ঢাকা ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
২০০ কোটি ডলার ঋণ নাকি অনুদান, পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বললেন ‘এখানে খোঁচাখুঁচির কিছু নাই’ হরমুজ প্রণালী ‘স্থায়ীভাবে’ খুলে দেওয়া হচ্ছে: ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ একটি ‘ভুল’: ব্রিটিশ চ্যান্সেলর নবীর অবমাননায় মৃত্যুদণ্ডের আইন দাবি এমপি হানজালার টিপাইমুখ বাঁধ আমাদের নিজেদের তৈরি দুর্যোগ: স্পিকার বাংলাদেশকে ২ কোটি ১৯ লাখ হাম-রুবেলার টিকা দেবে যুক্তরাষ্ট্র জ্বালানি চাহিদা মেটাতে উন্নয়ন অংশীদারদের কাছে ২শ’ কোটি ডলার সহায়তা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী সংসদে দাঁড়িয়ে এলাকার সড়কের জন্য ‘ভিক্ষা’ চাইলেন হাসনাত আবদুল্লাহ আত্মীয়ের কুলখানি শেষে ফিরছিলেন বাড়ি, পথে কাভার্ড ভ্যান কেড়ে নিল মা-ছেলের প্রাণ বনানীতে বহুতল ভবনে আগুন

দক্ষিণ চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‘আধিপত্য’ রুখতে আরও স্বাধীনতা দেওয়া হল মার্কিন নৌবাহিনীকে। চীনকে চাপে রাখতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জেমস ম্যাটিস। আর তার পরিকল্পনাকে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারা বছর দক্ষিণ চীন সাগরে টহল দিবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। ফলে বারাক ওবামার শাসনামলে এই বিষয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্তে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো। এবার আর তা দরকার পড়বে না।

সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন মার্কিন পরিকল্পনা কার্যকর হলে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রবল চাপে পড়বে চীন। তার ফলে ভারত বা জাপানের উপরে চাপ বাড়ানো বেইজিংয়ের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। আর তাই এখন মার্কিন এই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে ভারত সহ বেশ কয়েকটি দেশ।

দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতনিয়িত শক্তি বাড়াচ্ছে চীন। একের পর এক বিতর্কিত দ্বীপে মিসাইল লঞ্চার থেকে যুদ্ধবিমানের রানওয়ে, রেডার মোতায়েন করে চলেছে দেশটি। এই সমস্ত এলাকাতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছে বেইজিং। আর তা রুখে দিতেই মার্কিন নৌবাহিনীর পালটা এই সিদ্ধান্ত। আর সেই সিদ্ধান্তকে সবুজ সঙ্কেত দিল ট্রাম্প-প্রশাসন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

দক্ষিণ চীনকে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা

আপডেট সময় ০৬:৩০:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিতর্কিত দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের ‘আধিপত্য’ রুখতে আরও স্বাধীনতা দেওয়া হল মার্কিন নৌবাহিনীকে। চীনকে চাপে রাখতে নতুন পরিকল্পনা নিয়েছেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব জেমস ম্যাটিস। আর তার পরিকল্পনাকে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, সারা বছর দক্ষিণ চীন সাগরে টহল দিবে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ। ফলে বারাক ওবামার শাসনামলে এই বিষয়ে প্রতিটি সিদ্ধান্তে ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের অনুমোদনের প্রয়োজন হতো। এবার আর তা দরকার পড়বে না।

সামরিক পর্যবেক্ষকদের মতে, নতুন মার্কিন পরিকল্পনা কার্যকর হলে দক্ষিণ চীন সাগরে প্রবল চাপে পড়বে চীন। তার ফলে ভারত বা জাপানের উপরে চাপ বাড়ানো বেইজিংয়ের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়বে। আর তাই এখন মার্কিন এই সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে ভারত সহ বেশ কয়েকটি দেশ।

দক্ষিণ চীন সাগরে প্রতনিয়িত শক্তি বাড়াচ্ছে চীন। একের পর এক বিতর্কিত দ্বীপে মিসাইল লঞ্চার থেকে যুদ্ধবিমানের রানওয়ে, রেডার মোতায়েন করে চলেছে দেশটি। এই সমস্ত এলাকাতে নিজেদের প্রভাব বিস্তার করতেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিয়ে যাচ্ছে বেইজিং। আর তা রুখে দিতেই মার্কিন নৌবাহিনীর পালটা এই সিদ্ধান্ত। আর সেই সিদ্ধান্তকে সবুজ সঙ্কেত দিল ট্রাম্প-প্রশাসন।