অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য আদায় ও ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতারণাসহ নানা অভিযোগে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় ২০ দিনে ২৪ প্রতিষ্ঠানকে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। মেলা প্রাঙ্গণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তরের অস্থায়ী কার্যালয় এসব জরিমানা করেছে।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. মাসুম আরেফিন জানান, ১ জানুয়ারি মেলা শুরুর পর থেকে ক্রেতা-বিক্রেতাদের সচেতনতার পাশাপাশি সক্রিয় কার্যক্রম চালাচ্ছে অধিদপ্তর। কোনো গ্রাহক এসে অভিযোগ করলেই তারা তা খতিয়ে দেখছেন। আবার অভিযোগ প্রমাণ হলে জরিমানার ২৫ শতাংশ পুরস্কার হিসেবে পাচ্ছেন অভিযোগকারীরা।
নিয়মিত অভিযান ছাড়াও মেলায় ক্রেতা ও দর্শনার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালান অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। এসব অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় ১০ প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। শনিবার পর্যন্ত মেলায় ১৮ অভিযোগ জমা পড়ে। এর ওপর ভিত্তি করে তদন্ত করেন সহকারী পরিচালকরা। বেশিরভাগই তদন্তে প্রমাণিত হয়েছে। তবে আটটি অভিযোগ আপস ও সমঝোতার ভিত্তিতে নিষ্পত্তি হয়েছে।
মাসুম আরেফিন জানান, এবার ভোক্তাদের কাছ থেকে এ বিষয়ে ব্যাপক সাড়া মিলছে। এখন পর্যন্ত ১৮টি অভিযোগ এসেছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করে দোষী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে জরিমানা আদায় করা হয়েছে। মেলার পুরোটা সময় এ কার্যক্রম চলবে। তিনি বলেন, এবার বিদেশি তিনটি প্যাভিলিয়নকে নয় হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী, সামস ক্যাফেকে নির্ধারিতের চেয়ে অধিক মূল্যে পণ্য বিক্রির দায়ে ২০ হাজার টাকা, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশনকে একই অপরাধে ১০ হাজার, নোহা সার্ভিসিং কোম্পানিকে মিথ্যা বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ক্রেতাকে প্রতারিত করায় ২০ হাজার, সমতা ট্রেডার্সকে একই অপরাধে ২০ হাজার, পণ্যের মোড়ক ব্যবহার না করায় মিঠাইকে ২০ হাজার ও নিউ ফ্যামিলি ট্রেডার্সকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাগফুর রহমান জানান, শুধু দেশি প্রতিষ্ঠান নয়, মিথ্যা বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রতারিত করায় বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে। বিদেশি প্যাভিলিয়নের মোড়কজাত পণ্যে উপকরণের বিবরণ, উৎপাদনের তারিখ ও সর্বোচ্চ খূচরা মূল্য না থাকা এবং অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হয়। এ জন্য পাকিস্তানের প্যাভিলিয়ন, ইরানি পণ্য সমাহার ও কোরিয়ান কালেকশনকে জারিমানা করা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























