ঢাকা ০৪:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শাস্তি বাড়িয়ে দ্রুত বিচার আইনের সংশোধনী বিল সংসদে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শাস্তি বাড়িয়ে দ্রুত বিচার আইনের সংশোধনী আনা হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২ নামের বিলটিতে আগে শাস্তি ছিল পাঁচ বছরের। সংশোধনী করে এবার সাত বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে, চাঁদাবাজি,যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়-বিক্রয় গ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে এ আইন প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

এতে আরও বলা হয়েছে,উক্ত আইনের দারা ৪-এর উপধারা (১) এ বিধৃত শাস্তির পরিমাণ কম থাকায় আইনটি সময়োপযোগীকরণ এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে এ আইনে বিধৃত শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শাস্তি বাড়িয়ে দ্রুত বিচার আইনের সংশোধনী বিল সংসদে

আপডেট সময় ১০:৪৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শাস্তি বাড়িয়ে দ্রুত বিচার আইনের সংশোধনী আনা হয়েছে। সোমবার জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আইন-শৃংখলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন-২০০২ নামের বিলটিতে আগে শাস্তি ছিল পাঁচ বছরের। সংশোধনী করে এবার সাত বছর করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিলটি পরীক্ষা করে রিপোর্ট দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, দেশের আইন-শৃংখলা নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে, চাঁদাবাজি,যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়-বিক্রয় গ্রহণের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের গুরুতর অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে এ আইন প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল।

এতে আরও বলা হয়েছে,উক্ত আইনের দারা ৪-এর উপধারা (১) এ বিধৃত শাস্তির পরিমাণ কম থাকায় আইনটি সময়োপযোগীকরণ এবং দেশের সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে এ আইনে বিধৃত শাস্তির পরিমাণ বৃদ্ধি করা প্রয়োজন।