ঢাকা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘২০২৮ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে’ জিয়াউলের মামলায় আমরা বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি: চিফ প্রসিকিউটর আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়নি, সরকার সব সময় তৎপর থাকবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাশকতার আশঙ্কা: ৬ জেলায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ব্যবসা শুরুর প্রক্রিয়া সহজ করতে চায় সরকার: বাণিজ্যমন্ত্রী পদত্যাগ করলেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার মায়ের হাত থেকে ছিটকে ড্রেনে পড়ে শিশুর মৃত্যু তরুণদের মাদকমুক্ত রাখতে আইনের পাশাপাশি বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত প্রতিরোধের আহ্বান সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর ঝিনাইদহে শিশুকে ধর্ষণ-হত্যায় যুবকের মৃত্যুদণ্ড আনোয়ার ইব্রাহিমের দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নিলেন তারেক রহমান

পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তলানিতে বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে বড় উদ্বেগের নাম পরিবেশ দূষণ। দূষণের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে উন্নত বিশ্ব নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। অথচ এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান একদম তলানিতে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এনভায়রনমেন্টাল পারফরমেন্স ইনডেক্সে (ইপিআই) বাংলাদেশের হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। দূষণ রোধের অগ্রগতি সূচকে তলানির দিক থেকে দ্বিতীয় হয়েছে বাংলাদেশ। এতে প্রতীয়মান হচ্ছে উন্নয়ন ও পরিবেশকে সমান গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ।

পরিবেশ মানের সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ২৯ দশমিক ৫৬। অবস্থান ১৭৯ নম্বরে। শুধুমাত্র বুরুন্ডির অবস্থান বাংলাদেশের নিচে। বাংলাদেশে উপরের তিনটি দেশ হলো কঙ্গো (১৭৮), ভারত (১৭৭) ও নেপাল (১৭৬)।

স্বল্প ইপিআই স্কোরের অর্থ হল এই দেশগুলোকে পরিবেশের মান উন্নয়নে বিভিন্ন দিকে বিশেষ করে বাতাসের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমণ হ্রাসে আরো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মঙ্গলবার, সুজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনের সাইডলাইনে ইপিআই সূচকের ১৮০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরেমের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটি ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি এনভায়রনমেন্ট পারফমেন্স ইনডেক্স তৈরি করেছে। প্রতি দুই বছর অন্তর এই পরিবেশের মান নিয়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।

তালিকায় ৮৭ দশমিক ৪২ স্কোর নিয়ে সরবার ওপরে স্থান পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। এরপর প্রথম পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ডেনমার্ক, মালটা ও সুইডেন। শুধু তাই নয় তালিকায় প্রথম ১৫টি দেশের সবগুলোই ইউরোপের। আর যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে ২৭তম অবস্থানে।

ইপিআই তৈরিতে বায়ুর মান, পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন, পানিসম্পদ, ভারী ধাতুর উপস্থিতি, কৃষি, বনায়ন, মৎস্য সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, আবহাওয়া ও জ্বালানির মতো ২৪টি সূচককে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘২০২৮ সালের মধ্যে সব প্রাথমিকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিশ্চিত করা হবে’

পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তলানিতে বাংলাদেশ

আপডেট সময় ১১:৩৫:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিশ্বজুড়ে বড় উদ্বেগের নাম পরিবেশ দূষণ। দূষণের নেতিবাচক প্রভাব থেকে নিজেদের রক্ষা করতে উন্নত বিশ্ব নানা ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছে। অথচ এক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান একদম তলানিতে।

সম্প্রতি প্রকাশিত এনভায়রনমেন্টাল পারফরমেন্স ইনডেক্সে (ইপিআই) বাংলাদেশের হতাশাজনক চিত্র উঠে এসেছে। দূষণ রোধের অগ্রগতি সূচকে তলানির দিক থেকে দ্বিতীয় হয়েছে বাংলাদেশ। এতে প্রতীয়মান হচ্ছে উন্নয়ন ও পরিবেশকে সমান গুরুত্ব দিতে ব্যর্থ হচ্ছে বাংলাদেশ।

পরিবেশ মানের সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ২৯ দশমিক ৫৬। অবস্থান ১৭৯ নম্বরে। শুধুমাত্র বুরুন্ডির অবস্থান বাংলাদেশের নিচে। বাংলাদেশে উপরের তিনটি দেশ হলো কঙ্গো (১৭৮), ভারত (১৭৭) ও নেপাল (১৭৬)।

স্বল্প ইপিআই স্কোরের অর্থ হল এই দেশগুলোকে পরিবেশের মান উন্নয়নে বিভিন্ন দিকে বিশেষ করে বাতাসের দূষণ নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র সংরক্ষণ ও গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমণ হ্রাসে আরো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

মঙ্গলবার, সুজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের সম্মেলনের সাইডলাইনে ইপিআই সূচকের ১৮০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরেমের সঙ্গে যৌথভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটি ও কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটি এনভায়রনমেন্ট পারফমেন্স ইনডেক্স তৈরি করেছে। প্রতি দুই বছর অন্তর এই পরিবেশের মান নিয়ে এই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।

তালিকায় ৮৭ দশমিক ৪২ স্কোর নিয়ে সরবার ওপরে স্থান পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। এরপর প্রথম পাঁচ দেশের মধ্যে রয়েছে ফ্রান্স, ডেনমার্ক, মালটা ও সুইডেন। শুধু তাই নয় তালিকায় প্রথম ১৫টি দেশের সবগুলোই ইউরোপের। আর যুক্তরাষ্ট্র রয়েছে ২৭তম অবস্থানে।

ইপিআই তৈরিতে বায়ুর মান, পানি সরবরাহ ও পয়োনিষ্কাশন, পানিসম্পদ, ভারী ধাতুর উপস্থিতি, কৃষি, বনায়ন, মৎস্য সম্পদ, জীববৈচিত্র্য, আবহাওয়া ও জ্বালানির মতো ২৪টি সূচককে বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।