ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জলাভূমির উন্নয়নে সরকার আন্তরিক: পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার জলাভূমি ও নদীসমূহের দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নদী এবং জলাভূমিসমূহ আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। কাজেই আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য এগুলিকে দূষণমুক্ত করা উচিৎ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে আমরা সকলে এ বিষয়টি জানি। কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে আরো ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনসমূহ এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। আপনারা জানেন পরিবেশ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে পরিবেশ উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। যে সমস্ত নদী দূষণের শিকার হচ্ছে সেই নদীগুলোর পাড়ে ব্যাপক আকারে ইটিপি স্থাপন করা যায় কি না সে ব্যাপারে আমরা চিন্তা করছি। আশা করি আমাদের এ চিন্তার প্রতিফলন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের কাজে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হবো।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন মেম্বারর্স-এর চেয়ার হাসনা মওদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইইউসিএন-এর ভাইস চেয়ার ড. নিলুফার বানু। ‘কী-নোট’পেপার উপস্থাপন করেন ড. মো. মোখলেসুর রহমান ও ড. আবদুর রব মোল্লা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলাভূমির উন্নয়নে সরকার আন্তরিক: পরিবেশ ও বনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৬:৩০:০৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন, ঢাকা ও আশেপাশের এলাকার জলাভূমি ও নদীসমূহের দূষণ নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার আন্তরিকভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ নদী এবং জলাভূমিসমূহ আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির সঙ্গে নিবিড়ভাবে সম্পর্কিত। কাজেই আমাদের পরিবেশ ও অর্থনীতির উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার জন্য এগুলিকে দূষণমুক্ত করা উচিৎ।

বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন আয়োজিত এক সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে আমরা সকলে এ বিষয়টি জানি। কিন্তু সাধারণ জনগণের মধ্যে বিষয়টি সম্পর্কে আরো ব্যাপক সচেতনতা তৈরি করা প্রয়োজন। সরকারের উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংগঠনসমূহ এ বিষয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে যথেষ্ট আন্তরিক। আপনারা জানেন পরিবেশ বিষয়ে ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার গৃহীত পদক্ষেপসমূহের জন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। আমরা আমাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহার করে পরিবেশ উন্নয়নে কাজ শুরু করেছি। যে সমস্ত নদী দূষণের শিকার হচ্ছে সেই নদীগুলোর পাড়ে ব্যাপক আকারে ইটিপি স্থাপন করা যায় কি না সে ব্যাপারে আমরা চিন্তা করছি। আশা করি আমাদের এ চিন্তার প্রতিফলন খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের কাজে আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হবো।

বাংলাদেশ ন্যাশনাল কমিটি অব আইইউসিএন মেম্বারর্স-এর চেয়ার হাসনা মওদুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আইইউসিএন-এর ভাইস চেয়ার ড. নিলুফার বানু। ‘কী-নোট’পেপার উপস্থাপন করেন ড. মো. মোখলেসুর রহমান ও ড. আবদুর রব মোল্লা।