ঢাকা ০৪:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আগামী নির্বাচন হবে মানুষের জীবন ও ভাগ্য বদলে দেওয়ার নির্বাচন : সালাহউদ্দিন গণভোট-সংসদ নির্বাচনের ফল হবে একসঙ্গে : ইসি সচিব পাকিস্তানকে বিশ্বকাপে খেলার অনুমতি দেবে না সরকার সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবসহ ৩ জনের মৃত্যুদণ্ড নির্বাচনে নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সশস্ত্র বাহিনীকে নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার ‘লাইলাতুল গুজব’ শেষে বিসিবিতেই দেখা গেল বুলবুলকে ঢাকা-১৮ আসনে এনসিপি প্রার্থীর ওপর বিএনপির হামলার অভিযোগ বিএনপি সব সময় নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে : রিজভী

ঢাবি সিনেট নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিয়ে হতাশ: ফখরুল

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদের কার্যক্রমে হতাশা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদের পরিচিতি সভায় যোগ দিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট নির্বাচনের আজীবন ভোটার। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনাদের পরিষদের কোনো চিঠি পাইনি। রাতে এসে আমাকে কেউ আপনাদের পক্ষ থেকে ভোট দেয়ার অনুরোধও করেনি। তার মানে আপনারা নির্বাচনটাকে সিরিয়াসলি নেননি।’

বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এই পরিচিতি সভার আয়োজন করে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ। আগামী ৬, ১৩ ও ২০ জানুয়ারি গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট হবে। এবার ভোটার আছেন প্রায় ৪৪ হাজার। জাতীয়তাবাদী পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, আপনারা নির্বাচনকে সিরিয়াসলি নিলে আমার এলাকাতে চিঠি পৌঁছত। আমাদের পরিবারে আটটি ভোট আছে। তাই আপনাদের বলব নির্বাচনকে সামনে রেখে আপনারা একটা টাস্কফোর্স তৈরি করেন। প্রত্যেক ভোটারের ঘরে ঘরে আপনাদের চিঠি পাঠান। ঢাকাকে ভাগ করে আপনারা কাজ করুন।’

বর্তমান সরকারকে কর্তৃত্ববাদী আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যক্তিগত ইচ্ছা পূরণের জন্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’ ‘যে রাষ্ট্রে গণতন্ত্র নেই সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবে না নিয়ে সন্দেহ আছে এবং সেই নির্বাচন কতটুকু গণতান্ত্রিক হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে। কারণ গত সিটেন নির্বাচনে আমাদের অনেক ভোটারকে ভোট দিতে দেয় হয়নি।’

দেশের প্রতিটি অর্জনের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনেক বেশি জানিয়ে এখন কেন তারা কিছু করতে পারছে না সে প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। ‘কোথায় যেন একটু ছন্দপতন হয়েছে। রাষ্ট্র, সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অবক্ষয় সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষকরা তাদের ভুমিকা রাখতে পারছে না।’

গত ২৭ বছর ধরে ডাকসু নির্বাচন হয় না বলেই এখন গণতান্ত্রিক চেতনা থেকে নেতৃত্ব দেবেন সেই নেতৃত্ব বের হয়ে আসছে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। পরিচিতি সভায় ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের সাবেক ‍উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলমসহ কয়েকজন প্রার্থী এ সময় বক্তব্য রাখেন।

জাতীয়তাবাদী পরিষদে আছেন যারা

এবারের সিনেট নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার (ব্যালট-২), ড. উম্মে কুলসুম রওজাতুর রোম্মান (ব্যালট-৭), এ কে এম ফজলুল হক মিলন (ব্যালট- ১১), এ টি এম আবদুল বারী ড্যানি (ব্যালট-১৩), অধ্যাপক এ বি এম ফজলুর করীম (ব্যালট-১৪), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (ব্যালট-১৬), এস এম রফিকুল ইসলাম (ব্যালট-২৩), কে এম আমিরুজ্জামান শিমুল (ব্যালট-২৫), চৌধুরী মাহমুদ হাসান (ব্যালট-২৭), জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম (ব্যালট-২৯), অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার (ব্যালট-৩১), প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস (ব্যালট-৩৫), ফরহাদ হালিম ডোনার (ব্যালট-৩৬), মোহাম্মদ আবদুর রব (ব্যালট-৪৩), মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী (ব্যালট-৪৬),মোহাম্মদ রফিকুল কবির লাবু (ব্যালট-৪৮), মো. আশরাফুল হক (ব্যালট-৫৭), মাসুদ আহমেদ তালুকদার (ব্যালট-৬১),মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (ব্যালট-৬২), ড. মো শরীফুল ইসলাম দুলু (ব্যালট-৬৫), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (ব্যালট-৬৬), সেলিম ভুঁইয়া (ব্যালট-৬৭), মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ব্যালট-৬৮), শওকত মাহমুদ (ব্যালট-৭৩) ও ড. সদরুল আমিন (ব্যালট-৭৭)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল

ঢাবি সিনেট নির্বাচনে বিএনপিপন্থীদের নিয়ে হতাশ: ফখরুল

আপডেট সময় ১০:১২:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদের কার্যক্রমে হতাশা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী পরিষদের পরিচিতি সভায় যোগ দিয়ে বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেট নির্বাচনের আজীবন ভোটার। কিন্তু এখন পর্যন্ত আপনাদের পরিষদের কোনো চিঠি পাইনি। রাতে এসে আমাকে কেউ আপনাদের পক্ষ থেকে ভোট দেয়ার অনুরোধও করেনি। তার মানে আপনারা নির্বাচনটাকে সিরিয়াসলি নেননি।’

বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে এই পরিচিতি সভার আয়োজন করে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদ। আগামী ৬, ১৩ ও ২০ জানুয়ারি গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচনে ভোট হবে। এবার ভোটার আছেন প্রায় ৪৪ হাজার। জাতীয়তাবাদী পরিষদের নেতাদের উদ্দেশে ফখরুল বলেন, আপনারা নির্বাচনকে সিরিয়াসলি নিলে আমার এলাকাতে চিঠি পৌঁছত। আমাদের পরিবারে আটটি ভোট আছে। তাই আপনাদের বলব নির্বাচনকে সামনে রেখে আপনারা একটা টাস্কফোর্স তৈরি করেন। প্রত্যেক ভোটারের ঘরে ঘরে আপনাদের চিঠি পাঠান। ঢাকাকে ভাগ করে আপনারা কাজ করুন।’

বর্তমান সরকারকে কর্তৃত্ববাদী আখ্যা দিয়ে ফখরুল বলেন, ‘নিজেদের ইচ্ছা অনুযায়ী ব্যক্তিগত ইচ্ছা পূরণের জন্য অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে সকল গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’ ‘যে রাষ্ট্রে গণতন্ত্র নেই সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট নির্বাচন কতটুকু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখতে পারবে না নিয়ে সন্দেহ আছে এবং সেই নির্বাচন কতটুকু গণতান্ত্রিক হবে তা নিয়েও সন্দেহ আছে। কারণ গত সিটেন নির্বাচনে আমাদের অনেক ভোটারকে ভোট দিতে দেয় হয়নি।’

দেশের প্রতিটি অর্জনের পেছনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান অনেক বেশি জানিয়ে এখন কেন তারা কিছু করতে পারছে না সে প্রশ্ন তোলেন বিএনপি মহাসচিব। ‘কোথায় যেন একটু ছন্দপতন হয়েছে। রাষ্ট্র, সমাজ ও শিক্ষাক্ষেত্রে যে অবক্ষয় সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষকরা তাদের ভুমিকা রাখতে পারছে না।’

গত ২৭ বছর ধরে ডাকসু নির্বাচন হয় না বলেই এখন গণতান্ত্রিক চেতনা থেকে নেতৃত্ব দেবেন সেই নেতৃত্ব বের হয়ে আসছে না বলেও মন্তব্য করেন বিএনপি মহাসচিব। পরিচিতি সভায় ঢাকা বিশ্বাবিদ্যালয়ের সাবেক ‍উপাচার্য এমাজউদ্দিন আহমেদ, বিএনপি নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমান, আমান উল্লাহ আমান, খায়রুল কবির খোকন, নাজিম উদ্দিন আলমসহ কয়েকজন প্রার্থী এ সময় বক্তব্য রাখেন।

জাতীয়তাবাদী পরিষদে আছেন যারা

এবারের সিনেট নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী প্যানেলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন- অধ্যাপক আ ফ ম ইউসুফ হায়দার (ব্যালট-২), ড. উম্মে কুলসুম রওজাতুর রোম্মান (ব্যালট-৭), এ কে এম ফজলুল হক মিলন (ব্যালট- ১১), এ টি এম আবদুল বারী ড্যানি (ব্যালট-১৩), অধ্যাপক এ বি এম ফজলুর করীম (ব্যালট-১৪), এ বি এম মোশাররফ হোসেন (ব্যালট-১৬), এস এম রফিকুল ইসলাম (ব্যালট-২৩), কে এম আমিরুজ্জামান শিমুল (ব্যালট-২৫), চৌধুরী মাহমুদ হাসান (ব্যালট-২৭), জিন্নাতুন নেছা তাহমিদা বেগম (ব্যালট-২৯), অ্যাডভোকেট তৈমুর আলম খন্দকার (ব্যালট-৩১), প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস (ব্যালট-৩৫), ফরহাদ হালিম ডোনার (ব্যালট-৩৬), মোহাম্মদ আবদুর রব (ব্যালট-৪৩), মোহাম্মদ আলমোজাদ্দেদী আলফেছানী (ব্যালট-৪৬),মোহাম্মদ রফিকুল কবির লাবু (ব্যালট-৪৮), মো. আশরাফুল হক (ব্যালট-৫৭), মাসুদ আহমেদ তালুকদার (ব্যালট-৬১),মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (ব্যালট-৬২), ড. মো শরীফুল ইসলাম দুলু (ব্যালট-৬৫), সাইফুল ইসলাম ফিরোজ (ব্যালট-৬৬), সেলিম ভুঁইয়া (ব্যালট-৬৭), মো. সেলিমুজ্জামান মোল্যা (ব্যালট-৬৮), শওকত মাহমুদ (ব্যালট-৭৩) ও ড. সদরুল আমিন (ব্যালট-৭৭)।