ঢাকা ১০:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

২৫০ যাত্রী নিয়ে সাগরে বিকল জাহাজটি উদ্ধার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গোপসাগরে জাহাজ বিকল হয়ে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় ভেসে যাওয়া প্রায় ২৫০ যাত্রীর কয়েকটি ঘণ্টা কাটল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। পরে স্থানীয় প্রশাসন খবর পেয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে। জাহাজটিও তীরে নিয়ে আসে।

সোমবার বিকালে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে প্রায় আড়াইশ যাত্রী নিয়ে টেকনাফ আসার পথে সমুদ্রে বিকল হয় এলসিটি কাজল নামে জাহাজটি। পরে সেটি পানিতে ভেসে ভেসে মিয়ানমারের দিকে চলে যাচ্ছিল। আর উদ্ধারকারী একটি জাহাজ রাত পৌনে ১১টার দিকে ওই জাহাজটিকে টেনে নিয়ে আসে টেকনাফে। আর এর মাধ্যমে উদ্বেগজনক মুহূর্তের অবসান হয় এমভি কাজলের যাত্রীদের।

কক্সবাজারের টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন সিদ্দিক দৈনিক আকাশকে জানান, জাহাজে থাকা স্বজনদের মাধ্যমে তারা নৌযানটির বিকল হয়ে যাওয়ার তথ্য পান। এরপর সেটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেন।

ইউএনও বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে জানাই। তারা তাদের কাউন্টারপার্টরের (মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি) সঙ্গে যোগাযোগ করে, জানায় আমাদের একটি জাহাজ ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে ভাসতে তাদের দিকে যাচ্ছে।’ পাশাপাশি আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডকে অনুরোধ করি। তারা সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়।

ইউএনও জানান, ‘এরপর এলসিডি কুতুবদিয়া নামে একটি জাহাজ গিয়ে বিকল হওয়া জাহাজটিকে টেনে তীরে নিয়ে আসে।’ এমভি কাজলের সব যাত্রী ‍সুস্থ এবং নিরাপদে আছে বলেও জানান টেকনাফের ইউএনও।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

২৫০ যাত্রী নিয়ে সাগরে বিকল জাহাজটি উদ্ধার

আপডেট সময় ১২:৫৪:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বঙ্গোপসাগরে জাহাজ বিকল হয়ে মিয়ানমারের সমুদ্রসীমায় ভেসে যাওয়া প্রায় ২৫০ যাত্রীর কয়েকটি ঘণ্টা কাটল উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। পরে স্থানীয় প্রশাসন খবর পেয়ে যাত্রীদের উদ্ধার করে। জাহাজটিও তীরে নিয়ে আসে।

সোমবার বিকালে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ থেকে প্রায় আড়াইশ যাত্রী নিয়ে টেকনাফ আসার পথে সমুদ্রে বিকল হয় এলসিটি কাজল নামে জাহাজটি। পরে সেটি পানিতে ভেসে ভেসে মিয়ানমারের দিকে চলে যাচ্ছিল। আর উদ্ধারকারী একটি জাহাজ রাত পৌনে ১১টার দিকে ওই জাহাজটিকে টেনে নিয়ে আসে টেকনাফে। আর এর মাধ্যমে উদ্বেগজনক মুহূর্তের অবসান হয় এমভি কাজলের যাত্রীদের।

কক্সবাজারের টেকনাফের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদ হোসেন সিদ্দিক দৈনিক আকাশকে জানান, জাহাজে থাকা স্বজনদের মাধ্যমে তারা নৌযানটির বিকল হয়ে যাওয়ার তথ্য পান। এরপর সেটিকে উদ্ধারে কাজ শুরু করেন।

ইউএনও বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে বিজিবিকে জানাই। তারা তাদের কাউন্টারপার্টরের (মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপি) সঙ্গে যোগাযোগ করে, জানায় আমাদের একটি জাহাজ ইঞ্জিন বিকল হয়ে ভাসতে ভাসতে তাদের দিকে যাচ্ছে।’ পাশাপাশি আমরা যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্টগার্ডকে অনুরোধ করি। তারা সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়।

ইউএনও জানান, ‘এরপর এলসিডি কুতুবদিয়া নামে একটি জাহাজ গিয়ে বিকল হওয়া জাহাজটিকে টেনে তীরে নিয়ে আসে।’ এমভি কাজলের সব যাত্রী ‍সুস্থ এবং নিরাপদে আছে বলেও জানান টেকনাফের ইউএনও।