ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

গৃহহীন হতে পারেন বাজপেয়ি-মনমোহন-প্রণব

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মাথার ওপর থেকে এবার ছাদ হারাতে পারেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি অটল বিহারী বাজপেয়ি, প্রণব মুখোপাধ্যায়, মনমোহন সিং প্রমুখ।’লোক প্রহরী’ নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ পদে থাকা প্রাক্তনদের সরকারি আবাসস্থলের ওপর এবার পড়তে পারে খড়গ।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের সরকারি বাসভবন বরাদ্দ করা সংক্রান্ত উত্তর প্রদেশ সরকারের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় লোক প্রহরী।

এই রিট পিটিশনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং নবীন সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, শুধু উত্তর প্রদেশই নয়, অন্যান্য রাজ্যে এবং কেন্দ্রে এ ধরনের আইন থেকে থাকলে সেগুলিরও বৈধতা যাচাই করা হোক। এমন মত প্রকাশের পাশাপাশি, আদালতের তরফ থেকে এই মামলায় ভারতের সলিসিটর জেনারেল তথা প্রাক্তন প্রবীণ আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যমকে ‘আদালত বন্ধু’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

দায়িত্ব পেয়ে ইতিমধ্যেই নিজের মত জানিয়েছেন গোপাল সুব্রহ্মণ্যম। দেশের প্রাক্তন সলিসিটরের মতে, সাংবিধানিক পদ চলে যাওয়ার বা ত্যাগ করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাধারণ নাগরিকে পরিণত হন। আর সাধারণ নাগরিকদের এ ধরনের সরকারি বাসভবন পাওয়ার কোনও সংস্থান নেই সংবিধানে।

গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের দাবি, ‘যদি কোনও আইন, প্রাক্তন (সাংবিধানিক) পদাধিকারীদের এমন অনুমোদন দিয়ে থাকে, তাহলে তা সাংবিধানিক পরিধির বাইরে গিয়ে কাজ করছে এবং তা ভারতের সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার (আইনের চোখে সমানাধিকার)-এর পরিপন্থী।’

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৬ তারিখ মামলাটি আবার সুপ্রিম কোর্টে উঠতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের টুইটার অ্যাকাউন্টের নাম ছিল ‘@PresidentMukherjee’। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাতে দায়িত্ব অর্পণ রাইসিনা হিলসের রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করার পর, তিনি টুইটারের নাম বদলে নেন। বর্তমানে টুইটারে তিনি ‘@CitizenMukherjee’ নামেই পরিচিত।

অনেকেই বলছেন, সংসদীয় রাজনীতিতে পরিপক্ক প্রণব দেশের সংবিধান ও রীতিনীতি সম্পর্কে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। ফলে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ার পর, নিজেকে ‘সিটিজেন’ হিসেবে পরিচিত করার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সুচিন্তিত বলে তাদের দাবি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী ট্যাংকারে বিস্ফোরণ: ইরানের দাবি

গৃহহীন হতে পারেন বাজপেয়ি-মনমোহন-প্রণব

আপডেট সময় ১১:৩৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মাথার ওপর থেকে এবার ছাদ হারাতে পারেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি অটল বিহারী বাজপেয়ি, প্রণব মুখোপাধ্যায়, মনমোহন সিং প্রমুখ।’লোক প্রহরী’ নামের এক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে দেশের শীর্ষ পদে থাকা প্রাক্তনদের সরকারি আবাসস্থলের ওপর এবার পড়তে পারে খড়গ।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীদের সরকারি বাসভবন বরাদ্দ করা সংক্রান্ত উত্তর প্রদেশ সরকারের আইনকে চ্যালেঞ্জ করে ২০১৬ সালের ২৩ আগস্ট দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয় লোক প্রহরী।

এই রিট পিটিশনের বিষয়বস্তু পর্যালোচনা করে বিচারপতি রঞ্জন গগৈ এবং নবীন সিনহার ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, শুধু উত্তর প্রদেশই নয়, অন্যান্য রাজ্যে এবং কেন্দ্রে এ ধরনের আইন থেকে থাকলে সেগুলিরও বৈধতা যাচাই করা হোক। এমন মত প্রকাশের পাশাপাশি, আদালতের তরফ থেকে এই মামলায় ভারতের সলিসিটর জেনারেল তথা প্রাক্তন প্রবীণ আইনজীবী গোপাল সুব্রহ্মণ্যমকে ‘আদালত বন্ধু’ হিসেবে নিয়োগ করা হয়।

দায়িত্ব পেয়ে ইতিমধ্যেই নিজের মত জানিয়েছেন গোপাল সুব্রহ্মণ্যম। দেশের প্রাক্তন সলিসিটরের মতে, সাংবিধানিক পদ চলে যাওয়ার বা ত্যাগ করার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি সাধারণ নাগরিকে পরিণত হন। আর সাধারণ নাগরিকদের এ ধরনের সরকারি বাসভবন পাওয়ার কোনও সংস্থান নেই সংবিধানে।

গোপাল সুব্রহ্মণ্যমের দাবি, ‘যদি কোনও আইন, প্রাক্তন (সাংবিধানিক) পদাধিকারীদের এমন অনুমোদন দিয়ে থাকে, তাহলে তা সাংবিধানিক পরিধির বাইরে গিয়ে কাজ করছে এবং তা ভারতের সংবিধানের ১৪ নম্বর ধারার (আইনের চোখে সমানাধিকার)-এর পরিপন্থী।’

উল্লেখ্য, চলতি মাসের ১৬ তারিখ মামলাটি আবার সুপ্রিম কোর্টে উঠতে চলেছে।

প্রসঙ্গত, দেশের রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের টুইটার অ্যাকাউন্টের নাম ছিল ‘@PresidentMukherjee’। কিন্তু বর্তমান রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দের হাতে দায়িত্ব অর্পণ রাইসিনা হিলসের রাষ্ট্রপতি ভবন ত্যাগ করার পর, তিনি টুইটারের নাম বদলে নেন। বর্তমানে টুইটারে তিনি ‘@CitizenMukherjee’ নামেই পরিচিত।

অনেকেই বলছেন, সংসদীয় রাজনীতিতে পরিপক্ক প্রণব দেশের সংবিধান ও রীতিনীতি সম্পর্কে অত্যন্ত ওয়াকিবহাল। ফলে ‘প্রাক্তন’ হয়ে যাওয়ার পর, নিজেকে ‘সিটিজেন’ হিসেবে পরিচিত করার এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সুচিন্তিত বলে তাদের দাবি।