭০ মিলিয়ন ডলার দিচ্ছে উন্নয়ন সহযোগী বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। শনিবার বিশ্ব ব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত সংস্থাটির বোর্ড সভায় এই অর্থ সহায়তার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বিশ্বব্যাংক জানায়, স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যার মান উন্নয়ন এবং স্বচ্ছতা আনতে সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের নেওয়া পৃথক দুটি প্রকল্পে এ অর্থ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রকল্পে দেওয়া হবে ৫১৫ মিলিয়ন ডলার। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে শক্তিশালী করবে বিশেষ করে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে স্বাস্থ্য সেবা প্রদানের পরিধি ও গুণগত মান আরো উন্নত করবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে প্রায় ১ লাখ ৪৬ হাজার মা’কে স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি প্রায় ৫০ লাখ শিশুকে টিকা দেওয়া হবে।

অপরদিকে ‘ডিজিটাইজিং ইমপ্লিমেন্টেশন মনিটরিং অ্যান্ড পাবলিক প্রকিউরমেন্ট’ প্রকল্পে বাকি ৫৫ মিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।প্রতিবছর সরকারি কেনাকাটায় প্রায় ৭ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এসব কেনাকাটায় আরও স্বচ্ছতা চলে আসবে। এছাড়া কেনাকাটার প্রায় ৮০ শতাংশ দরপত্র ই-জিপির আওতায় আসবে।

বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর চিমিয়াও ফ্যান বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাত এবং সরকারি কেনাকাটার মান উন্নয়ন প্রকল্প দুটি বাস্তবায়নে বিশ্বব্যাংক ও বাংলাদেশ সরকার এক সঙ্গে কাজ করবে। স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন এবং সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা ও গতিশীলতা আনতে প্রকল্প দুটি সহায়তা করবে। এটি বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গঠনে অনেক বেশি কাজে দেবে।’