ঢাকা ০৪:৩৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যুক্তরাষ্ট্রকে ছেড়ে চার দেশে ঝুঁকছে পাকিস্তান

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইট ও অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষেপেছে মিত্র দেশ পাকিস্তান। দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চার বন্ধু দেশ- চীন, তুরস্ক, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের একটি বিশ্বস্ত সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

জানা গেছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর বেশিরভাগ সামরিক সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। কিন্তু দেশটি তার নয়া সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে গানবোট ও সাবমেরিন চীনের কাছ থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকে হেলিকপ্টার গানশিপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে রণতরী কেনার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। এ ছাড়া চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ।

সূত্রটি জানিয়েছে, পাকিস্তান বেশ কয়েক মাস আগে থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য সেনা ক্যাডেটদের আমেরিকায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনী বর্তমানে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এফ-১৭ জঙ্গিবিমান ব্যবহার করছে।

এ ছাড়া এই বিমানের চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গিবিমান নির্মাণের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ আনে। এর পর থেকে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ১ জানুয়ারি নতুন বছরে নিজের প্রথম টুইটার বার্তায় আফগান সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেন। সেইসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক অনুদান বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যুক্তরাষ্ট্রকে ছেড়ে চার দেশে ঝুঁকছে পাকিস্তান

আপডেট সময় ১১:২৭:৪৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের টুইট ও অনুদান বন্ধের সিদ্ধান্তের কারণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ক্ষেপেছে মিত্র দেশ পাকিস্তান। দেশটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের পরিবর্তে চার বন্ধু দেশ- চীন, তুরস্ক, রাশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে সামরিক সরঞ্জাম কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাকিস্তানের একটি বিশ্বস্ত সামরিক সূত্রের বরাতে সোমবার এ খবর জানিয়েছে দেশটির সংবাদমাধ্যম।

জানা গেছে, পাকিস্তান নৌবাহিনীর বেশিরভাগ সামরিক সরঞ্জাম যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি। কিন্তু দেশটি তার নয়া সামরিক সরঞ্জাম বিশেষ করে গানবোট ও সাবমেরিন চীনের কাছ থেকে সংগ্রহ করার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে চীন ও তুরস্কের কাছ থেকে হেলিকপ্টার গানশিপ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার কাছ থেকে রণতরী কেনার কথা বিবেচনা করছে ইসলামাবাদ। এ ছাড়া চীনের কাছ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা কেনার বিষয়েও বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে ইসলামাবাদ।

সূত্রটি জানিয়েছে, পাকিস্তান বেশ কয়েক মাস আগে থেকে উচ্চতর প্রশিক্ষণের জন্য সেনা ক্যাডেটদের আমেরিকায় পাঠানো বন্ধ করে দিয়েছে। পাকিস্তান বিমানবাহিনী বর্তমানে চীন ও পাকিস্তানের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত এফ-১৭ জঙ্গিবিমান ব্যবহার করছে।

এ ছাড়া এই বিমানের চতুর্থ ও পঞ্চম প্রজন্মের জঙ্গিবিমান নির্মাণের জন্য রাশিয়ার সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে ইসলামাবাদ। ২০১৭ সালের আগস্ট মাসে ট্রাম্প প্রশাসন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবাদে মদদ দেয়ার অভিযোগ আনে। এর পর থেকে ওয়াশিংটন-ইসলামাবাদ সম্পর্কের অবনতি ঘটতে শুরু করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ১ জানুয়ারি নতুন বছরে নিজের প্রথম টুইটার বার্তায় আফগান সন্ত্রাসীদের আশ্রয় দেয়ার জন্য পাকিস্তানকে অভিযুক্ত করেন। সেইসঙ্গে তিনি ইসলামাবাদকে ২০০ কোটি ডলারের সামরিক অনুদান বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দেন।

এর পরিপ্রেক্ষিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্র নির্ভরতা কমানোর নানা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছে।